kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে কিছু সংশোধন দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন ২০১৯-এর কয়েকটি ধারা-উপধারা সংশোধন করার দাবি জানিয়েছেন প্রকাশকরা। এই দাবিতে আগামীকাল সোমবার সারা দেশে বইয়ের দোকান বন্ধ রেখে মানববন্ধন করবেন তাঁরা। গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি ও কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতিসহ এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত ১২টি সংগঠন।

লিখিত বক্তব্যে সমিতির সভাপতি আরিফ হোসেন ছোটন বলেন, ‘প্রস্তাবিত আইনে নোট-গাইডের সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে; কিন্তু অনুশীলনমূলক বইয়ের কোনো সংজ্ঞা নেই। নোট-গাইড হচ্ছে পাঠ্য বইয়ে দেওয়া প্রশ্নের উত্তরগুলো সরাসরি থাকে, যা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা হয়। অন্যদিকে অনুশীলন বইয়ের বিষয়বস্তু হচ্ছে পাঠ্য বিষয়ের সহজে অনুধাবন, প্রশ্নের নমুনা, উন্নত উত্তর লেখন পদ্ধতি। শিক্ষার্থীরা অনুশীলন বই মুখস্থ করে না, করে কোনো লাভ নেই।’

খসড়া আইনের চারটি ধারা সংশোধনের দাবি জানিয়ে ছোটন বলেন, ‘প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে বলা হয়েছে, কোনো প্রকার নোট বা গাইড বই মুদ্রণ, বাঁধাই ও প্রকাশ করা যাবে না। আইনটি যদি চূড়ান্ত হয়, তাহলে বই প্রকাশের সঙ্গে যুক্ত আমরা প্রায় ২৪ লাখ মানুষ পথে বসে যাব। শিক্ষাব্যবস্থারও অবনতি ঘটবে।’

সমিতির সহসভাপতি কামরুল হাসান শায়ক বলেন, ‘বাজারে নোট-গাইড বইয়ের কোনো অস্তিত্ব নেই। অনুশীলনমূলক বইকে নোট-গাইডের নাম দিয়ে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে শিক্ষা আইনে। এতে শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টার ও গৃহশিক্ষকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। আইনে অনুশীলন বইয়ের সংজ্ঞায়িত করতে হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা