kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

দুপচাঁচিয়ার ওসির আক্রোশে তিন ভাই জেলে

পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অন্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

২৬ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থানার ওসি হাসান আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে কোনো কারণ ছাড়াই মোটর মেকানিক নুর আলমকে থানায় নিয়ে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা আদায়ের। আরো ২০ হাজার টাকা দেবেন এই শর্তে নুরকে ছাড়া হয়। পরে নুর ওসির চাপে অতিষ্ঠ হয়ে পুলিশের আইজি, ডিআইজি ও বগুড়ার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওসি দুটি মামলা করেন নুর, তাঁর দুই ভাই, চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় নুর তাঁর দুই ভাইসহ এখন জেলহাজতে। অন্যরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। নুর বগুড়ার দুপচাঁচিয়া সদরের চকসুখানগাড়ী এলাকার মুনসুর আলীর ছেলে।

গতকাল সোমবার বিকেলে নুর আলমের স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা দুই শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বগুড়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে রাজিয়া সুলতানা বলেন, ‘আমার স্বামী নুর আলম একজন দরিদ্র মোটর মেকানিক। দুপচাঁচিয়া সদরে বাসস্ট্যান্ডে কাজ করেন। তাঁর সামান্য আয় দিয়ে চলে আমাদের সংসার।’ গত ২৯ আগস্ট দুপচাঁচিয়া থানার এসআই মোসাদ্দেক এসে নুর আলমকে থানার ওসির কাছে নিয়ে যান। সেখানে কোনো কারণ ছাড়াই ওসি হাসান আলী তাঁকে গালাগাল ও মারধর করে এক পর্যায়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন।

নির্যাতন সইতে না পেরে নুর আলম তাঁর ভাই ফরিদের মাধ্যমে ওসিকে ৫০ হাজার টাকা দেন। তখন আরো ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।



সাতদিনের সেরা