kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

ইলিশ সংগ্রহ

৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইলিশ সংগ্রহ

আমরা তেলের খনি পাইনি, কিন্তু ইলিশের খনি পেয়েছি। এ খাতে শতভাগ সাফল্য পেতে সব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। ইলিশের চাহিদা ও বাজার বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইলিশের সংগ্রহ বাড়াতে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি। এবার ৬৫ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ রাখায় পাঁচ লাখ ১৭ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ ধরা পড়েছে। এটা বিশাল সফলতা। এ সময় ৬০ শতাংশ মা ইলিশ ডিম ছাড়তে সক্ষম হয়েছে। ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়সীমা ১০০ দিনে উন্নীত করলে আরো ভালো ফল মিলবে। উপজেলাভিত্তিক নদী ও সাগরে কর্মরত জেলেদের রেজি. নং প্রদান করে আইডি কার্ড দেওয়া যেতে পারে। ইলিশসমৃদ্ধ নদীগুলোর তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে নদীগুলোর মনিটরিং রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে। তালিকাভুক্ত নদীতে মাছ প্রজনন ও বিচরণের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন সমস্যা দূর করতে হবে। জাটকা নিধনকারীদের বিষয়ে সংবাদদাতাকে পাঁচ হাজার টাকা সম্মানী এবং জাটকা নিধনকারীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করতে হবে। ইলিশ নিয়ে যে গবেষণা হয়, তার বার্ষিক প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। ইলিশ মাছ সংরক্ষণের লাগসই প্রযুক্তি বের করতে হবে। নদী ও সাগরের শতভাগ জেলেকে জীবন বীমার আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাই।

মীর মো. কুতুব উদ্দিন

নুরুল্লাপুর, লক্ষ্মীপুর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা