kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

লোপেজের ২০ বছর!

অভিনেত্রী হিসেবে ছিলেন মাঝারি মানের। সেই জেনিফার লোপেজ যখন গান শুরু করলেন অনেকেই আড়ালে হেসেছিলেন। তবে নিন্দুকদের মুখে ছাই দিয়ে সংগীতজীবনের দুই দশক পূর্ণ করেছেন জেলো। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



লোপেজের ২০ বছর!

১৯৯৯ সাল, সিনেমার ক্যারিয়ারই থিতু হয়নি। এর মধ্যেই শুরু করলেন গান। একই বছর শুরু করেন ব্রিটনি স্পিয়ার্সও। তবে শক্তিশালী গায়কি দিয়ে ঠিকই নজর কাড়েন। গায়িকা জেনিফার লোপেজের মূল শক্তি অফুরন্ত প্রাণশক্তি, যা তাঁর গায়কির ছোটখাটো খামতিগুলো ঢেকে দেয়। বিশ বছর পরও সেই শক্তিতেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মঞ্চ। এখনো প্রতিবছর ঘোষণার পরই শেষ হয়ে যায় তাঁর শোর সব টিকিট। জেলোর প্রথম অ্যালবাম ‘অন দ্য ৬’ প্রকাশ পায় ১৯৯৯ সালের জুনে। মুক্তির আগে নিন্দুকরা অনেক কথা বললেও লাতিন, পপ, আর অ্যান্ড বি ঘারানার অ্যালবামটি ভালো সাফল্য পায়। সংগীত সমালোচকরা লোপেজের গায়কির প্রশংসা করেন, ‘ডায়নামিক’ বলে আখ্যা দেন অনেকেই। ‘রোলিং স্টেন’, ‘দ্য লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস’, ‘এনএমই’ বলে ‘নতুন আলোর ঝলকানি’। ব্যাবসায়িক সাফল্য বলতে গেলে অ্যালবামটি ১০টি দেশে সেরা দশে ছিল। বিশ্বজুড়ে বিক্রি হয় ৮০ লাখেরও বেশি কপি। এই অ্যালবামের পর দুই দশকে আরো সাতটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এর বেশির ভাগই ব্যবসাসফল। দ্বিতীয় অ্যালবামও ৮০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়, অ্যালবামের সিঙ্গেল ‘লাভ ডোন্ট কস্ট আ থিং’ জায়গা পায় বিলবোর্ডের তিনে। তৃতীয় অ্যালবাম ‘দিস ইস মি...দেন’ও সফল ছিল। অ্যালবাম প্রকাশের সময় লোপেজ চুটিয়ে প্রেম করছিলেন বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে। অ্যালবামটি তাঁকে উৎসর্গও করেন গায়িকা। চতুর্থ ও পঞ্চম অ্যালবাম ‘রিবার্থ’ ও ‘কোমো আমা উনা মুজের’ আগেরগুলোর মতো হিট হয়নি। তবে পরের দুই অ্যালবাম ‘ব্রেভ’ ও ‘লাভ?’ দিয়ে ঠিকই কক্ষপথে ফেরেন। লোপেজ গেল পাঁচ বছর ধরে ব্যস্ত স্টেজ শো নিয়ে। গত বছর টানা প্রায় দেড় মাস আমেরিকার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত শো করে রেকর্ড গড়েছিলেন। এই ৪৯ বছর বয়সেও লোপেজের এই প্রাণশক্তি অবাক করেছে অনেককেই। গায়িকা অবশ্য নিজের ফিটনেস নিয়ে ভীষণ গর্বিত। একইভাবে আপ্লুত ক্যারিয়ারের দুই দশক পূর্তিতেও, ‘এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য যে আমার গানের ক্যারিয়ারের ২০ বছর পূর্ণ হয়েছে! আপনাদের ভালোবাসা ছাড়া এত দিন কাটানো সম্ভব হতো না। সবাইকে ভালোবাসি, এখনো অনেক কিছু দেওয়ার বাকি।’ আরো বলেন প্রতিদিন নিজেকে নতুন করে আবিষ্কারের ইচ্ছাই তাঁকে এখনো টিকিয়ে রেখেছে, ‘সিনেমায়ও বিভিন্ন চরিত্র করেছি, গানের ক্ষেত্রেও চেষ্টা করেছি বৈচিত্র্য আনার। এটাই আমাকে নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য করেছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা