<p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black">রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে সহকারী অধ্যাপক পদে অনৈতিকভাবে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। সহকারী অধ্যাপক পদে আবেদন করা দুই প্রার্থীর মধ্যে একজনের আবেদন বাতিল হওয়ায় একমাত্র বৈধ প্রার্থীকে নিয়েই ভাইভা বোর্ড সম্পন্ন করা হয়। পরে তাঁকেই নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে নিয়োগ বিধি অনুযায়ী, বিজ্ঞাপিত পদের বিপরীতে অন্তত তিন গুণ প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য বাছাই করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি পর্যাপ্ত যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে পুনরায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। </span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black">জানা গেছে, গত বছরের ২৮ মে এক বিজ্ঞপ্তিতে ফোকলোর বিভাগে দুজন সহকারী অধ্যাপক এবং তিনজন প্রভাষক নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়। সহকারী অধ্যাপক পদে দুটি আবেদন জমা পড়ে। পরে একজনের আবেদন অসংগতির কারণে বাতিল করা হয়। একজন প্রার্থীই বৈধ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় তাঁকেই নিয়োগ দেওয়া হয়।</span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black">নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভাগের এক শিক্ষক বলেন, প্ল্যানিং কমিটির প্রাথমিক সভায় সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে হাতে লেখা কার্যবিবরণীর পরিবর্তে টাইপ করা কাগজে সিদ্ধান্ত প্রস্তুত করে সদস্যদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এই নিয়োগপ্রক্রিয়ার পেছনে বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে। নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ার পর চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন গাড়ি ও বাড়ি কেনেন। এক প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় প্রথম হলেও তাঁকে বাদ দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চেয়ারম্যানের নিজ এলাকার প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। বাদ পড়া প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুই বছর আগের একটি অভিযোগ সামনে আনা হলেও সেটি তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল।</span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black">এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশে শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষার কোনো বিধান নেই। তবে  তৎকালীন প্রশাসন নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে সুবিধা দিতে বিধিবহির্ভূতভাবে লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু করে। এ ছাড়া নিয়োগ বোর্ডে বহিস্থ বিশেষজ্ঞ হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রশিদুজ্জামানকে রাখা হয়। ফোকলোর একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্র হওয়া সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সরাসরি বিশেষজ্ঞ না রেখে ভিন্ন বিভাগের শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (বাবু) বলেন, </span></span></span><span><span><span style="color:black">‘</span></span></span><span><span><span style="color:black">শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে। অভিযোগের মূল উদ্দেশ্য হলো আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রশাসনিক পদে আসা থেকে বিরত রাখা।</span></span></span><span><span><span style="color:black">’</span></span></span><span><span><span style="color:black"> তৎকালীন উপাচার্য সালেহ হাসান নকীবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black">সিলেকশন বোর্ডে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে উপস্থিত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মাঈন উদ্দিন বলেন, নিয়োগপ্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বচ্ছ ছিল। মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রতি পদের বিপরীতে তিনজনকে ডাকার বিষয়টিও কোনো কঠোর লিখিত নিয়ম নয়।</span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:.2pt">উপাচার্য ফরিদুল ইসলাম বলেন, </span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:.2pt">‘</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:.2pt">সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:.2pt">’</span></span></span></span></span></span></span></span></span></p>