kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফুলপুর হাসপাতাল

অ্যাম্বুল্যান্স ও এক্স-রে মেশিন নষ্ট, ভোগান্তি পোহাচ্ছে রোগীরা

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

২৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ময়মনসিংহের ফুলপুর তারাকান্দার ২১টি ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় বড় অবলম্বন উপজেলা সরকারি হাসপাতাল। কিন্তু হাসপাতালটিতে এক্স-রেসহ পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই। এ অবস্থায় সরকারি হাসপাতালে চিকিত্সা নিতে এসেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোগীদের ছুটতে হয় বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে। আর সেখানে গিয়ে তারা দালালের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত হচ্ছে। ব্যয় করতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ।

এদিকে হাসপাতালে বরাদ্দ করা তিনটি অ্যাম্বুল্যান্সের দুটিই অকেজো হয়ে পড়ে আছে দীর্ঘদিন। এক্স-রে মেশিন থাকলেও সেটি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে দীর্ঘদিন। অথচ এগুলো ঠিক করার কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। অথচ হাসপাতালে দুটি অ্যাম্বুল্যান্স ও এক্স-রে মেশিনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা থাকলে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বেশি অর্থ ব্যয়ে এলাকাবাসীকে চিকিত্সা নিতে হতো না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফুলপুর হাসপাতালটি ২০০৮ সালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখানে প্রায় আট লাখ মানুষকে চিকিত্সা দেওয়া হয়। হাসপাতালের জন্য ২০০৮-২০০৯ সালে একটি এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু এটি নতুন অবস্থায়ই অকেজো ধরা পড়ে। বিষয়টি উল্লেখ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কয়েকবার চিঠিও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, নষ্ট হয়ে দুটি অ্যাম্বুল্যান্স হাসপাতালের কোয়ার্টার এলাকায় বছরের পর বছর পড়ে আছে। খোলা আকাশের নিচে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে থাকায় সেগুলো ভাঙারি হিসাবে বিক্রির অবস্থায় চলে যাচ্ছে। অ্যাম্বুল্যান্সগুলো নষ্ট থাকায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা গুরুতর রোগীদের পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। সচল থাকা বাকি অ্যাম্বুল্যান্সটির নাগাল পাওয়া সাধারণ রোগীদের ভাগ্যে জোটে না। এটাকে সুযোগ হিসাবে নিয়ে বহিরাগত প্রাইভেট মাইক্রোবাস চালকরা হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।

এ ব্যাপারে ফুলপুর হাসপাতালের আরএমও প্রাণেশ পণ্ডিত বলেন, ‘নষ্ট হয়ে পড়ে থাকা অ্যাম্বুল্যান্স ও এক্স-রে মেশিন ঠিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা ছাড়া আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতির সংকট দূর করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা