চান্দিনা উপজেলায় দেশীয় অস্ত্রসহ পাঁচ ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শনিবার কুটুম্বপুর-কালিয়ারচর সড়কে অটোরিকশাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় একটি পিকআপ। পিকআপটি কুটুম্বপুর হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উঠতে গেলে অটোরিকশাচালক ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকার লোকজনকে বিষয়টি জানান। তারা পিকআপটির গতি রোধ করে এবং কেন অটোরিকশাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে এসেছে জানতে চালকের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু করে। এক পর্যায়ে জনতা পিকআপে থাকা মালপত্রে হাত দিতে গেলে পিকআপের পেছনে থাকা ছয়জন তাদের বাধা দেয়। ওই পিকআপে তালা ভাঙার বিশেষ যন্ত্র ‘কাটার’ পেয়ে সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা পাঁচজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন ফারুক মিয়া, বাহাদুর, মনির হোসেন, রবিউল ইসলাম ও মোহন বেপারী।
বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, আটক ৩
চান্দিনায় অস্ত্রসহ ৫ ডাকাত আটক

ট্রেনের ধাক্কায় শিশু নিহত

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ট্রেনের ধাক্কায় ছাবিহা খানম (৫) নামের এক শিশু মারা গেছে। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার ব্যাসপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ছাবিহা খানম মহেশপুর ইউনিয়নের ব্যাসপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের শিপন ফকিরের মেয়ে। সে খেলতে খেলতে রেললাইনের পাশে গেলে গোপালগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
এ বিষয়ে কাশিয়ানী থানার ওসি মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে রেল পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘুঘুর বাচ্চা ধরতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরের

রাজশাহীতে বিদ্যুতের খুঁটিতে বসে থাকা ঘুঘুর বাচ্চা ধরতে গিয়ে সাজ্জাদ হোসেন নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তেরোখাদিয়া বিভাগীয় স্টেডিয়ামের সামনে ফ্লাইওভারের পূর্ব পাশের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের খুঁটির তারে এ ঘটনা ঘটে। তার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জে। তারা ওই এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যুতের খুঁটিতে ঘুঘু পাখির বাসা থেকে পাখির বাচ্চা নামিয়ে আনতে যায় সাজ্জাদ। এ সময় বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে তারের সঙ্গে ঝুলে ছিল সাজ্জাদ।
সংক্ষিপ্ত
বেনাপোলে ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পৌরসভার বড়আচড়া গ্রামে ব্যাবসায়িক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার রাতে এ ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান সোহাগ হোসেন নামের ওই ব্যবসায়ী। সোহাগ হোসেন বড়আচড়া গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে। জানা গেছে, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সোহাগ হোসেন অফিস থেকে বাসায় ফিরে রাতের খাবারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাঁর বাসার সামনে এসে অবস্থান নিয়ে পর পর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। সোহাগ হোসেন জানান, কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা গুলি চালায়। কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছি।
