kalerkantho

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সার্কেল

ভৈরবে ইন্সপেক্টরকে শোকজ, বদলি সাব-ইন্সপেক্টরকে

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সার্কেল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও আটক বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার জেরে সার্কেল ইন্সপেক্টর মাসুদুর রহমানসহ দুজন সিপাহিকে শোকজ করা করা হয়েছে। তাঁদের আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সেন্টু রঞ্জননাথ নামের একজন সাব-ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। গতকাল রবিবার মুঠোফোনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হাবীব তৌহিদ ইমাম।

এ প্রসঙ্গে জানতে ভৈরব মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সার্কেল অফিসের ইন্সপেক্টর মাসুদুর রহমানের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর অফিসে গত দুই সপ্তাহে তিনবার গিয়েও সাক্ষাৎ মেলেনি। এমনকি অফিসের বাইরে তালা ঝুলতে দেখা যায়। তা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে সাইনবোর্ড না থাকার কারণে দূর থেকে এটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অফিস কি না, তাও বোঝার কোনো উপায় নেই।

এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হাবীব তৌহিদ ইমাম সেলফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, এরই মধ্যে ভৈরব সার্কেল ইন্সপেক্টর মাসুদুর রহমানসহ দুজন সিপাহিকে শোকজ করা করা হয়েছে। তাদের আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি ভৈরব সার্কেল অফিসের নানা অনিয়মের কথা অকপটে স্বীকার করে বলেন, ‘তাঁদের জন্য আমাকে চাপে থাকতে হয়। আগেও এ অফিসের ইন্সপেক্টর কামনা শীষ সরকারের অপকর্মের কারণে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বদনাম হয়েছে।’

সেলফোনে যোগাযোগ করলে অভিযুক্ত পরিদর্শক মাসুদুর রহমান জানান, তিনি ও তাঁর অফিসের সিপাহি কারণ দর্শানোর নোটিশ পাননি। তিনি সেন্টু রঞ্জননাথকে অন্যত্র বদলির সত্যতা স্বীকার করেন।

এ ছাড়া অফিসের সাইনবোর্ড না থাকার বিষয়ে তিনি বাজেট নেই বলে জানান।

মন্তব্য