kalerkantho

সোমবার ।  ২৩ মে ২০২২ । ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২১ শাওয়াল ১৪৪৩  

বগুড়া জেলা আ. লীগ নেতা মোহনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম।

আমিনুল ইসলাম বলেন, মঞ্জুরুল আলম মোহনের ১৮ কোটি আট লাখ ৬২৩ টাকা থেকে গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় আট কোটি ২০ লাখ ৪৯ হাজার ২৮৬ টাকা। এটি বাদ দিয়ে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ৫১ হাজার ৩৩৭ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগদখল করে আসছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

তথ্য গোপন করা ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৩৮৫ টাকা এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৯ কোটি ৮৭ লাখ ৫১ হাজার ৩৩৭ টাকা থাকায় মামলাটি করা হয়েছে।

মামলায় বলা হয়েছে, বগুড়া শহরের চকসূত্রপুর এলাকার মঞ্জুরুল আলম মোহন ২০১৯ সালের ১৮ আগস্ট দুদকে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। বিবরণীতে জমি ক্রয়, অবকাঠামো নির্মাণ-ক্রয়, বাড়ি নির্মাণ, ফ্ল্যাট ক্রয়সহ মোট চার কোটি ৫১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং গণপরিবহন ১৩টি বাস, দুটি মোটরসাইকেল, শেয়ার ক্রয়, দোকানঘর লিজ, স্বর্ণ, আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিকসসামগ্রী, ডিপিএস ও চলতি হিসাব নম্বরের স্থিতিসহ মোট ১৫ কোটি ৫৭ লাখ ৪৮ হাজার ৭৪৬ টাকার সম্পদ অর্জনের ঘোষণা দেন। সেখানে দুদক কর্মকর্তারা তদন্তে নেমে আয়ের সঙ্গে অসংগতি পান ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৩৫৮ টাকা।

এ ছাড়া ১৯৯১-৯২ থেকে ২০১৯-২০ করবর্ষে ঠিকাদারিসহ বিভিন্ন খাত থেকে আয় দেখান সাত কোটি ৭৭ লাখ ৬৩ হাজার ৭১৬ টাকা। একই সঙ্গে দায়দেনা পাওয়া যায় ৪২ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭০ টাকা। দায়দেনাসহ মোট গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় আট কোটি ২০ লাখ ৪৯ হাজার ২৮৬ টাকা।

দুদকের আইনজীবী এস এম আবুল কালাম জানান, ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৩৮৫ টাকার তথ্য গোপন করার অপরাধে এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৯ কোটি ৮৭ লাখ ৫১ হাজার ৩৩৭ টাকা অর্জন করার অপরাধে দুটি ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে মঞ্জুরুল আলম মোহন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার অবৈধ কোনো আয় নেই। অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে আমি আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলব। ’



সাতদিনের সেরা