kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে

বছরখানেক আগে জোরেশোরে মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর পরও মাদকের বিস্তার কমেনি বরং বেড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যও মাদক কারবারে জড়িত। নেপথ্যে রাজনৈতিক শক্তিও জড়িত বলে অভিযোগ আছে। মাদক নির্মূলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অভিভাবকের নজরদারি ও জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। সরকার ও প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে। গড়ে তুলতে হবে সামাজিক প্রতিরোধ। মাদক মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কালের কণ্ঠ’র পাঠকদের মতামত এখানে তুলে ধরা হলো

 

►    অভিভাবকদের উচিত সন্তানের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখা। মাদকের ভয়ংকর ছোবল থেকে তাদের বাঁচানো। সন্তানরা কার সঙ্গে মেলামেশা করে নজরে রাখতে হবে, তাদের সৎসঙ্গ বেছে নিতে এবং অসৎসঙ্গ ত্যাগ করতে বলতে হবে। মাদকদ্রব্য সম্পর্কে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের স্পষ্ট ধারণা দিয়ে সতর্ক করতে হবে। স্কুল-কলেজে মাদক নির্মূল কমিটি গঠন করে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ছোটবেলা থেকেই ছেলে-মেয়েদের ধর্মীয় বিধিবিধান পালনে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদক নির্মূলে যুবসমাজকে ভূমিকা পালন করতে হবে।

এম আনিসুর রহমান

শেখেরখিল, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।

 

►    মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ করতে হলে প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে, মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে, সন্তানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

মো. বজলুর রহমান

শেকাড়া, বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ী।

 

►    এখন হাত বাড়ালেই মাদক পাওয়া যায়। অভিযোগ রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাই মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত। তারা যত দিন সৎ না হবে, মাদক সমস্যা দূর হবে না। সরকারকে এ ব্যাপারে তৎপর হতে হবে, যাতে কোনোভাবেই দেশে মাদক ঢুকতে না পারে। মাদক যে কতটা ভয়াবহ সে বিষয়ে লিফলেট বিতরণ করে সবাইকে হুঁশিয়ার করা উচিত।

সাবিনা শিবা

নারায়ণগঞ্জ।

 

►    মাদকের বিস্তার দেশ-জাতিকে কলুষিত করছে। মাদকের বিস্তারে রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া আছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও ভূমিকা রয়েছে। সরকারকে সামাজিক সচেতনতা এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

মো. জামরুল ইসলাম

দক্ষিণগাঁও, সবুজবাগ, ঢাকা।

 

►    মাদকের বিস্তার রোধে রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবার ও ব্যক্তিপর্যায়ে সবাইকে ভূমিকা পালন করতে হবে। সুস্থ চিন্তার মানুষ কৌতূহল থেকে মাদকে জড়ায় বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে। পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নানা রকম অস্থিরতায় মানুষের মনে অসুস্থ চিন্তা, হতাশা জাগে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে সৃজনশীল কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে।

মো. ফখরুল ইসলাম টিপু

সেনবাগ, নোয়াখালী।

 

►    মাদকের সরবরাহ বন্ধ করতে সীমান্তে কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কায়েম করা, মাদক কারবারিদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে। মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য সব প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করতে হবে।

ডা. ওয়াহিদুল ইসলাম

উত্তরা, ঢাকা। 

 

►    সমাজের প্রতিটি স্তরে মাদকের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। মাদক থেকে আমাদের যুবসমাজকে রক্ষা করতে হবে। মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনকে তৎপর হতে হবে। সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের দৃষ্টি রাখতে হবে।

কুমারেশ চন্দ্র

হৃদয়পুর, মাগুরা।

 

►    মাদক জীবন ও সম্ভাবনাকে নষ্ট করে দেয়। শান্তির পরিবারে অশান্তির আগুন জ্বালিয়ে দেয়। সমাজে অনাচার ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে। দেশে আশঙ্কাজনক হারে মাদকের বিস্তার ঘটছে। মাদক থেকে মুক্তি পেতে গোড়া থেকে সংস্কার শুরু করতে হবে। দেশে বেশির ভাগ মাদকদ্রব্য আসে সীমান্তপথে। তাই সীমান্তপথে মাদক চোরাচালান বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদক কারবারে জড়িত সবাইকে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

মো. উবায়দুল হক সিয়াম

কারওয়ান বাজার, ঢাকা।

 

►    মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনকে সহায়তা করতে হবে। সমাজকে সচেতন করতে হবে। কিশোর-তরুণদের কাছে এসবের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে তাদের সাবধান করতে হবে। আইনের প্রয়োগ ঠিকমতো হচ্ছে না, কাজটি ঠিকমতো করতে হবে।

কামাল হোসেন

বাংলাবাজার, গাজীপুর।

 

►    সীমান্তে কড়া নজর রাখতে হবে। সামাজিক-সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ বাড়াতে হবে। মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে হবে। পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে।

কামরুজ্জামান

কলাবাগান, ঝিনাইদহ সদর।

 

►    মাদকের সোর্স কোথায় খুঁজে বের করতে হবে এবং সেগুলো বন্ধ করতে হবে। দল-মত বিবেচনা না করে জড়িতদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করতে হবে।

জিবাইল কবির

ঢাকা।

 

►    পরিবারের ভালোবাসা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি নেশামুক্ত, সৎ, চরিত্রবান সন্তান গঠনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার দিকে সব অভিভাবককে তীক্ষ নজর রাখতে হবে। কোমলমতি একটি শিশুর নেশাদ্রব্যের হাতেখড়ি সিগারেট দিয়ে। প্রকাশ্যে ধূমপানে জরিমানার বিধান থাকলেও ধূমপান প্রকাশ্যেই হচ্ছে। মাদকের বিস্তার ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। এর সহজলভ্যতা এর জন্য বেশি দায়ী। মাদকের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান প্রয়োজন। মাদক আসার রুটগুলো বন্ধ হয়নি, রুট বন্ধ করাসহ বড় মাপের প্রভাবশালী মাদক কারবারিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুন। স্থানীয়ভাবে মাদক কারবারিদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। মাদক গ্রহীতাদের জন্য আরো বেশি সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। স্থানীয়ভাবে প্রশাসন ও প্রভাবশালী মহলকে এ ব্যাপারে এগিয়ে আসতে হবে। প্রশাসনের বিশেষ সহযোগিতা নিতে হবে। কার্যকর পদক্ষেপে সুফল পাওয়ার পর তা যেন বন্ধ না হয়। মাদক সেবনকারী ও বিক্রেতার ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করে কার্যকর পদক্ষেপ নিন।

মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া

লাকসাম, কুমিল্লা।

 

►    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং সমাজকে সুপথে এগিয়ে আনার দায়িত্ব সরকারের। সরকারকে মাদকের বিরুদ্ধে জোর প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রাখতে হবে। পাড়া-মহল্লায় কমিটি গঠন করলে, মসজিদ-মন্দিরে নামাজ-প্রার্থনা শেষে জনগণকে সচেতন ও তাদের সহযোগিতা চাইলে মাদক নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। সংসদে বিস্তারিত চুলচেরা আলোচনান্তে সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোতে হবে। সরকার শক্তভাবে চাইলে মাদক সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে পারে। প্রয়োজন অভিযান ও সদিচ্ছা। যানবাহন চালকরা মাদক বাহক ও মাদক আনা-নেওয়ার সহায়ক বিশ্বস্ত মাধ্যম। সরকারি  প্রশাসনযন্ত্র ও সরকারের রাজনৈতিক মাঠকর্মীদের আন্তরিক যৌথ উদ্যোগে এ মাদক সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। মাদকের উৎস ধ্বংসের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা-কর্মচারী দ্বারা ঢেলে সাজিয়ে এর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে না পড়লে অভিযান কখনো সফলতার মুখ দেখবে বলে মনে হয় না।

