• ই-পেপার

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে কমিশন গঠন

একটি নতুন থানা ও ৩টি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত

বাসস
একটি নতুন থানা ও ৩টি উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত
ছবি: কালের কণ্ঠ

 চট্টগ্রামের হাটহাজারীকে বিভক্ত করে ‘হালদা থানা’ এবং ফটিকছড়ির ছয়টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, মুরাদনগরকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গারা’ ও গফরগাঁওয়ের পাগলা থানার ৮টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘আদর্শনগর’ নামে নতুন ৩টি উপজেলা গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২১তম সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১০০০ নম্বর কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিকার-১ শাখা থেকে গত রবিবার জারি করা সভার নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস, নতুন থানা ও উপজেলা গঠন এবং জেলা সীমানা পুনর্গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রস্তাব সভায় উপস্থাপন ও আলোচনা করা হবে।

সভার আলোচ্যসূচিতে রয়েছে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাকে বিভক্ত করে ‘হালদা থানা’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব উত্থাপন করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব উপস্থাপন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সভায় আরো আলোচনা হবে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গারা’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব নিয়ে।

অন্যদিকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর আওতাধীন পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার অংশ ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার প্রশাসনিক সীমানা পুনর্গঠনের বিষয়টিও আলোচ্যসূচিতে রয়েছে। এ প্রস্তাবটি উপস্থাপন করবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার অধীন ৮টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘আদর্শনগর’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাবও সভায় বিবেচিত হবে।

সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি) সংশ্লিষ্ট একটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মন্ত্রী এবং কমিটির সদস্যদের সভায় যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভার কার্যপত্র আগেই সদস্যদের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং সভা শেষে কার্যপত্র ফেরত দেয়ার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও জনসেবাকে আরো কার্যকর ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে নিকারের এ সভাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সভায় অনুমোদন পাওয়া প্রস্তাবগুলো পরবর্তী সময়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কার্যকর করা হবে।

কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে : জাহেদ উর রহমান

বিশেষ প্রতিনিধি
কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে : জাহেদ উর রহমান
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন স্থানে আরবিতে কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আরবিতে কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, ‘খুব বিস্তারিত বলছি না, এটা সরকার কগনিজেন্সে (আমলে নেওয়া) নিয়েছে, সরকার এটা দেখেছে। এর সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক থাকার কোনো কারণ নেই। বরং এটা সরকার খতিয়ে দেখছে। কারণ এটা নিয়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভুল বার্তা যাওয়ার সম্ভাবনা (আশঙ্কা) আছে গ্লোবালি, এ ব্যাপারে আমরা সচেতন আছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এটা নিয়ে ব্যবস্থা নিতে চাচ্ছি এবং আমি ব্যক্তিগতভাবেও এই ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমরা আশা করি এই জিনিসটা এভাবে কন্টিনিউ করবে না।’

এগুলো কারা করছে—জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এগুলো তো বুঝতেই পারছেন, এটা কারা করছে, কেন করছে। কিছু মানুষকে আপনি দেখবেন সোশ্যাল মিডিয়াতে বলছে, কিন্তু তারাই তো আসলে হয়তো সবসময় মূল ব্যক্তি না। সো, এটা একটু খতিয়ে দেখার প্রশ্ন আছে। এটা যেহেতু এত ওয়াইডস্প্রেড (বিস্তৃতভাবে) হয়েছে, এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে, সেটাই আমরা খতিয়ে দেখছি এবং আমরা ইনশাআল্লাহ এটা বের করতে পারব।’

‘নাজুক ভূমির’ ওপর ঢাকা, ভূমিকম্প ঝুঁকিতে ৫৫-৬০ শতাংশ এলাকা!

অনলাইন ডেস্ক
‘নাজুক ভূমির’ ওপর ঢাকা, ভূমিকম্প ঝুঁকিতে ৫৫-৬০ শতাংশ এলাকা!
ছবি : সংগৃহীত

নগরায়ণের চাপে ঢাকার অনেক জলাভূমি ভরাট করা হয়েছে। নিচু এলাকায় গড়ে উঠেছে আবাসন প্রকল্প এবং নির্মাণ করা হয়েছে অসংখ্য বহুতল ভবন। তবে এসব ভবনের অনেকগুলোর ভূমিকম্প সহনশীলতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ রয়েছে। তাদের মতে, বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে রাজধানীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

ডেইলি স্টার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাজউক ও বুয়েটের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ঢাকার প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ এলাকা ঝুঁকি মধ্যে রয়েছে। ভূমিকম্পের সময় এসব এলাকার মাটি শক্তি হারিয়ে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। এতে ভবন বসে যাওয়া, হেলে পড়া বা ফাটল ধরার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, ‘আলগা ও ভরাট করা মাটির কারণে এসব এলাকায় ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি বেশি অনুভূত হতে পারে। তার মতে, রাজউকের আওতাধীন ১ হাজার ৫২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকার অর্ধেকেরও বেশি বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে।’

ভূতত্ত্ববিদদের মতে, ঢাকার মাটি মূলত নরম কাদামাটি ও পলিমাটি দিয়ে গঠিত, যা ঘনবসতিপূর্ণ নগরায়ণের জন্য খুব উপযোগী নয়। ফলে শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। গবেষকরা লিকুইফ্যাকশন পটেনশিয়াল ইনডেক্স (এলপিআই) ব্যবহার করে ঢাকাকে চারটি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে ভাগ করেছেন। এর মধ্যে লাল অঞ্চল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ, ম্যাজেন্টা মাঝারি থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ, নীল তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং সবুজ সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ।

অধ্যাপক আনসারি বলেন, ‘৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হলে লাল অঞ্চলের মাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে নদী, খাল ও পুকুরসংলগ্ন এলাকায়, যেখানে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বেশি, সেখানে ঝুঁকি আরো বেশি।’

তিনি ১৯৮৫ সালের মেক্সিকো সিটি ভূমিকম্পের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল অনেক দূরে হলেও নরম মাটি কম্পনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। তার মতে, বালু দিয়ে ভরাট করা মাটি তরলীকরণ ও অতিরিক্ত কম্পন, দুই ধরনের ঝুঁকিই বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিরাপদভাবে ভবন নির্মাণ সম্ভব, তবে তার জন্য সঠিক পাইলিং ও মাটি শক্তিশালী করার ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে মাটির ওপরের ৫ থেকে ৬ মিটার অংশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু অতিরিক্ত খরচের কারণে অনেক ক্ষেত্রে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

অধ্যাপক আনসারির ভাষ্য, ঢাকার অধিকাংশ ভরাট এলাকায় শুধু পাইলিং করা হয়, কিন্তু আশপাশের মাটি শক্তিশালী করা হয় না। ফলে ভূমিকম্পের সময় ভবন হেলে পড়া বা কাঠামোগত ক্ষতির ঝুঁকি থেকে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু সহনশীলতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ঢাকার মাত্র ৩৫ শতাংশ এলাকা শক্ত লাল মাটির ওপর অবস্থিত। বাকি অংশ জলাভূমি, বন্যাপ্রবণ এলাকা, পুরোনো খাল ও নিচু জমি নিয়ে গঠিত।

তার মতে, পুরান ঢাকা, গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, খিলগাঁও, মতিঝিল, ফার্মগেট ও মিরপুর তুলনামূলকভাবে শক্ত মাটির ওপর গড়ে উঠেছে। অন্যদিকে নদীসংলগ্ন ও ভরাট করা এলাকাগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাটির ধরন অনুযায়ী ভবনের নকশা করা এবং বাংলাদেশ জাতীয় নির্মাণবিধি (বিএনবিসি) কঠোরভাবে অনুসরণ করা হলে ভূমিকম্পজনিত ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। তবে নরম মাটির ঝুঁকির মানচিত্র তৈরি হলেও তা এখনো নগর পরিকল্পনায় পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত হয়নি। রাজউক জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ড্যাপ হালনাগাদের সময় বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

অন্যদিকে রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি লিয়াকত আলী ভুইয়া বলেন, তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো বিএনবিসি অনুসরণ করে নির্মাণকাজ পরিচালনা করে। তবে ৭ মাত্রা বা তার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে তার প্রকৃত প্রভাব কতটা হবে, তা আগাম নির্ভুলভাবে বলা কঠিন।

প২

উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল (লাল)

রাজউক ও বুয়েটের ঝুঁকি মানচিত্র অনুযায়ী হাজরতপুর, সাভার, কেরানীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, তেঘরিয়া, কোন্ডা, এনায়েতনগর, কাশীপুর, কালাগাছিয়া, নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা, বন্দর, মোগরাপাড়া, নারায়ণগঞ্জ সদর, বক্তাবলী, মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডির কিছু অংশ, নিউমার্কেট, লালবাগ, মদনপুর, দুমনি, বাড্ডা, পাথালিয়া, আশুলিয়া, কাটাবল্লী এবং দারুস সালামের কিছু এলাকা লাল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এসব এলাকায় ভূমিকম্পের সময় মাটি দুর্বল হয়ে পড়া এবং ভবনের ক্ষতির ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

মাঝারি থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল  (ম্যাজেন্টা)

কোনাবাড়ী, ইয়ারপুর, হরিরামপুরের কিছু অংশ, বিরালিয়া, বিভিন্ন পৌরসভা এলাকা, ক্যান্টনমেন্ট, পল্লবী, গুলশান, রূপগঞ্জ, ভুলতা, খিলগাঁও, কাফরুল ও দক্ষিণখানের কিছু অংশ, আদাবর, তেজগাঁও, রামপুরা, মতিঝিল, ডেমরা, সবুজবাগ, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, কদম রাসুল পৌরসভা, মুসাপুর, ফতুল্লা ও হাজারীবাগের কিছু অংশ, সাদিপুর, কাঞ্চপুর এবং পল্টন ম্যাজেন্টা অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে। এসব এলাকাও ভূমিকম্পের সময় উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
 

শহীদ মিনারে মুস্তাফা মনোয়ারকে শেষ শ্রদ্ধা

অনলাইন ডেস্ক
শহীদ মিনারে মুস্তাফা মনোয়ারকে শেষ শ্রদ্ধা
সংগৃহীত ছবি

শহীদ মিনারে মুস্তাফা মনোয়ারকে শেষ শ্রদ্ধা

বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। নাট্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর আগে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) প্রাঙ্গণে এ বরেণ্য শিল্পীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহ নেওয়া হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান মুস্তাফা মনোয়ার। দীর্ঘদিন নিউমোনিয়া ও ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণা।