kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৪ জুন ২০২০। ১১ শাওয়াল ১৪৪১

বাগেরহাট-৪ ও গাইবান্ধা-৩ আসনে উপনির্বাচন

মনোনয়নপত্র বাতিল বিএনপি ও জাপার তিন প্রার্থীর

বাগেরহাট ও গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঋণ খেলাপের অভিযোগে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অন্যদিকে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের উপনির্বাচনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় পার্টির সহযোগী সংগঠন যুব সংহতির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির পরিচয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও দলীয় মনোনয়নের কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

বাগেরহাটে যে দুজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তাঁরা হলেন—বিএনপি মনোনীত কাজী খায়রুজ্জামান শিপন এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত সাজন কুমার মিস্ত্রী। গতকাল রবিবার মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার এবং খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী তাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

তিনি জানান, গতকাল বাগেরহাট জেলা নির্বাচন অফিসের সভাকক্ষে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। ঋণ খেলাপের দায়ে ওই দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় এখন বাগেরহাট-৪ আসনে একমাত্র বৈধ প্রার্থী আওয়ামী লীগ মনোনীত অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন।

এদিকে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া বিএনপি প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন জানান, তিনি নির্বাচন কমিশনে এ ব্যাপারে আপিল করবেন।

তফসিল অনুযায়ী এ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ ফেব্রুয়ারি। ১ মার্চ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার কথা। আর ভোট গ্রহণের তারিখ আগামী ২১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ আসনে মোট ভোটারসংখ্যা দুই লাখ ৯৭ হাজার ৪৩৪। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৪৮ হাজার ৪৮৬ এবং নারী ভোটার এক লাখ ৪৮ হাজার ৯৪৮। গত ১০ জানুয়ারি সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেন মারা গেলে আসনটি শূন্য হয়।

অন্যদিকে গাইবান্ধা-৩ আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থী হলেন যুব সংহতির কেন্দ্রীয় নেতা মো. মঞ্জুরুল হক। জাতীয় পার্টির মনোনয়নের কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

গতকাল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর যাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় তাঁরা হলেন—আওয়ামী লীগ মনোনীত উম্মে কুলছুম স্মৃতি, বিএনপি মনোনীত ডা. মইনুল হাসান সাদিক, জাতীয় পার্টি মনোনীত মইনুর রাব্বী চৌধুরী এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের প্রার্থী এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান জানান, এ আসনে সাদুল্যাপুরে ১১টি এবং পলাশবাড়ী পৌরসভা ও পলাশবাড়ী উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে চার লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ জন ভোটার রয়েছে। আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ভোট গ্রহণ হবে ২১ মার্চ। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর সংসদ সদস্য ডা. ইউনুস আলী সরকার মারা গেলে এ আসনটি শূন্য হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা