kalerkantho

সোমবার । ১৫ আগস্ট ২০২২ । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৬ মহররম ১৪৪৪

পুলিশকে পাচারের বর্ণনা দিলেন সেই তরুণী

ওই তরুণী এখন আমাদের হেফাজতে। তাঁর কাছ থেকে নারী পাচারকারী চক্র সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।বিপ্লব কুমার সরকার,উপকমিশনার, তেজগাঁও,বিভাগ, ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতে পাচার হওয়ার পর টিকটক হূদয় ও তাঁর সহযোগীদের হাতে নির্যাতনের শিকার সেই তরুণী এখন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের পুলিশ হেফাজতে। পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকায় এনে ডাক্তারি পরীক্ষার পর তাঁর সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। তাঁকে পাচারের সঙ্গে টিকটক হূদয়সহ আরো কারা কিভাবে জড়িত, তা বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। তিনি পাচারের বর্ণনা দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ওই তরুণী এখন আমাদের হেফাজতে। তাঁর কাছ থেকে নারী পাচারকারী চক্র সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। ’

পুলিশ সূত্র জানায়, ওই তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, টিকটক মডেল বানানোর কথা বলে হূদয় ও তাঁর সহযোগীরা মিথ্যা বলে তাঁকে ভারতে পাচার করেন। এরপর তাঁর ওপর দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন চালান। তাঁদের অনেক অনুরোধ করেও লাভ হয়নি। তাঁরা কোনো কথাই শোনেননি। তাঁর মতো আরো অনেক বাংলাদেশি তরুণীকে ভারতে পাচার করে ওই চক্র।

ওই তরুণীকে জিজ্ঞাসাবাদকারী এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘মেয়েটি টিকটক চক্র সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছে। তবে সে এখনো স্বাভাবিক হতে পারেনি। যেহেতু মেয়েটি পাচার হওয়ার ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় মামলা হয়েছে। ওই মামলার তদন্তের প্রয়োজনেও মেয়েটির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের প্রয়োজন আছে। ’

টিকটক হূদয় চক্রের হাতে পাচার ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ওই তরুণীকে গত শনিবার বিকেলে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেয় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এ সময় তাঁর সঙ্গে আরো তিন নারী ছিলেন। তবে পুলিশ বলছে, ওই তিন নারীকে তারা হেফজতে নেয়নি।

গত বছরের মে মাসে বেঙ্গালুরুতে ওই তরুণীকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই ভিডিওর সূত্র ধরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই তরুণীকে পাচার ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে গত শুক্রবার ভারতের বেঙ্গালুরুর একটি আদালত টিকটক হূদয়সহ সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অন্য চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।



সাতদিনের সেরা