• ই-পেপার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত হবে ১ জুলাই

আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সহসভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সহসভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের জয়

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চলমান ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের (আইএলসি) সহসভাপতি পদে সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হয়েছেন জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান। তিনি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সদস্য রাষ্ট্র, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবিষয়ক ইস্যুতে নীতিগত ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবেন। এবারের আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উরুগুয়ের শ্রম ও সামাজিক সুরক্ষা মন্ত্রী জুয়ান কাস্টিলো এবং সহসভাপতি পদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধির পাশাপাশি আর্জেন্টিনার জোরার্ডো মার্টিনেজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টেন কফম্যান দায়িত্ব পালন করবেন।

গত সোমবার জেনেভায় শুরু হয়েছে ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন। আইএলওর ১৮৭টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সমর্থনে তিনি এ পদে নির্বাচিত হন।

 

 

জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি

জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য অবিলম্বে প্রত্যাহারে দাবি জানিয়েছে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আশিকুল আলম গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান। পেট্রল, অকটেন, কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতিতে নেতারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরুর পরও বর্তমান সরকার ধারাবাহিকভাবে বলে এসেছে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। অথচ সাম্রাজ্যবাদী সংস্থাগুলোর শর্ত পূরণ করতে জনমত উপেক্ষা করে সরকার লিটারে পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিন পাঁচ টাকা করে বৃদ্ধি করেছে। লুটেরাদের লুটের স্বার্থের পাহারাদার বর্তমান সরকার অতীতের মতো জাতীয় স্বার্থ ও জনজীবনের প্রয়োজনকে পদদলিত করে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। নেতারা সরকারের গণবিরোধী ভূমিকার বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালাল সরকারের বিরুদ্ধে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

 

মন্ত্রিপরিষদে জ্বালানি নিরাপত্তাবিষয়ক উপকমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
মন্ত্রিপরিষদে জ্বালানি নিরাপত্তাবিষয়ক উপকমিটি গঠন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীকে সভাপতি করে ৯ সদস্যের জ্বালানি নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিপরিষদ উপকমিটি গঠন করেছে সরকার। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং এলপিজি এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। জানা গেছে, এই কমিটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, এলপিজি আমদানি, ভোলা থেকে গ্যাস পরিবহন, ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) এবং ল্যান্ড-বেইসড এলএনজি ও এলপিজি টার্মিনাল স্থাপনসংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্রুত পরীক্ষা করে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গত সোমবার (১ জুন) এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং

চেয়ারম্যানের সতর্কবার্তায় থেমে গেল অবৈধ বোর্ড সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
চেয়ারম্যানের সতর্কবার্তায় থেমে গেল অবৈধ বোর্ড সভা

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডে (আইএলএফএসএল) হাইকোর্টের নির্দেশনা উপেক্ষা করে জোরপূর্বক বোর্ড সভা আয়োজনের চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গেছে। গত সোমবার প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে কয়েকজন পরিচালক বোর্ড মিটিং ডাকার উদ্যোগ নেন। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা দেখা দেয়।

তবে হাইকোর্ট নিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে এ ধরনের সভাকে বেআইনি ও আদালত অবমাননার শামিল বলে ঘোষণা দেন। তাঁর কঠোর অবস্থানের মুখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা শেষ পর্যন্ত পিছু হটেন। এর আগে ২৪ মে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে চেয়ারম্যান জানান, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ বর্তমানে বাংলাদেশের হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আদালতের মৌখিক নির্দেশনায় আগের পর্ষদ বিলুপ্ত এবং নতুন পর্ষদ গঠনের প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো বোর্ড সভা আহ্বান করা যাবে না। এ ধরনের উদ্যোগ আদালত অবমাননার শামিল হবে।

কম্পানি আইন, ১৯৯৪ ও প্রতিষ্ঠানের সংঘবিধি অনুযায়ী, কেবল চেয়ারম্যানই বোর্ড সভা আহ্বানের ক্ষমতা রাখেন। অন্য কোনো পরিচালকের ডাকা সভার কোনো আইনি ভিত্তি নেই এবং সেখান থেকে গৃহীত সিদ্ধান্তও বৈধ হবে না। চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবৈধ সভা থেকে বিরত থাকতে এবং এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আমানতকারী, ঋণদাতা ও বিনিয়োগকারীদের আদালতের নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।