kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ মাঘ ১৪২৮। ২০ জানুয়ারি ২০২২। ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ছাত্র অধিকারের ২০ নেতাকর্মীর জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় করা মামলায় ছাত্র অধিকারের ২০ নেতাকর্মীর জামিন দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত শুনানি শেষে এই জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন মো. ইউনুস, নাজমুল হাসান, নাহিদুল তারেক, মো. নাইম, আসাদুজ্জামান, আজহারুল ইসলাম, সোহেল মৃধা, মোস্তাক আহমেদ, আজিম হোসেন, মো. রুহুল ইসলাম সোহেল, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জিশান, মো. সোহেল আহমদ, শেখ খায়রুল কবির, সবুজ হোসেন, হোলাম তানভীর, মো. হেমায়েত, ইসমাইল হোসেন, মো. রেজাউল করিম, মুনতাজুল ইসলাম ও কাজী বাহাউদ্দীন মনির।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত ২৫ মার্চ মতিঝিল থানায় বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ একটি মিছিল বের করে। সেই মিছিলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়াধাওয়ির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা করা হয়।

এদিন গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত হন। জামিন শুনানির সময় তিনি বলেন, ‘মাননীয় বিচারপতি ছাত্রদের অপরাধটা কী? পুলিশ অসত্য বলেছে, ছাত্রদের হাতে কোনো লাঠি ছিল না। আপনাকে (বিচারক) দেখে বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ছে। যখন এজাতীয় মামলায় বঙ্গবন্ধুর নিম্ন আদালতে শাস্তি হতো, তখন তিনি জেলা আদালতে আসতেন। আর আপনার মতো বিচারক বঙ্গবন্ধুকে জামিন দিয়ে দিতেন। আজকে আপনার এই কাজটা করা উচিত।’

ছাত্র অধিকারের ২০ নেতাকর্মী জামিন পাওয়ার পর তিনি বলেন, ‘একজন বিচারকের দায়িত্ব হচ্ছে আমাদের কথা বলতে দেওয়া ও কথা শোনা। বিচারক আমার কথা শুনেছেন। ন্যায় কাজ করেছেন। স্লোগান দিয়েছি বলে, গালি দিয়েছি বলে ছয় মাস জেলে থাকতে হয়। এটা কি ন্যায়বিচার?’

আদালত চত্বরে সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, ‘বিচারক বিবেচনা করে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেছেন। এ জন্য আদালতকে ধন্যবাদ জানাই। আদালতের প্রতি আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, এ ধরনের ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত যেন অব্যাহত থাকে। মানুষ যেন আদালতে এসে ভোগান্তির শিকার না হয়। মানুষ যেন ন্যায়বিচার পায়।’



সাতদিনের সেরা