• ই-পেপার

ইনডোরেই হাসি-খেলা

  • ভাপসা গরমে বিকেলেও খেলার জন্য শিশুদের বাইরে পাঠাতে নারাজ অনেক অভিভাবক। তাই বলে কি ছোটরা খেলবে না? ওদের জন্য ইনডোরেই খেলাধুলার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। কয়েকটি ইনডোর গেমের সরঞ্জামের খোঁজ নিয়েছেন আহমেদ ইমরান

ফিরিয়ে আনুন ত্বক ও চুলের সতেজতা

ঈদের ব্যস্ততায় নারী-পুরুষ উভয়ের ত্বক ও চুলের ওপর বেশ চাপ পড়ে। তার ওপর আবহাওয়া বেশ উষ্ণ। ছুটি শেষে নির্জীব ত্বক ও চুলে প্রাণ ফেরানোর কয়েকটি টিপস। লিখেছেন আয়েশা সিদ্দিকা স্বর্ণা

ফিরিয়ে আনুন ত্বক ও চুলের সতেজতা
ঈদের ছুটি শেষে চুলের বিশেষ যত্ন জরুরি।মডেল : প্রিয়ন্তী উর্বী, ছবি : এটুজেড

গ্রীষ্মের গরমে ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে কোরবানির জন্য সেরা পশু কেনাটা চাট্টিখানি কথা নয়। শুধু কিনলেই কাজ শেষ হয় না। সেই পশু কোরবানির আগ পর্যন্ত লালন-পালন করতে গিয়েও বেশ ব্যস্ত থাকতে হয়। ঈদের ছুটিতে ঘোরাঘুরির ব্যাপার তো আছেই। এর ফাঁকে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পুরুষদের অনেকেই মেতে ওঠেন খেলাধুলায়। নারীদের গরমকে পাশ কাটিয়ে চুলার পাশে রান্নাবান্নায় ব্যস্ত থাকতে হয়। সব মিলিয়ে কোরবানির ঈদ ব্যস্ততার একটা সময়। কখন যে ছুটি শেষ হয়ে যায়, টেরও পাওয়া যায় না। বাসায় ফিরে আয়নায় তাকিয়ে চেহারার হাল দেখে চমকে ওঠেন অনেকেই। এই হাল নিয়ে অফিসে বা বাইরে বেরোতে খানিকটা লজ্জাও পান অনেকে। ত্বক ও চুলের সতেজতা ফেরাতে ছুটি শেষে কিছু নিয়ম মেনে চলুন। অল্প দিনের মধ্যেই ফিরবে আবার আগের অবস্থা।

ফিরিয়ে আনুন ত্বক ও চুলের সতেজতা

ত্বক

হাত-পায়ে পাতলা করে কাটা লাউয়ের টুকরা ঘষতে পারেন। লাউয়ের বেশির ভাগটাই পানি। লাউ ঘষলে জ্বালা ভাব কমবে। ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা জেলও। সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শুধু ত্বকের নয়, চোখেরও ক্ষতি করে। চোখের চারপাশের ত্বক এমনিতেই বেশি স্পর্শকাতর। ফলে গরমের দিনে ইউভি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দিতে পারে এমন রোদচশমা বেছে নিন। গরমে রোদে ঘামে অনেকের ত্বকের লোপকূপগুলোর মুখ বড় হয়ে যায়। ত্বকের মসৃণতা নষ্ট হয়। ত্বকের উন্মুক্ত রন্ধ্রগুলো সংকুচিত করতে দরকার টোনার। বাসায় নিয়ম করে ক্লিনজিং যতটা জরুরি, ঠিক ততটাই দরকারি টোনিং ও ময়েশ্চারাইজিং।

এ সময় ত্বকে সতেজতা আনতে দিনে দুইবার গোসল করুন। ঘাম জমলে দ্রুত মুছে ফেলুন। উত্সবের দিনগুলোতে সাধারণত নতুন ও কাজ করা পোশাকই বেশি পরা হয়। এতে ত্বক শ্বাস নিতে পারে না। বাসায় ফিরে পাতলা পোশাক পরা শুরু করুন, যাতে হাওয়া খেলতে পারে। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। পানির অভাব হলে যেমন শরীর খারাপ হয়, তেমনি ত্বকও নির্জীব দেখায়। ভাজাভুজিসহ ভারী খাবার তো বেশ খেলেন এই কয়েক দিন, এবার এসব এড়িয়ে টাটকা হালকা খাবার খান।

উত্সবে রান্নাবান্না, থালা-বাসন ধোয়া, কাপড় ধোয়ার কাজ বেড়ে যায়। এতে হাতের ত্বকের ক্ষতি হয়। হাতের ত্বকের কোমলতা ফেরাতে ত্বক আর্দ্র থাকতেই নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার লাগান। যতবার হাতে সাবান পানি লাগবেন, ততবারই এটা করবেন। লোশনের চেয়ে ক্রিম বা ওয়েন্টমেন্টজাতীয় ময়েশ্চারাইজার এ জন্য বেশি ভালো। পেট্রোলিয়াম জেলি, গ্লিসারিন, খনিজ তেল, সিরামাইড ইত্যাদি উপকরণ সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজারও উপকারী। রাতে সব কাজ শেষে ঘুমানোর সময় পুরু ময়েশ্চারাইজার, যেমনপেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে ঘুমাতে যান। নখের জন্য পার্লারে গিয়ে পেডিকিউর ও ম্যানিকিউর করে নিতে পারেন।

সূর্যকিরণ এড়িয়ে চলুন। ছায়াময় স্থানে থাকার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে ছাতা বা টুপি ব্যবহার করুন। উপযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। বাইরে বের হওয়ার ২০-৩০ মিনিট আগে শরীরের উন্মুক্ত স্থানে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

ত্বকের ওপরে জমা পাতলা ময়লার আবরণ সরিয়ে সতেজতা ফেরাতে এক্সফোলিয়েশন জরুরি। ঘরে বসেই এটা করতে পারেন। চাইলে পার্লার থেকেও করাতে পারেন। প্রথমে মুখ ধুয়ে নিন। অল্প পরিমাণ ফেস স্ক্রাব মুখে হালকা করে বৃত্তাকারে ৩০ থেকে ৬০ সেকেন্ড ম্যাসাজ করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে এক থেকে দুইবার স্ক্রাবিং করতে পারেন। এই নিয়ম অনুসরণ করে কয়েক দিনের মধ্যেই আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারবেন আপনার ত্বক।

 

চুল

শুধু মুখে সানস্ক্রিন মাখলেই হবে না, একই যত্ন দরকার চুলেরও! বাইরে পা দেওয়ার আগে চুলে সানস্ক্রিন লাগিয়ে ম্যাসাজ করে নিন। গরমে খোলা চুল মানেই প্রচণ্ড অস্বস্তি। তাই চুলটা এ সময় হালকা করে বেঁধে রাখাই ভালো। এই গরমের সময় চুলটা আঁটসাঁট করে না বেঁধে পাঞ্চ ক্লিপে হালকা করে আটকে নিন। চুলের হারানো সতেজতা ফেরাতে নারিশিং শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। নারকেল, শিয়া বাটার, আর্গান অয়েল বেইসড শ্যাম্পু চুলের জন্য ভালো। চুলে সরাসরি শ্যাম্পু লাগাবেন না। স্কাল্পে ঘষে ফেনা করে সেই ফেনা চুলে লাগিয়ে ধুয়ে নিন। চুল রুক্ষ হবে না। প্রতিবার শ্যাম্পু শেষে কন্ডিশনার অবশ্যই লাগাবেন। চুল ডিপ কন্ডিশনিং করতে কন্ডিশনারের বদলে হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন। ঘরোয়া হেয়ার প্যাকও ব্যবহার করতে পারেন। ডিম, দই আর মধু দিয়ে তৈরি হেয়ার প্যাক বিবর্ণ চুলের জন্য উপকারী।

গরম আর ঘাম চুল চটচটে করে দেয়। এ জন্য হাতের কাছে রাখুন হাইড্রেটিং হেয়ার মিস্ট। রুক্ষতার হাত থেকে চুলকে রক্ষা করবে এই মিস্ট। অ্যালোভেরা জেলে পানি মিশিয়ে ঘরোয়া হেয়ার মিস্ট বানিয়ে নিতে পারেন। সপ্তাহে তিন-চার দিন রাতে ন্যাচার কেয়ার হেয়ার অয়েল চুলে লাগান। এটি চুলের ডিপ কন্ডিশনিংয়ের কাজ করবে। চুলে তেল লাগানোর আগে তেলের সঙ্গে একটু লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে চুল খুশকিমুক্ত থাকবে। চুল ময়েশ্চারাইজ করতে মেহেদি ও টক দইয়ের প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। টক দই, মেহেদিপাতা, মেথি গুঁড়া ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি চুলে ৩০ মিনিটের মতো লাগিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। টক দই চুলকে ময়েশ্চারাইজ করবে। মেথি গুঁড়া খুশকি দূর করবে আর চুল ঝলমলে করবে লেবুর রস। সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করুন। রোদে পোড়া লালচে চুলের জন্য কলা ও আমলকীর প্যাক উপকারী। চুলে পাকা কলা, আমলকীর রস, মধু ও মেথি গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে লাগাতে পারেন। এটি একই সঙ্গে চুল নরম করবে এবং রোদে পুড়ে লালচে হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাবে।

গরমে রোদে বাইরে বের হলে অবশ্যই ছাতা, হিজাব বা স্কার্ফ ব্যবহার করুন। এতে চুল কড়া রোদ ও অতিরিক্ত ধুলাবালি থেকে রক্ষা পাবে।

এই টিপসগুলো মেনে চললে গরমেও আপনার চুল দেখাবে সুস্থ ও উজ্জ্বল।

 

 

 

 

 

 

মুখরোচক পদে স্বাদ বদল

গরুর মাংস তো অনেক খেলেন। জিভের স্বাদ বদলাতে এবার চেখে দেখতে পারেন আনকমন কিছু পদ। রেসিপি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আনিসা আক্তার নূপুর

মুখরোচক পদে স্বাদ বদল

কলাপাতায় ছোট মাছের চচ্চড়ি

উপকরণ

মলা মাছ ও কাচকি মাছ ৫০০ গ্রাম, আলু কুচি ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, আস্ত কাঁচা মরিচ ৮-১০টি, লেবুপাতা কুচি ২টি, তেল ৩ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, কলাপাতা বড় ৪ টুকরা।

মুখরোচক পদে স্বাদ বদল

যেভাবে তৈরি করবেন

*   তেলের মধ্যে পেঁয়াজ কুচি ভালো করে ভেজে হালকা বাদামি করে নিন। মাছের সঙ্গে সব উপকরণ মাখিয়ে নিন।

*    এবার ভেজে রাখা পেঁয়াজ কুচি দিয়ে এবং তেলটুকু দিয়ে আবার ভালো করে মাখিয়ে নিন। তারপর  কলাপাতায়  দিয়ে কলাপাতা মুড়িয়ে কড়াইয়ে ভেজে নিন ৪০ মিনিট।

*   চুলার আঁচ লো মিডিয়াম থাকবে। তারপর নামিয়ে পরিবেশন করুন।

 

মোচা ও নারকেল চিংড়ি ঘণ্ট

উপকরণ

কলার মোচা ১টি, চিংড়ি ৩০০ গ্রাম, নারকেল বাটা ৩ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি আধাকাপ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ২ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, জিরা বাটা ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, তেল ৩ টেবিল চামচ।

মুখরোচক পদে স্বাদ বদল

যেভাবে তৈরি করবেন

*   কলার মোচা কুচি করে কেটে হলুদ গুঁড়া ও পানি দিয়ে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পানি ঝরিয়ে কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা ভেজে বাটা ও গুঁড়া সব মসলা দিয়ে একটু পানি দিয়ে কষিয়ে নিন।

*  এরপর চিংড়ি দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে নারকেল বাটা দিয়ে ২-৩ মিনিট পরে মোচা দিয়ে কষিয়ে ১ কাপ পরিমাণ পানি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। পানি শুকিয়ে এলে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

 

মাছের কোফতায় জালিকুমড়ার সালুন

উপকরণ

চিতল মাছের কিমা ২৫০ গ্রাম, চালকুমড়া বা জালিকুমড়া কাটা ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ চা চামচ, আদা-রসুন বাটা ২ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৩-৪টি, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ৩ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ৩ টেবিল চামচ, চিনি সামান্য, ঘি এক চা চামচ।

মুখরোচক পদে স্বাদ বদল

যেভাবে তৈরি করবেন

*    মাছ শিল-নোড়ায় থেঁতলে কাঁটা ছাড়িয়ে কিমা করে নিয়ে আদা-রসুন বাটা, লবণ, গরম মসলা গুঁড়া, পেঁয়াজ বেরেস্তা, গোলমরিচ গুঁড়া, কর্নফ্লাওয়ার ২ চা চামচসব একত্রে মাখিয়ে গোল গোল কোফতা বানিয়ে কম তেলে চুলার আঁচ মধ্যম রেখে ভেজে নিন।

*   ভাজা হলে অন্য হাঁড়িতে তেল ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা ভেজে হলুদ ও জিরা গুঁড়া দিয়ে একটু পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। লবণ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে সঙ্গে চালকুমড়ার টুকরাগুলো দিয়ে কষিয়ে সিদ্ধ হওয়ার জন্য পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে ২০ মিনিট রান্না করুন।

*   এরপর কোফতাগুলো দিয়ে ঘি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে ৫ মিনিট। তারপর ১ চা চামচ কর্নফ্লাওয়ার গোলানো পানি দিয়ে নেড়েচেড়ে চিনি দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

 

রুই আচারি

উপকরণ

রুই মাছ ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ, আদা-রসুন বাটা ২ চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ, লেবুর রস ২ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ২ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৭-৬টি, লবণ স্বাদমতো, সরিষার তেল আধাকাপ, আমের আচার ১ টেবিল চামচ ও চিনি ১ চা চামচ।

মুখরোচক পদে স্বাদ বদল

যেভাবে তৈরি করবেন

*   মাছ ছোট টুকরা করে কেটে পরিষ্কার করে সামান্য হলুদ, লবণ, লেবুর রস মাখিয়ে কড়াইয়ে তেল গরম করে হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন।

*   ওই তেলের মধ্যে পাঁচফোড়ন দিয়ে বাটা ও গুঁড়া মসলাগুলো দিয়ে একটু পানি ও লবণ দিয়ে কষিয়ে নিন। তারপর ১ কাপ পানি দিয়ে ফুটিয়ে ভাজা মাছগুলো দিয়ে কাঁচা মরিচ দিয়ে ঢেকে রান্না করুন।

*    মাখা মাখা হয়ে এলে আচার ও চিনি দিয়ে মিক্স করে পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

 

নারকেল বাটায় মানকচু চিংড়ির রসা ভুনা

উপকরণ

মানকচু ৫০০ গ্রাম, চিংড়ি মাছ ২০০ গ্রাম, চিংড়ি মাছ বাটা ২ টেবিল চামচ, নারকেল বাটা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি আধাকাপ, আদা বাটা ২ চা চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৪-৫টি, আস্ত রসুন ২-৩টি, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, ধনেপাতা কুচি প্রয়োজনমতো, তেল ৩ টেবিল চামচ।

মুখরোচক পদে স্বাদ বদল

যেভাবে তৈরি করবেন

*    কিউব করে কাটা মানকচু পানিতে সিদ্ধ করে নিন। সিদ্ধ হলে পানি ঝরিয়ে কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা ভেজে আদা-রসুন বাটা, হলুদ-মরিচ, গুঁড়া সব মসলা ও লবণ দিয়ে কষিয়ে নিন।

*    এরপর বেটে রাখা চিংড়ি মাছ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে নারকেল বাটা ও আস্ত চিংড়ি মাছ দিয়ে কষিয়ে তারপর সিদ্ধ করে রাখা কচু ও আস্ত রসুন দিয়ে এক কাপ পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন ১০ মিনিট।

*  এরপর লেবুর রস ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

 

 

 

 

নিল আর্মস্ট্রংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে...

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত পারডু বিশ্ববিদ্যালয়। স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানে পড়েছেন চাঁদে অবতরণকারী প্রথম মানব নিল আর্মস্ট্রং। মহাকাশ গবেষণা ও তথ্য-প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত এই প্রতিষ্ঠান ঘুরে এসে লিখেছেন ড. রাধেশ্যাম সরকার

নিল আর্মস্ট্রংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে...
পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার ভাস্কর্যের সঙ্গে লেখক

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার বিস্তীর্ণ আকাশ জুড়ে সকালের স্নিগ্ধ কোমল আলো ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছিল, সঙ্গে ছিল শীতল মৃদুমন্দ বাতাস। এমন এক প্রশান্ত ও মনোরম সকালে ইন্ডিয়ানার ওয়েস্ট লাফায়েট শহরের পারডু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হাজির হলাম। ক্যাম্পাসে পা রেখেই অনুভব করলাম, জ্ঞান, ইতিহাস, গবেষণা আর স্বপ্ন মিলেমিশে এখানে তৈরি হয়েছে অনন্য এক জগত্। দিনের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের ব্যস্ত চলাফেরায় মুখর হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। সাইকেলে করে ক্লাসে ছুটছেন কিছু শিক্ষার্থী। অন্যরা বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করতে করতে হাতে কফির কাপ নিয়ে হাঁটছেন, আবার সবুজ লনে বসে ল্যাপটপ খুলে গভীর মনোযোগে পড়াশোনায় ডুবে আছেন কেউ কেউ। সবুজ গাছপালা আর তরুণদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি মিলিয়ে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর ক্যাম্পাস, কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা নেই। জ্ঞানচর্চার পীঠস্থানে পদার্পণ করেছি—এমনটাই অনুভব করছিলাম।

শিল্পপতি ও সমাজসেবক জন পারডুর নামানুসারে ১৮৬৯ সালে পারডু বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। কৃষি ও প্রকৌশল শিক্ষার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও সময়ের সঙ্গে পারডু আজ বিশ্বমানের গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সুপরিচিত। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী গবেষণার সূত্রে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। মহাকাশ গবেষণায় পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে অনন্য অবদান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং, যিনি চাঁদে পদচিহ্ন রাখা প্রথম ব্যক্তি। তাঁর এই কীর্তি এখনো পারডু বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছে।

নিল আর্মস্ট্রংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে...
ইলিয়ট হল অব মিউজিক।ছবি : লেখক

ক্যাম্পাস পরিদর্শনে বেরিয়ে প্রথমেই চোখে পড়ল পারডু মেমোরিয়াল ইউনিয়ন। লাল ইটের এই ভবনটি যেন পারডুর অতীত ও বর্তমান ঐতিহ্য একসঙ্গে ধারণ করছে। ভবনের প্রতিটি কোণে রয়েছে শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি। কেউ দল বেঁধে আলোচনায় ব্যস্ত, আবার কোথাও চলছে ছোট্ট সাংস্কৃতিক আয়োজন। সেখান থেকে হাঁটতে হাঁটতে ইঞ্জিনিয়ারিং ফাউন্টেনের কাছে পৌঁছলাম। বিশাল এই ফোয়ারার পানির ছন্দোময় উত্থান-পতনের সঙ্গে তরুণদের হাসি আর গল্প মিলে একাকার হয়ে গেছে। ফোয়ারার চারপাশে অবস্থিত বিভিন্ন ভাস্কর্য ও স্মারক যেন নীরবে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন অর্জনের গল্প।

এরপর নিল আর্মস্ট্রং হল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সামনে গেলাম। দৃষ্টি কেড়ে নিল ভবনটির সামনে অবস্থিত নিল আর্মস্ট্রংয়ের ভাস্কর্য। চাঁদে অবতরণকারী প্রথম মানুষ হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন এই স্বনামধন্য মার্কিন নভোচারী ও বৈমানিক। পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি। ১৯৪৭ সালে তিনি পারডুর এরোস্পেস প্রকৌশল বিভাগে ভর্তি হন এবং ১৯৫৫ সালে এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৭০ সালে পারডুর শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে প্রকৌশলে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে। ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছিল, নিল আর্মস্ট্রংয়ের সাফল্য আজও নতুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে ও বিজ্ঞান গবেষণায় এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে চলছে। ভাস্কর্যটির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছিল অনেক শিক্ষার্থী। আধুনিক স্থাপত্যকলার ভবনটির পুরোটাই কাচঘেরা। এখানে রয়েছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির গবেষণাগার।

নিল আর্মস্ট্রংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে...
বেল টাওয়ার

এর কিছু পরেই চোখে পড়ল আরেকটি ভাস্কর্য, যা দেখতে ব্রোঞ্জের তৈরি ইংরেজি পি অক্ষরের মতো। তবে এর কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়ে গেছে। এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর কাছে জানতে পারলাম, এর নাম আনফিনিশড ব্লক পি। যাঁরা পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেও ডিগ্রি অর্জনের আগেই শিক্ষাজীবন থেকে সরে গেছেন, অথবা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন মাঝপথেই, তাঁদের সম্মানে এই ভাস্কর্যটি তৈরি করা হয়েছে। অকস্মাত্ ফুরিয়ে যাওয়া অসংখ্য বন্ধুত্ব, স্বপ্ন ও অর্জনের স্মৃতি বহন করে চলছে এই ভাস্কর্য।

ক্যাম্পাসের গ্রন্থাগারে পৌঁছতে সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়ে গেল। বিশাল পাঠাগারে প্রবেশ করেই জ্ঞানের জগতে হারিয়ে গেলাম। চারদিকে সারি সারি বই, এর মধ্যেই আছে আধুনিক ডিজিটাল গবেষণা ব্যবস্থাও। সব মিলিয়ে জ্ঞানচর্চার এক অনন্য পরিবেশ। বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ গবেষণায় ব্যস্ত। কারো চোখে ক্লান্তি নেই, বরং রয়েছে নতুন কিছু আবিষ্কারের আগ্রহ।

কিছুক্ষণ পর দেখা হলো বাংলাদেশি কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে। জানতে পারলাম, পড়াশোনার ব্যস্ততার মধ্যেও বাংলা নববর্ষ, একুশে ফেব্রুয়ারি কিংবা স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তাঁরা নিয়মিত সাংস্কৃতিক আয়োজন করে থাকেন। প্রবাসজীবনেও বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে হূদয়ে ধারণ করার এমন আন্তরিক প্রচেষ্টার কথা শুনে হূদয় ছুঁয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, হাজার মাইল দূরে থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁদের আত্মিক বন্ধন আজও অটুট।

বিকেলের দিকে গেলাম বেল টাওয়ারে। দূর থেকে এর ঘড়ির ধ্বনি শুনতে পাচ্ছিলাম। বিকেলের সোনালি আলোয় টাওয়ারটির অন্য রকম সৌন্দর্য নজর কেড়ে নিল। এরপর ঘুরে দেখলাম রস-এইড স্টেডিয়াম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া সংস্কৃতির অন্যতম প্রতীক বিশাল এই স্টেডিয়াম। খেলার সময় শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে বলে জানালেন স্থানীয় একজন শিক্ষার্থী। কাছেই রয়েছে ইলিয়ট হল অব মিউজিক। সেখানে নিয়মিত কনসার্ট, নাটক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি সংস্কৃতি ও খেলাধুলার এমন প্রাণবন্ত উপস্থিতি পুরো ক্যাম্পাসকে আরো বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিমানবন্দর ঘুরতে গিয়ে অনুধাবন করলাম, এটি অন্যান্য বিমানবন্দরের চেয়ে আলাদা। শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এটি। যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বিমানবন্দর আছে। বিমান ও মহাকাশ প্রকৌশল, এভিয়েশন টেকনোলজি এবং ফ্লাইট প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহূত হয় এটি। এখানে উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ, বিমান পরিচালনা, এভিয়েশন ম্যানেজমেন্ট ও গবেষণার সুযোগ পেয়ে থাকেন শিক্ষার্থীরা। আধুনিক রানওয়ে, প্রশিক্ষণ বিমান এবং প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো তাঁদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে ব্যাবহারিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে। বিমান প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণায় পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক খ্যাতির পেছনেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

ক্যাম্পাস ভ্রমণ করতে করতে পড়ন্ত বিকেল ছাপিয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেল। সবুজ পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে মনে হলো, পারডু বিশ্ববিদ্যালয় শুধু উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র নয়, বরং স্বপ্ন গড়ার পীঠস্থান। সেখানে যেমন রয়েছে ইতিহাসের ঐতিহ্য, তেমনি আছে ভবিষ্যত্ নির্মাণের সাহসী প্রত্যয়। সন্ধ্যার আলো ধীরে ধীরে ফুরিয়ে এলে ক্যাম্পাস ত্যাগ করলাম। ফেরার সময় বারবার মনে হচ্ছিল, পারডুর স্মৃতি কখনোই ভোলার নয়।

 

লেখক : কৃষিবিদ, কলামিস্ট ওচেয়ারম্যান, ডিআরপি ফাউন্ডেশন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

হ্যাকস

দাগ—দূর হয়ে যাক

কাপড় কিংবা বাসন—ব্যবহার করলে তাতে দাগ পড়বেই। এই দাগ তোলা নিয়ে কত ভোগান্তিতে পড়ি আমরা! কিছু টিপস মেনে সহজেই বাসন ও কাপড় থেকে দাগ দূর করতে পারেন। লিখেছেন মেহরীমা ইতি

দাগ—দূর হয়ে যাক

*    প্লেটের হলুদ দাগ তুলতে প্রথমে সাবান দিয়ে মাজুন। এরপর একটি গামলায় হালকা গরম পানিতে আধাকাপ ভিনেগার ও দুই টেবিল চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। প্লেট এই পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। দাগ দূর হবে।

*    ফ্লাস্কের ভেতরে চা ও কফির দাগ পড়বেই। এই দাগ তুলতে কয়েকটি ডিমের খোসা গুঁড়া করে ফ্লাস্কের ভেতর পুরে দিন। এরপর গরম পানি ঢেলে নিন। এবার ফ্লাস্কের মুখ আটকে দিয়ে ভালোভাবে ঝাঁকান। দাগ চলে যাবে।

*  বেশিদিন হয়ে গেলে প্রেসার কুকারের ভেতরে কালচে দাগ পড়ে। এই দাগ দূর করতে এক কাপ পানির সঙ্গে কয়েক টুকরা লেবু বা এক টুকরা তেঁতুল দিয়ে জ্বাল দিন। ১৫ মিনিট পর মেজে ধুয়ে নিন।

দাগ—দূর হয়ে যাক

*   চা বা কফির কাপে দাগ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন অনেকে। এটা তুলতে তুলায় ভিনেগার বা খাবার সোডা লাগিয়ে ঘষুন। দাগ চলে যাবে।

*    কাচের জিনিসে দাগ তুলতে এক চামচ ভিনেগার, এক চামচ চুন এক গ্লাস গরম পানিতে মেশান। ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর এই মিশ্রণ দিয়ে কাচের বাসন পরিষ্কার করুন। সহজেই দাগ উঠে যাবে।

*   স্টিলের তৈরি যেকোনো জিনিসে ফোঁটা ফোঁটা দাগ পড়ে। এই দাগ দূর করতে ভিনেগার লাগিয়ে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। পরিষ্কার হয়ে যাবে।

*  বঁটি বা চাকুতে মরিচা পড়া নিয়মিত ব্যাপার। এটা দূর করতে লেবু অথবা আলুর টুকরা ঘষে নিন। মরিচার দাগ দূর হবে।

*  বাথরুম ও রান্নাঘরের পানির ট্যাপ বিবর্ণ হয়ে যায়। মাঝেমধ্যে লেবুর খোসা দিয়ে ঘষে পানিতে ধুয়ে নিন। এরপর শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। নতুনের মতো দেখাবে।

*    কাঁঠালের আঠা, কাঁচকলার কষ বা এজাতীয় কোনো কিছু বাসনে লেগে গেলে সহজে উঠতে চায় না। এই দাগ তুলতে কাপড়ে তেল মেখে ঘষে নিন। অথবা টক দই দিয়ে ঘষে ধুয়ে ফেলুন।

*    বেসিন বা বাথটাবের দাগ তুলতে ভিনেগার গরম করে কাপড় ভিজিয়ে দাগে ঘষুন। উঠে যাবে।

*   হলদে হয়ে যাওয়া অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে ভিনেগার মেশানো পানি নিয়ে কিছুক্ষণ ফোটান। রং আগের মতো ঝকঝকে হয়ে যাবে।