এইচ কে নাথ

আকবরশাহ মাজার, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।

 

►    মাদকাসক্তি এক নীরব ঘাতক। এর আরেক নাম নেশা। যুবসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের ওপর চলছে মাদকের ভয়াল থাবা। এ জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিদিন অভিযান চালিয়ে মাদকসেবনকারী, পাচারকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের আটক করতে পারলেও মূল হোতারা থেকে যাচ্ছে পর্দার আড়ালে। মাদকের বিস্তার যাতে ভয়ংকর রূপ নিতে না পারে এ জন্য সরকারের করা ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতার উন্মেষ ঘটাতে হবে। মাদকের বিস্তার রোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।

মো. আব্দুস সালাম

কোটালি, বেগমপুর, চুয়াডাঙ্গা।

 

►    যখন পুলিশও মাদকের কারবার করে, তখন মাদকের বিস্তার রোধ করা খুবই কঠিন কাজ।

আনোয়ারুল আজিম

নরসিংদী।

 

►    রাজনৈতিক বিবেচনায় না গিয়ে সব মাদক কারবারির দ্রুত বিচার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। তাহলে বিদ্যমান অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।

এস এম মহসীন

ঢাকা।

 

►    মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

সূচনা ইসলাম

ঢাকা।

 

►    সরকারদলীয় কেউ জড়িত থাকলে তাকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে।

মো. হোজাইফা

ঢাকা।

 

►    মাদকাসক্তি নীরব ঘাতক। মানবসম্পদ উন্নয়নে এ সমস্যা বিরাট বাধা। যুবসমাজের মধ্যে মাদকের বিস্তার দাবানলের মতো ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। মাদকাসক্তির সঙ্গে সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। সীমান্তে মাদক চোরাকারবারিদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। মাদকদ্রব্যের উৎপাদন, বিপণন ও বাজারজাতকারী কম্পানির বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে। মানুষকে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান সক্রিয় করতে হবে। তামাক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের উৎপাদন নিষিদ্ধ করুন।

মো. ইলিয়াছ হোসেন

খটখটিয়া, মহানগর, রংপুর।

 

►    পুলিশ চাইলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের সব মাদক কারবারিকে ধরতে পারে। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে তা হয় না। পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতারাও মাদকের থেকে লাভ পেয়ে থাকেন। কাজেই এ বিষয়টি তাই নিয়ন্ত্রণ সহজ না। আর রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে না পারলে মাদক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা পুরোপুরি সফল হবে বলে মনে হয় না।

মো. তৈয়ব আলী

ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।

 

►    মাদকের বিস্তার রোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়াতে হবে। মাদকের সঙ্গে যুক্ত চুনোপুঁটিদের না ধরে বড় হোতাদের ধরতে হবে। মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও সরবরাহকারীদের বিচার করতে হবে। এর আখড়া ধ্বংস করতে হবে। সব মাদকসেবির শাস্তি দরকার। আর দরকার গণমাধ্যমে মাদকবিরোধী প্রচারণা।

জাহাঙ্গীর কবির পলাশ

শ্রীধরপুর, মুন্সীগঞ্জ।

 

►    মাদকের বিস্তার রোধে সচেতনতার বিকল্প নেই। এ ছাড়া মাদক নির্মূলে প্রশাসন কঠোর আছে, আরো কঠোর হতে হবে। সম্ভাব্য সব জায়গায় অভিযান চালিয়ে মাদকসেবক ও কারবারিদের ধরতে হবে।

মো. রাশেদুল ইসলাম

ভাঙ্গুরা, পাবনা।

 

►    মাদকের বিরুদ্ধে জোর সচেতনতা ও প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়াতে হবে। কোনো পক্ষপাত না করে সব অপরাধীকে ধরে শাস্তি দিতে হবে। সোর্স কাজে লাগিয়ে মাদকসেবীদের আখড়া খুঁজে বের করতে হবে।

