বর্তমান সময়ে শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই এর প্রকোপ বাড়ছে। আধুনিকতার নামে সবজি বিক্রেতা, ফেরিওয়ালা, এমনকি ভিক্ষুক পর্যন্ত উচ্চ শব্দে রেকর্ড বাজিয়ে চলছে। অলিগলিতে প্রতিনিয়ত চলছে শব্দ সন্ত্রাস। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, মাথা ব্যথা, অনিদ্রা, মনোযোগের অভাব ও মানসিক চাপ বাড়ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিশু, বৃদ্ধ ও অন্তঃসত্ত্বা নারী। সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫’ কার্যকর হয়েছে। সেখানে রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত মাইক-লাউডস্পিকার নিষিদ্ধ এবং অনুষ্ঠানে অনুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে বিধিমালা মানা হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন, শব্দদূষণের ভয়াবহতা বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করুন। স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির ও হাটবাজারে জনসচেতনতার জন্য ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫-এর কঠোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
আল ইমরান
শিক্ষার্থী, আনন্দ মোহন কলেজ, ময়মনসিংহ




