• ই-পেপার

গোলটেবিলে বক্তারা

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চাই বাস্তবসম্মত ও বিজ্ঞানভিত্তিক কৌশল

আজকের খেলা

আজকের খেলা

কলম্বিয়া-ডিআর কঙ্গো (সকাল ৮টা)

সুইজারল্যান্ড-কানাডা (রাত ১টা)

ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড (ভোর ৪টা)

মেক্সিকো-চেক প্রজাতন্ত্র (কাল সকাল ৭টা)

এআই সামাজিক বন্ধনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
এআই সামাজিক বন্ধনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সঙ্গী, সামাজিক রোবট এবং চ্যাটবটগুলো দিন দিন মানুষের বন্ধু, উপদেষ্টা কিংবা জীবনসঙ্গীর জায়গা করে নিচ্ছে। তবে প্রযুক্তির এই উন্নত মাধ্যমগুলো সাময়িকভাবে একাকিত্ব কমাতে এবং তাৎক্ষণিক মানসিক সমর্থন দিতে পারলেও সত্যিকারের মানুষের মতো অনুভূতি ও নৈতিক দায়িত্ববোধ এগুলোর নেই। ফলে বাস্তব সম্পর্কের জায়গায় এআই-চালিত এই মিথস্ক্রিয়া আমাদের মানসিক সুস্থতা ও সামাজিক বন্ধনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

ডিজিটাইজেশনের এই যুগে এখন মানুষের সংজ্ঞাই বদলে যাচ্ছে। গবেষণা বলছে, ৬৮ শতাংশ ব্যবহারকারী এআই চ্যাটবটকে মানুষের মতো মনে করেন এবং এদের বুদ্ধিমত্তা ও সহানুভূতি রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন। রেপ্লিকা নামক একটি প্ল্যাটফর্মের বিশ্বজুড়ে চার কোটি ২০ লাখের বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে, যারা এটিকে একাকিত্ব দূর করার ডিজিটাল সঙ্গী হিসেবে ব্যবহার করছে। এই পরিবর্তনের ফলে সমাজে এক অভূতপূর্ব প্রভাব পড়ছে। জাপানের হিকিকোমোরি নামক সামাজিক বিচ্ছিন্নতার শিকার ১৫ লাখের বেশি মানুষ এখন ভার্চুয়াল সঙ্গীদের দিকে ঝুঁকছেন। এমনকি গেটবক্স-এর মাধ্যমে হাতসুনে মিকুর মতো হলোগ্রামকে বিয়ে করার জন্য হাজার হাজার মানুষ ম্যারেজ সার্টিফিকেটের আবেদনও করেছেন। এআই এখন শুধু একটি যন্ত্র নয়, অনেক সমাজে ধর্মীয় নেতার ভূমিকাও পালন করছে।

এআই বটগুলো অন্তহীন ধৈর্যশীল এবং সব সময় পাশে থাকে ঠিকই, কিন্তু তারা কখনোই মানুষের মতো খাঁটি সুখ দিতে পারে না। কারণ এগুলো শুধু সহানুভূতির ভান বা অনুকরণ করে, বাস্তবে তা অনুভব করে না। এগুলোর নিজস্ব কোনো স্বাধীন ইচ্ছা, নৈতিক বা আইনি দায়বদ্ধতা এবং বাস্তব জীবনের কোনো গল্প বা চেতনা নেই। একাকিত্ব দূর করার ক্ষেত্রে এআই সাময়িক সহায়ক হলেও, মানুষের সত্যিকারের কল্যাণের জন্য একে অন্যের মধ্যকার সংবেদনশীল ও দায়িত্বপূর্ণ বন্ধনই অপরিহার্য।

ফরাসি দার্শনিক পল রিকোরের মতে, প্রকৃত সুখ ও কল্যাণ মূলত পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল, যা ব্যক্তিগত ইচ্ছা, বন্ধুত্বের আদান-প্রদান এবং সমাজ বা প্রিয়জনদের সঙ্গে যুক্ত থাকার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। বিজ্ঞানও এই ধারণাকে সমর্থন করে। হার্ভার্ডের বিখ্যাত ৮০ বছরের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সম্পদ বা খ্যাতি নয়, বরং ঘনিষ্ঠ ও খাঁটি সম্পর্কই মানুষের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। সূত্র : উইয়ন নিউজ

হরমুজ পার হলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
হরমুজ পার হলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের আলোচনার পর ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন থেকে তেহরান পরিচালনা করবে। মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এ সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে গত রবিবার দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম দফার বৈঠক শুরু হয়। মধ্যস্থতাকারীরা জানিয়েছেন, এ আলোচনার পর গুরুত্বপূর্ণ ওই নৌপথ উন্মুক্ত রাখা এবং লেবাননে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ লড়াই বন্ধের বিষয়ে গত সোমবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক যোগাযোগব্যবস্থা চালু করতে সম্মত হয়েছে। ইরনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনা শেষে দেশে ফিরে গালিবাফ বলেন, হরমুজ প্রণালি আর কখনো যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরবে না। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটি এখন থেকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

জানা গেছে, সই করা চুক্তির অংশ হিসেবে তেহরান ওয়াশিংটনের কাছ থেকে কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পাবে। পাশাপাশি তাদের আটকে থাকা সম্পদ অবমুক্ত করা হবে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের ভুল-বোঝাবুঝি ও দুর্ঘটনা এড়াতে তেহরান ও ওয়াশিংটন একটি সার্বক্ষণিক যোগাযোগ লাইন স্থাপনে সম্মত হয়েছে।

এদিকে ওমান ও ইরান বলেছে, হরমুজ প্রণালি সম্পর্কিত সব ব্যবস্থায় তাদের সার্বভৌম অধিকারকে সম্পূর্ণরূপে সম্মান করতে হবে। মাস্কাটে মঙ্গলবার আলোচনার পর উভয় দেশ হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের জন্য একটি নিরাপদ ও উন্মুক্ত জলপথ হিসেবে সংরক্ষণে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌচলাচলের স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে।

নৌ অবরোধ ছাড়াই হরমুজ খোলা থাকবে : মার্কিন প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে বলেছেন, আর কোনো নৌ অবরোধ ছাড়াই হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে। তবে প্রয়োজন হলে ব্যবহারের জন্য সব জাহাজ যথাস্থানেই থাকছে। তিনি আরো দাবি করেছেন ইরান সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শনে সম্পূর্ণ ও পুরোপুরিভাবে সম্মত হয়েছে। তারা এতে রাজি না হলে আর কোনো আলোচনা হবে না। কিন্তু ইরান বলেছে, বোমা হামলায় বিধ্বস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে জাতিসংঘের পরিদর্শকদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

অবমুক্ত হতে যাওয়া অর্থ নিয়েও বিবাদ : চুক্তির আওতায় অবমুক্ত হতে যাওয়া অর্থের বিষয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, এই অর্থ দিয়ে ইরানকে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেই খাদ্য কিনতে হবে। কিন্তু ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে মুক্ত হওয়া নিজেদের অবরুদ্ধ তহবিল সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ করবে।

হরমুজে বন্দিদশা থেকে মুক্ত বাংলার জয়যাত্রা : চট্টগ্রাম থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনায় হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়ে ছিল বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ বাংলার জয়যাত্রা। পারস্য উপসাগরের সেই অবরুদ্ধ দশা আর অনিশ্চয়তার মেঘ কেটে গেছে। অবশেষে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিককে নিয়ে হরমুজ প্রণালি সফলভাবে অতিক্রম করেছে জাহাজটি। গতকাল ২৩ জুন বাংলাদেশ সময় ভোররাত ৩টায় জাহাজটি এই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ জলসীমা পার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক এক বার্তায় এই স্বস্তির খবর জানান। তিনি বলেন, এই দীর্ঘ বন্দিদশা থেকে মুক্তির পেছনে ছিল ক্রুদের অসীম সাহস, ধৈর্য এবং বিএসসির সময়োচিত কূটনৈতিক ও কৌশলগত প্রচেষ্টা।

বাংলার জয়যাত্রার এই যাত্রার শুরু হয়েছিল গত ২ ফেব্রুয়ারি। সেদিন ভারত থেকে পণ্য বোঝাই করে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। এরপর কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে পৌঁছায়। কিন্তু এর পরদিনই পুরো মধ্যপ্রাচ্যের চিত্র বদলে যায়।

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জাহাজটিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য অন্তত তিনবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা হয়েছিল। সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পর অবরুদ্ধ জলপথটি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য শিথিল করা হয়। আর এই সুযোগটিই কাজে লাগায় বাংলাদেশ। সব ধরনের আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২৩ জুন ভোরে হরমুজের বুকচিরে মুক্ত বাতাসে বেরিয়ে আসে জাহাজটি।

বিএসসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক ক্রুদের সাহসিকতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বর্তমানে বাংলার জয়যাত্রা সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের দিকে এগিয়ে চলেছে। সেখানে পৌঁছানোর পর জাহাজটিতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি নেওয়া হবে এবং ক্রুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জাহাজের কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। সূত্র : আল জাজিরা, রয়টার্স, ইরনা ও চট্টগ্রাম অফিস

তথ্য উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি না, নিষ্পত্তি হবে আদালতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি না, নিষ্পত্তি হবে আদালতে
ডা. জাহেদ উর রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বর্তমানে অনেক কিছু করে ফেলতে পারবে বলে সরকার মনে করে না। কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি না, তা আদালতের রায়ে নির্ধারিত হবে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ দলটা নিষিদ্ধ হবে কি না, সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটিতে)। তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল কি ছিল না, সেই বিচারের পর নির্ধারিত হবে। ওই (বিচার হওয়া পর্যন্ত) পর্যন্ত যেহেতু তারা বিচারাধীন থাকবে, সেই পর্যন্ত তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকবে সন্ত্রাস দমন আইন ২০০৯-এর অধীন। সুতরাং তাদের কর্মসূচি নিষিদ্ধ। এই দলটা এখন যেকোনো কর্মসূচি নিয়ে যদি মাঠে নামতে চায়, তাহলে সেটা আইন ভঙ্গকারী কাজ হবে। সুতরাং সরকার সেখানে ব্যবস্থা নেবে, এটাই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক দলগুলোর আসলে এখানে করার কিছু নেই। তারা সিম্বলিক্যালি হয়তো মাঠে আছে, তারা (আওয়ামী লীগ) বলছে, অনেক কিছু করে ফেলবে। আবার সেনাবাহিনী মাঠে দেওয়া মানে এই নয় যে, অনেক কিছু তারা (আওয়ামী লীগ) করে ফেলতে পারে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি না, আওয়ামী লীগের সেই রকম নৈতিক সাহসও আছে। অ্যাট লিস্ট একটা নৈতিক সাহস লাগে। আমরা একটা কথা বলি না, চোরের মায়ের বড় গলা। মানে আওয়ামী লীগের বড় গলা হতে হতে আমাদের সবার মেমোরি শেষ হয়ে যেতে হবে। সবার ডিমেনশিয়া হবে, তারপর কোনো দিন আওয়ামী লীগ আমাদের সামনে বড় গলা করে কথা বলতে পারবে। এর আগে আমার মনে হয় না। লুটপাটকারী, মাফিয়া, চোর-বাটপাড়ের আসলে খুব বেশি নৈতিক সাহস থাকে না।

সংবাদ সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য প্রসঙ্গ : বাংলার জয়যাত্রার হরমুজ প্রণালি পার হওয়া অনন্য দৃষ্টান্ত জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ১১৫ দিন পারস্য উপসাগরে আটকে থাকা বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করা বিশ্ব মেরিটাইম ইতিহাসে এক অনন্য ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের দৃষ্টান্ত। সীমাহীন সাহসিকতা, সুনিপুণ নৌ-কৌশল এবং সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনায় বাংলার জয়যাত্রা এক চরম সংকটময় পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবেলা করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কুয়ালালামপুর থেকে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি দুই দিন কর্মব্যস্ত সময় কাটাবেন। দালিয়ানের পর তিনি বেইজিং যাবেন। সেখানে চীনে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরের মূল কর্মসূচি শুরু হবে। মালয়েশিয়া সফরের সুনির্দিষ্ট অর্জন তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এমবিএফটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা এই সফরের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। দুই দেশ ২০২৭ সালের মধ্যে চুক্তিটি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) যোগদান এবং আসিয়ানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা জোরদারে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে মালয়েশিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, জনস্বার্থে নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে প্রতিটি গণপরিবহনে জিপিএস সংযুক্ত করা এবং গণপরিবহন পরিচালনার সময় সংযুক্ত জিপিএস বাধ্যতামূলকভাবে চালু রাখতে সরকার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ৬৪টি জেলাকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনার লক্ষ্যে সরকার নতুন করে আরো ১০টি জেলায় রেল সংযোগ স্থাপনের চূড়ান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জেলাগুলো হলো শেরপুর, মেহেরপুর, মাগুরা, সাতক্ষীরা, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও লক্ষ্মীপুর। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসীন।

 

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চাই বাস্তবসম্মত ও বিজ্ঞানভিত্তিক কৌশল | কালের কণ্ঠ