kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

ভারসাম্যের কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতি

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.)

২৩ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



ভারসাম্যের কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতি

খবরটি অত্যন্ত পীড়াদায়ক। ঢাকায় এসেছে পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিকেট দল। তারা ১৫ নভেম্বর থেকে মিরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন করছে। অনুশীলন নেটের চারদিকে পাকিস্তানি জাতীয় পতাকা উড়িয়ে অনুশীলন করছে তারা। এর আগেও পাকিস্তানি দল বাংলাদেশে এসেছে। কখনো এভাবে পাকিস্তানি জাতীয় পতাকা উড্ডয়ন করেনি। কথা উঠছে, এবার কেন। শুধু পাকিস্তান নয়, এর আগে অন্য দেশের জাতীয় দলকেও কখনো এভাবে বাংলাদেশের মাটিতে নিজ দেশের জাতীয় পতাকা উড্ডয়ন করতে দেখা যায়নি। প্রথম কথা, অন্য কোনো দেশ তাদের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে চাইলে বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি নিতে হবে। শুধু তা-ই নয়, সে দেশের পতাকার সঙ্গে সমান মাপের বাংলাদেশের পতাকাকেও পাশাপাশি ওড়াতে হবে। বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উঠাতে হবে এবং শেষে নামাতে হবে। এসব নিয়মের কোনোটাই পাকিস্তানি ক্রিকেট দল মান্য করছে না। মূলস্রোতের মিডিয়ায় খবরটি বড় আকারে এসেছে। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এহেন নিষ্ক্রিয়তায় বাংলাদেশের মানুষ চরম ক্ষুব্ধ। তথ্য প্রতিমন্ত্রী যথার্থ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। বলেছেন, এহেন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য পাকিস্তানি দলকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মাটি থেকে পাকিস্তানি পতাকার চিরবিদায় ঘটেছে, কবর হয়ে গেছে। আমার মনে হয়, এবার তারা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এ কাজটি করছে। কেউ বলতে পারেন খেলার সঙ্গে রাজনীতি জড়ানো ঠিক নয়। কিন্তু সমস্ত নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে তারা বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানি পতাকা উত্তোলন করবে তা তো হতে পারে না।

বিংশ শতাব্দীর নৃশংসতম গণহত্যা চালিয়েছে পাকিস্তান ১৯৭১ সালে। বাংলাদেশের ৩০ লাখ নিরীহ মানুষকে তারা হত্যা করেছে। সীমাহীন মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। ৫০ বছর পেরিয়ে গেল। একটিবারের জন্যও তারা অনুতপ্ত হয়নি, দুঃখ প্রকাশ করেনি। প্রতিশ্রুত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তারা করেনি। একাত্তরে একত্রিত রাষ্ট্রের জাতীয় সম্পদের ন্যায্য হিসসা দেওয়ার কথাটি পর্যন্ত তারা উচ্চারণ করছে না। একাত্তরে তারা যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তার ক্ষতিপূরণ পাকিস্তানকে দিতে হবে, এ ব্যাপারেও কোনো উচ্চবাচ্য নেই। উল্টো সুযোগ পেলেই একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে, জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের মদদ দিচ্ছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জঙ্গি সংগঠনগুলোকে সরাসরি সহায়তা প্রদানের জন্য ঢাকার পাকিস্তান দূতাবাসের দুজন কর্মকর্তা ২০১৫ সালে প্রত্যাহৃত হন। এহেন পাকিস্তানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখা উচিত কি না সে প্রশ্ন আজ খুবই প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশের এমন কোনো দায় নেই, যার জন্য বিশ্বসন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর পাকিস্তানের সঙ্গে আগ বাড়িয়ে সম্পর্ক রাখতে হবে। চলার পথে ইতিহাসকে থামিয়ে দেওয়া টিক নয়, এটা সবাই জানেন। কিন্তু ইতিহাসকে সামনে নিতে হলে গণহত্যার দায়ে অপরাধী রাষ্ট্রকে উদারচিত্তে এগিয়ে আসতে হবে, এটাই ইতিহাস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালায় জার্মানি। সেই কলুষ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য জার্মান চ্যান্সেলর উইলি ব্রান্ড ১৯৭০ সালে ওয়ারশতে গিয়ে হাঁটু গেড়ে পোল্যান্ডের ইহুদিদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। শুধু তা-ই নয়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হয়েছে জার্মানিকে। একাত্তরের অবস্থান থেকে পাকিস্তান একচুলও সরে আসেনি। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের ধারক, বাহক ও কাণ্ডারি আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে ক্ষমতায় আছে একনাগাড়ে প্রায় ১২ বছর। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের সব সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান আজ প্রায় দ্বিগুণ ঊর্ধ্বে আছে। বিশ্ব অঙ্গনে পাকিস্তান একটি সন্ত্রাসী ও ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত আর বাংলাদেশ উন্নয়ন ও জঙ্গি দমনের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। তাই একাত্তরের জায়গায় অনড় থাকার পরও কেন পাকিস্তানকে এতখানি ছাড় দিতে হবে, এই প্রশ্ন ঊঠলেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয়টি সামনে আসে। কারণ আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সবচেয়ে বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।

জামায়াত, হেফাজত, বিএনপিসহ বাংলাদেশের বড় একটি অংশ ধর্মীয় উগ্রবাদী রাজনীতিকে অবলম্বন করে রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল দীর্ঘদিন, আবারও তারা একই রাজনীতিকে অবলম্বন করে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার জন্য দেশে-বিদেশে বসে বহুমুখী তৎপরতায় লিপ্ত। এই ষড়যন্ত্র বাইরে থেকে শক্তি ও সমর্থন জোগানোর জন্য সব সময় যুক্ত থেকেছে এবং আগামী দিনেও থাকবে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। জামায়াত-বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আঞ্চলিক, ভূ-রাজনীতি ও সামরিক শক্তি বিন্যাসের সমীকরণে পাকিস্তান বিশাল সুবিধা পায়, যেটি ২০০১-২০০৬ মেয়াদে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। সুতরাং পাকিস্তান কখনোই আওয়ামী লীগ সরকারের বন্ধু হতে পারে না। গত ১২ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে যে পর্যায়ে উন্নত করেছে তার সব কিছু বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্পষ্ট। তাই আগামী দিনে নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি ও নির্বাচনের মাধ্যমে জনম্যান্ডেট নিয়ে বিএনপির পক্ষে আবার ক্ষমতায় আসার আর সুযোগ নেই। সুতরাং ষড়যন্ত্র ও জিরো সাম কৌশলই তাদের একমাত্র অবলম্বন। নিঃসন্দেহে বলা যায়, এই কাজে বিএনপির সঙ্গে পাকিস্তান থাকবে। তাই সব জেনেশুনে আওয়ামী লীগ সরকার বিষপান কেন করছে বুঝতে পারছি না।

১৯৭৪ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোর বাংলাদেশ সফর কিভাবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পথকে সুগম করেছিল তা এখন সবাই জানেন। ‘উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে/তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে।’ শেখ হাসিনা আজ উত্তম স্থানে পৌঁছেছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু বিষধর সাপের সঙ্গে খেলা করা বড়ই বিপজ্জনক। শেখ হাসিনা টিমের অন্যদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে মানুষ শঙ্কিত। ভারসাম্যের কূটনীতিতে বাংলাদেশের জন্য পাকিস্তান খুবই ক্ষুদ্র খেলোয়াড়। শোনা যায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বাংলাদেশ সফরের জন্য মরিয়া চেষ্টা করছেন। পাকিস্তানের উদ্দেশ্য বুঝতে অসুবিধা হয় না। কিন্তু বাংলাদেশকে ১৯৭৪-৭৫-এর কথা মনে রাখতে হবে। চীন, জাপান, ইউরোপ, আমেরিকা ও ভারত বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় অদম্য সঙ্গী হিসেবে আছে। ২০২৩ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশে নতুন জাতীয় নির্বাচন হবে। ষড়যন্ত্রকারীরা নির্বাচনকে টার্গেট করে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ধর্মীয় উগ্রবাদী ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী বড় পক্ষের দেশি-বিদেশি নেক্সাস আগের মতোই আছে। এই পক্ষের সমান্তরাল আছে আরেকটি পক্ষ; ২০০৭-০৮ মেয়াদে বাংলাদেশকে পরাশক্তির তাঁবেদার রাষ্ট্র বানানোর জন্য যারা তথাকথিত নিরপেক্ষতার ছদ্মবেশে সামনে এসেছিল, তারা আবার নতুন করে অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠছে। তাদের কথায় মনে হয়, নির্বাচনকে সুষ্ঠু হিসেবে অভিহিত করার জন্য আওয়ামী লীগকে হারতে হবে। অথচ তারা জানে ২০০১ সালের অক্টোবরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ শোচনীয়ভাবে হারলেও ভোট পেয়েছিল শতকরা ৪০ ভাগের ওপরে, এটা রেকর্ডেড তথ্য।

আগামী নির্বাচনে দুটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে সরকারকে চাপে রাখতে চাইবে সংশ্লিষ্ট স্বার্থান্বেষী দেশি-বিদেশি পক্ষ। তার মধ্যে রোহিঙ্গা ইস্যু এক নম্বর। এই ইস্যুতে চীন এবং তাতে চীনের ওপর প্রভাব রাখতে চাইবে পাকিস্তান। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা ইস্যুটি যেভাবে বাংলাদেশের জন্য কঠিন সংকট সৃষ্টি করেছে তার নেপথ্যের কারিগর পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। পাকিস্তানের জড়িত থাকার বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য-উপাত্ত সহকারে আগে বহুবার লিখেছি। রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকে তৈরি আরসা সন্ত্রাসী সংগঠনের জন্ম ও বেড়ে ওঠার কাহিনিই বলে দেয় পাকিস্তান কিভাবে জড়িত। সে সময়ে পাকিস্তানের লক্ষ্য ছিল ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার যেন ক্ষমতাচ্যুত হয়। কিন্তু তাদের সে কৌশল ব্যর্থ হয়েছে। এবার চীনের ওপর ভর করে পাকিস্তান নতুন কৌশলে এগোতে চাইছে। সমস্ত শিষ্টাচার ভেঙে বিনা অনুমতিতে মিরপুর ক্রিকেট মাঠে পাকিস্তানি ক্রিকেট দলের নজিরবিহীন পতাকা উত্তোলনের ঘটনা নিরীহ চিন্তা থেকে হয়েছে বলে ভাবা যৌক্তিক নয়। লেখাটি চলাকালে শুনলাম তিন দিন পর তারা নাকি বাংলাদেশের কাছে পতাকা উত্তোলনের অনুমতি চেয়েছে। এর শেষ দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। জাতীয় স্বার্থে এবং ভারসাম্যের কূটনীতির সমীকরণে আমেরিকাসহ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক আবশ্যক। বাণিজ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য চীনের সঙ্গে সুসম্পর্কের প্রয়োজনীয়তা আছে, তবে তার সঙ্গে পাকিস্তানকে টেনে আনা হবে আত্মঘাতী পন্থা। আমাদের মনে রাখতে হবে, চীন নিজস্ব স্ট্র্যাটেজিক স্বার্থের কারণেই বাংলাদেশের চেয়ে মিয়ানমার ও পাকিস্তানকে অগ্রাধিকার দেবে, এটা বাস্তবতা। এটা নিয়ে আমাদের হাঁকাহাঁকি করার প্রয়োজন নেই। চীন ভালো করে জানে, মিয়ানমারকে ঘিরে তাদের স্ট্র্যাটেজিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে যদি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না থাকে।

কূটনীতি ও ভূ-রাজনীতিতে প্রত্যেকেই নিজ নিজ জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে, এটা বাস্তবতা। কেউ নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে অন্য কারো পাশে দাঁড়ায় না। তবে জাতীয় মূল্যবোধ, রাষ্ট্রীয় আদর্শ ও চেতনার মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কই শুধু শেষ বিচারে  টেকসই হয়। কারণ তাতে একজনের পতন অন্যজনের পতনকে ত্বরান্বিত করে। পারস্পরিক ভালো-মন্দ তখন একই সূত্রে গাঁথা হয়ে যায়। ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষাকল্পে এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধের লিগ্যাসি সূত্রে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কটি একই সূত্রে গাঁথা। দুই দেশের উন্নতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। ভারতের সব রাজনৈতিক দল এই সত্যটি উপলব্ধি করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার এর মূল্য বোঝে, এর প্রমাণ তিনি দিয়েছেন। রোহিঙ্গা ইস্যু ছাড়াও দ্বিতীয় যে ইস্যুটি নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারকে দেশি-বিদেশিচক্র বিপদে ফেলতে চাইবে সেটা হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা। গত দুর্গাপূজার সময় একটা রিহার্সেল তারা দিয়ে ফেলেছে। তাই উভয় দেশের অভ্যন্তরীণ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ভারত-বাংলাদেশকে একসঙ্গে কাজ করা এখন খুবই জরুরি। বাংলাদেশের মহান নেতা আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, অসাম্প্রদায়িক আদর্শকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে স্বাধীনতা বিপন্ন হবে। এই অমোঘ বাণীর যথার্থতা আমরা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করছি। সুতরাং ভূ-রাজনীতি ও কূটনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

 

লেখক : রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

[email protected]

 



সাতদিনের সেরা