kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ শ্রাবণ ১৪২৮। ৫ আগস্ট ২০২১। ২৫ জিলহজ ১৪৪২

বাটাগুর বাসকার ডিম থেকে ফুটল ৩৭ বাচ্চা

আরো ৪৬টি থেকে বাচ্চা ফোটার অপেক্ষা

বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্ত্তী, বাগেরহাট   

১ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাটাগুর বাসকার ডিম থেকে ফুটল ৩৭ বাচ্চা

বিরল প্রজাতির কচ্ছপ ‘বাটাগুর বাসকা’। বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে বাটাগুর বাসকার ৩৭টি ডিম থেকে বাচ্চা ফুটেছে। বালুর নিচে থাকা দুটি কচ্ছপের ওই ডিম থেকে গতকাল শুক্রবার সকালে একে একে ৩৭টি ছানা ফুটে বের হয়। ছানাগুলোকে কেন্দ্রের হ্যাচিং প্যানে রেখে লালন-পালন করছে বন বিভাগ।

সুন্দরবনের করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির জানান, কেন্দ্রের দুটি বাটাগুর বাসকা প্রজাতির কচ্ছপের একটি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৭টি এবং অন্যটি ৩ মার্চ ২৩টি ডিম পাড়ে। বন বিভাগ বাচ্চা ফোটাতে ওই ৫০টি ডিম বালুর নিচে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রাখে। সেখানে সার্বক্ষণিক তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হয়। ৬২ থেকে ৫৯ দিনের মাথায় ওই ডিম থেকে ৩৭টি বাচ্চা ফুটেছে। এ ছাড়া দুটি বাটাগুর বাসকার একটি ৫ মার্চ ২৩টি এবং অন্যটি ২০ মার্চ ২৩টি ডিম পাড়ে। ডিমগুলো বাচ্চা ফোটানোর জন্য বালুর নিচে রাখা হয়েছে। এসব ডিম থেকে বাচ্চা ফোটার অপেক্ষায় রয়েছে বন বিভাগ।

আজাদ কবির আরো জানান, কচ্ছপের বাচ্চাগুলো প্রজননকেন্দ্রের দুটি হ্যাচিং প্যানে রাখা হয়েছে। সেখানে বাচ্চাগুলোকে ডিমের কুসুম এবং ছোট মাছ খাওয়ানো হবে। এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর অন্য প্যানে রাখা হবে বাচ্চাগুলোকে। বাচ্চাগুলোকে এভাবে লালন-পালন করে বড় করা হবে। পরে সুন্দরবনের নদী-খালে সেগুলো অবমুক্ত করা হবে। তাঁর তথ্য মতে, প্রজননকেন্দ্রে এখন বাটাগুর বাসকা প্রজাতির ৩৯৬টি কচ্ছপ রয়েছে। এর মধ্যে ১৪৯টির বয়স এক বছরের মতো। বাকিগুলোর বয়স দুই থেকে ২০ বছরের মতো। প্রতিটি কচ্ছপের গড় আয়ু প্রায় ১০০ বছর।



সাতদিনের সেরা