kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

ব্যক্তিত্ব

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ ও সংস্কৃত পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জন্ম তৎকালীন খুলনা জেলায় ৬ ডিসেম্বর ১৮৫৩ সালে। তিনি অগ্রজের বন্ধু ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আশ্রয়ে থেকে সংস্কৃত কলেজে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরে প্রেসিডেন্সি কলেজে তাঁর ছাত্রজীবন অতিবাহিত হয়। ১৮৭১ সালে এন্ট্রান্স, ১৮৭৩ সালে ফার্স্ট আর্টস, ১৮৭৬ সালে বিএ এবং ১৮৭৭ সালে সংস্কৃতে অনার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে এমএ ডিগ্রি ও ‘শাস্ত্রী’ উপাধি অর্জন করেন। ১৮৭৮ সালে হেয়ার স্কুলে ট্রান্সলেশন শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। ১৮৮৩ সালে কলকাতার সংস্কৃত কলেজে অধ্যাপক ও একই সঙ্গে বঙ্গীয় সরকারের সহকারী অনুবাদক হিসেবে কাজ করেন। ১৮৯৫ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজে সংস্কৃত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক এবং ১৯০০ সালে সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হন। ১৯০৮ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। ১৯২১ সালে তিনি নবপ্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯১৯ ও ১৯২০ সালে দুই বছর তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতির পদ এবং পরে আজীবন সহসভাপতির পদ অলংকৃত করেন। সোসাইটিতে Descriptive Catalogue সংকলন-সম্পাদনা ছাড়া ভারতের সাহিত্য-সংস্কৃতি ও ইতিহাসের বহু তথ্য তিনি উদ্ধার ও প্রকাশ করেন। ১৮৮৫ সালে তাঁর সহযোগিতায় ঋগেবদসংহিতার অনুবাদ প্রকাশিত হয়। বাঙালির আত্মপরিচয় উদ্ধারে ব্রতী হয়ে নিজের আবিষ্কৃত তথ্যের ভিত্তিতে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আজীবন ফেলো মনোনয়ন, ‘মহামহোপাধ্যায়’ উপাধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি ডি.লিট উপাধিসহ নানা সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। ১৭ নভেম্বর ১৯৩১ সালে তিনি মারা যান।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা