গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করা এবং তাদের তথ্য চুরির অভিযোগে অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার কেন্দ্রীয় আদালতে। সংবাদমাধ্যম গিজমোদোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনের জের ধরে সফটওয়্যার কম্পানির দুই নিরাপত্তা গবেষক টমি মিস্ক ও তালার হাজ বকরি আইওএস ডিভাইসের ফাঁকফোকরগুলো শনাক্ত করেন। তাঁরা বলেন, ‘আপনি যা-ই ট্যাপ করেন না কেন সেই তথ্য অ্যাপল পেয়ে যায় অ্যাপ স্টোরের মাধ্যমে। প্রাইভেসি সেটিংস ও আইফোন অ্যানালিটিকসে ডিস-এবল দ্য শেয়ারিং অব ডিভাইস অ্যানালিটিকস অলটুগেদার নামের একটি ফিচারই রেখেছে অ্যাপল।’ তদন্তে দেখা গেছে, এই ফিচারের আসলে কোনো মূল্য নেই। ফিচারটি ডিস-এবল করলেও তথ্য পাঠানো বন্ধ করে না আইওএস ডিভাইস। অ্যাপলের বিল্টইন বেশির ভাগ অ্যাপ যেমন—অ্যাপল মিউজিক, অ্যাপল টিভি, বুকস ও আইটিউন স্টোর তথ্য নেয়। ব্যবহারকারী কোন কোন শেয়ারের তালিকা দেখেছে, কোন শেয়ারের দাম খুঁজেছে, সে বিষয়ে সব তথ্যই অ্যাপলকে পাঠায় স্টকস অ্যাপ। টমি মিস্কের মতে, যে পরিমাণ বিস্তারিত তথ্য অ্যাপল নিচ্ছে তা আসলেই বিস্ময়কর। নিরাপত্তা গবেষকদের মতে, ব্যবহারকারীরা ধর্ম, স্বাস্থ্য, এলজিবিটি ইস্যু ও আসক্তিবিষয়ক কোনো অ্যাপ খুঁজলে ব্যক্তিগত অনেক তথ্যই জানতে পারে অ্যাপল। সূত্র : গিজমোদো