kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

ফোনে আড়ি পাতা

প্রতিরোধে বিটিআরসিকে আইনি নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিরোধে বিটিআরসিকে আইনি নোটিশ

ফোনালাপে আড়ি পাতা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী বিটিআরসি কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বিটিআরসিকে এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির গতকাল মঙ্গলবার এ নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে জবাব না পেলে কিংবা জবাব গ্রহণযোগ্য না হলে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিশির মনির।

নোটিশদাতা আইনজীবীরা হলেন অ্যাডভোকেট রেজওয়ানা ফেরদৌস, উত্তম কুমার বণিক, শাহ নাবিলা কাশফী, ফরহাদ আহমেদ সিদ্দীকী, মোহাম্মদ নওয়াব আলী, মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল, মুস্তাফিজুর রহমান, জি এম মুজাহিদুর রহমান মুন্না, ইমরুল কায়েস ও একরামুল কবির।

নোটিশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ফোনালাপ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ফোনালাপ, প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও রাজশাহী মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার নাজমুল হাসানের ফোনালাপসহ ২০১৩ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৬টি আড়ি পাতার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব ঘটনা উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়েছে, এসব আড়ি পাতার ঘটনা বাংলাদেশের গণমাধ্যমে বহুল প্রচারিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভাইরাল হয়েছে, যা আইনসম্মত নয়।

নোটিশে আরো বলা হয়েছে, সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। এ ছাড়া ২০১১ সালের ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি অ্যাক্ট ২০০১-এর ৩০(চ) ধারা অনুযায়ী টেলিযোগাযোগের একান্ততা রক্ষা নিশ্চিত করা এই কমিশনের দায়িত্ব। কিন্তু ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা অহরহ ঘটছে। অথচ সংবিধান ও আইন অনুযায়ী কমিশনের দায়িত্ব ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।