kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

বিরল প্রজাতির বাটাগুর কচ্ছপ ডিম পেড়েছে

বাগেরহাট প্রতিনিধি   

২৮ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিরল প্রজাতির বাটাগুর কচ্ছপ ডিম পেড়েছে

সুন্দরবনের করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে বিরল প্রজাতির একটি কচ্ছপ ডিম পেড়েছে। বাটাগুর বাসকা প্রজাতির কচ্ছপটি গতকাল শুক্রবার ভোরে প্রজননকেন্দ্রের পুকুরপারে বালু খুঁড়ে একে একে ২১টি ডিম পাড়ে। ডিমগুলো বালুর নিচে রেখে প্রাকৃতিকভাবে বাচ্চা ফুটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হতে ৬৫ থেকে ৬৭ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।

করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে এর আগে গত ১০ মার্চ বাটাগুর বাসকা প্রজাতির অপর একটি কচ্ছপ ৩৫টি ডিম পাড়ে। ওই ডিমগুলো থেকেও বাচ্চা ফুটানোর চেষ্টা চলছে। এ নিয়ে এখানে ২০১৭ সাল থেকে বাটাগুর বাসকা প্রজাতির কচ্ছপ মোট ১৯৭টি ডিম পেড়েছে। গত বছর পর্যন্ত ওই ডিম থেকে ১১০টি বাচ্চা ফুটেছে। বিরল প্রজাতির এই কচ্ছপ নিয়ে গবেষণা চলছে সুন্দরবন অঞ্চলে। ইতিমধ্যে গবেষণায় ব্যবহৃত স্যাটেলাইট এন্টেনাযুক্ত তিনটি কচ্ছপ বাংলাদেশ ও ভারতীয় জলসীমায় মারা গেছে।

জানা গেছে, করমজল প্রজনন কেন্দ্রে একটি পুকুরে গত ২০১৪ সালে কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। এখানে শুরুতে বাটাগুর বাসকা প্রজাতির আটটি পূর্ণবয়স্ক কচ্ছপ ছাড়া হয়। এরপর বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করে আরো কয়েকটি কচ্ছপের বাচ্চা ওই পুকুরে ছাড়া হয়েছে।

প্রজননকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির জানান, গতকাল কচ্ছপ ডিম পাড়ার পর সেগুলো বালুর নিচে রেখে সার্বক্ষণিক তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বাটাগুর বাসকা প্রজাতির কচ্ছপ সাধারণত মার্চ মাসে ডিম দিয়ে থাকে। ১৮ থেকে ২০ বছর হলে কচ্ছপ পূর্ণবয়স্ক হয় বলে ধরা হয়। আর পুর্ণবয়স্ক মাদি কচ্ছপ বছরে একবার ডিম পাড়ে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা