kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

ভুয়া ভিসা ও টিকিট দিয়ে সর্বস্বান্ত করত ওরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভুয়া ভিসা ও টিকিট দিয়ে সর্বস্বান্ত করত ওরা

মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানির প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া ভিসা ও টিকিট সরবরাহ করে বিদেশ গমনে ইচ্ছুক বেকার তরুণ-তরুণীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাঁদের সর্বস্বান্ত করছে একটি চক্র। এমন একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্রের হোতাসহ চক্রের দুই সদস্যকে রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩-এর একটি দল।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মানব পাচার চক্রের হোতা জাবেদ হোসেন রকি (৩৩) ও তাঁর অন্যতম সহযোগী মো. আবির ওরফে শুভ (২৭)। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে র‌্যাব-৩-এর স্টাফ অফিসার (অপস ও ইন্ট শাখা) পুলিশ সুপার বীণা রানী দাস এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি সিপিইউ, পাঁচটি পাসপোর্ট, ২০টি খালি স্ট্যাম্প, ১০টি ট্রেনিং সার্টিফিকেট, ভুয়া ওমান কনস্যুলেটর ও দূতাবাসের সিল দুটি, একটি মোবাইল ফোন, এক বক্স ভিজিটিং কার্ড, ভুয়া ভিসার শতাধিক ফটোকপি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার বীণা রানী দাস বলেন, কিছু ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালিয়ে র‌্যাব-৩ জানতে পারে, মতিঝিল এলাকায় একটি মানবপাচার ও প্রতারকচক্র মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানির প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া ভিসা ও টিকিট সরবরাহ করে প্রতারণা করছে। পরে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার রাতে রাজধানীর পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মানব পাচার চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মানবপাচার ও প্রতারকচক্রের সদস্য জাবেদ হোসেনকে তাঁর মা সেলিনা বেগম দেশের বাইরে থেকে প্রতারণায় সহযোগিতা করে আসছেন। এ ছাড়া চক্রের অন্যতম সহযোগী মো. আবির ২০১৮ সালে এয়ারপোর্ট ক্লিনার হিসেবে ওমান যান। ২০১৯ সালে দেশে ফিরে খালাতো ভাই জাবেদের সঙ্গে মানবপাচারকে বেছে নেন।

জানা যায়, ২০০৪ সাল থেকে ওমানের একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে কর্মী হিসেবে কাজ করছেন জাবেদ। তাঁর মা ২০১৮ সাল থেকে ওমানে অবস্থান করে চক্রটিকে সহযোগিতা করে আসছেন। তাঁদের জনশক্তি রপ্তানির কোনো লাইসেন্স নেই। কিন্তু তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে জনশক্তি রপ্তানির নামে অবৈধভাবে মধ্যপ্রাচ্যে লোক পাঠিয়ে আসছেন। পরে মধ্যপ্রাচ্যে উচ্চ বেতনে লোক পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক বেকার তরুণ-তরুণীদের কাছ থেকে তিন থেকে চার লাখ টাকা করে হাতিয়ে নিয়ে ভুয়া ভিসা ও ভুয়া টিকিট ভুক্তভোগীদের হাতে ধরিয়ে দেয় চক্রটি।

 



সাতদিনের সেরা