আবদুর রাজ্জাক ভূঁইয়া

শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ।

 

►    প্রতিটি এলাকায় মাদক বন্ধ ও নিয়ন্ত্রণে জরিপ চালাতে হবে। এ জন্য সরাসরি প্রশাসনের ভূমিকা দরকার। মাদকের বিস্তার রোধে শুধু শাস্তি দিলে হবে না, মাদকসেবীদের জন্য চিকিৎসা ও পরামর্শসেবা দিতে হবে। তাদের মাদকাসক্তি নিরাময়েও ভূমিকা রাখতে হবে।

মো. তৌহিদুর রহমান

রাধানগর, পাবনা।

 

►    সীমান্তে যত দিন টাকা খেয়ে মাদক পাচার করতে দেওয়া হবে, তত দিন মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়।

মো. জাহাঙ্গীর আলম

ঢাকা।

 

►    মাদকের বিস্তার রোধ করতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বা আবাসনে ঢুকে কঠোরভাবে তল্লাশি চালিয়ে মোবাইলসহ অবৈধ মালামাল জব্দ করতে হবে। রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে, অবশ্যই করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে জোরপূর্বক পাঠানো যাবে না, তবে এর জোর পদক্ষেপ দরকার। মিয়ানমার সীমান্তে বসাতে হবে কঠিন নিরাপত্তাব্যবস্থা। 

লিয়াকত হোসেন খোকন

রায়বাহাদুর রোড, পিরোজপুর।

 

►    মাদকের বিস্তারে পৃথিবীর অনেক দেশ পিছিয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে মাদকের বিস্তার বাড়ছে। মাদক এক মরণ নেশা। যারা এসব বিক্রি করে, সেবন করে, সীমান্তে পাচারে যুক্ত, সবার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য চাই সরকারের বিশেষ পদক্ষেপ।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

 

►    জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনকে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। সীমান্তে মাদক কারবারিদের রুখতে হবে যেকোনো মূল্যে। পরিবারে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সরকারের উচিত শিক্ষিত যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরি করা, ধেলাধুলা ও বিনোদনের ব্যবস্থ করা।

মো. আজিম

নওদাপাড়া, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।

 

►    অভিযান শুরু করলে এক মাসেই সব সাফ হয়ে যাবে।

রাশেদুজ্জামান রাশেদ

ঢাকা।

 

►    সবার আগে মাদক চোরাচালান বন্ধ করতে হবে। সরবরাহ বন্ধ হলে মাদক ছেড়ে দেবে সেবনকারীরা।

মো. সুমন

ঢাকা।

 

►    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে যেসব সংস্থা রয়েছে, তারা যদি নির্মোহ থাকতে পারে, তাহলে বিস্তারের প্রবণতা বন্ধ হবেই। চুনোপুঁটি নয়, রাঘব বোয়ালদের ধরতে হবে। মাদক ও ভেষজের পার্থক্য বুঝতে হবে।

আসাদুল্লাহ মুক্তা

মহেশপুর, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

 

►    মাদকের বিস্তার ঘটেছে সমাজের সব শ্রেণিতে, শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের ব্যবহার বাড়ছে অনেক কারণে। যেমন—মোবাইল ফোন ব্যবহার, মা-বাবার সন্তানদের সময় কম দেওয়া বা সঠিকভাবে না দেওয়া, কিশোর গ্যাংয়ে সংশ্লিষ্ট হওয়া, সামাজিক অস্থিরতা। নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তানরা অনেক ক্ষেত্রেই মা-বাবার কথা শোনে না, নিজেদের ইচ্ছামতো চলে, একসময় মাদকে জড়িয়ে পড়ে। উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের বেশি সুযোগ—এই সুযোগ তাদের মধ্যে মাদকাসক্তির বড় কারণ। স্কুলে স্কুলে গিয়ে করণীয় সম্পর্কে জানাতে হবে, অভিভাবকদের ডেকে তাঁদের দায়িত্বের ব্যাপারে সচেতন করুন।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা