সংলাপে দুই দল মোটেও আন্তরিক নয়। 'বৃক্ষ তোমার নাম কী, ফলে পরিচয়।' যদি আন্তরিকই হতো তাহলে তো অনেক আগেই সমাধান হয়ে যেত। বিদেশিদের এত পরামর্শ, মধ্যস্থতা, দূতিয়ালি- এত কিছুর কোনোই প্রয়োজন হতো না। দুই দলই যার যার অবস্থানে অনড়! বিরোধী দল ধারাবাহিকভাবে দেশ অচলের কর্মসূচি দিয়েই যাচ্ছে! তবে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা যদিও কিছুটা বিরোধী দলের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়; কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে তা মোটেও নেই! যেমন বিরোধী নেত্রী নির্বাচনকালীন সরকার নির্দলীয়ের বদলে সর্বদলীয় হলেও আপত্তি নেই বলেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির কাছে হস্তান্তর করতে হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী অটল! তিনি পদে ও ক্ষমতায় থেকেই নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে চাচ্ছেন! এভাবে চললে শেষ পর্যন্ত কোনো সমাধানই আসবে না! বিরোধী নেত্রী যেখানে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবির অবস্থান থেকে অনেকটাই সরে এসেছেন, তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও দেশবাসীর প্রত্যাশা- তিনি ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করে বিরোধী দলকে নিয়ে একটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করে দেশকে হানাহানির হাত থেকে রক্ষা করবেন। হুমায়ুন কবির জ্যেষ্ঠ শিক্ষক. সালেহা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হাজারীবাগ, ঢাকা।