kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩ আগস্ট ২০২১। ২৩ জিলহজ ১৪৪২

‘লকডাউন’ বাড়ল আরো এক মাস

সরকারি-বেসরকারি সব অফিস খোলার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘লকডাউন’ বাড়ল আরো এক মাস

ঈদুল আজহা পর্যন্ত লম্বা হচ্ছে ‘লকডাউন’। এই হিসাব কষেই সরকারি ভাষায় ‘কঠোর বিধি-নিষেধ’ আরো এক মাস বাড়ানো হয়েছে। তবে টানা ৭৬ দিন পর স্বাভাবিক হচ্ছে সব ধরনের সরকারি ও বেসরকারি অফিস। আজ বৃহস্পতিবার থেকে সব ধরনের অফিস স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এত দিন সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ প্রয়োজনে স্বল্প পরিসরের লোকবল নিয়ে অফিস চালানোর নির্দেশ ছিল। গতকাল বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে নতুন এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

উপসচিব রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে আবাসিক হোটেলের বিষয়েও নতুন একটি বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। আগের প্রজ্ঞাপনগুলোতে শুধু হোটেল-রেস্তোরাঁয় অর্ধেক সক্ষমতা ব্যবহারের কথা উল্লেখ ছিল। এবার এই তালিকায় আবাসিক হোটেলকেও যুক্ত করা হয়েছে। তবে পর্যটন এলাকার হোটেলের ক্ষেত্রে বিষয়টি কার্যকর হবে না।

এর আগে এক সপ্তাহ, ১০ দিন মাত্রায় বিধি-নিষেধ বাড়ানো হচ্ছিল। এবার সেটা একসঙ্গে টানা এক মাস বাড়ানো হলো। একসঙ্গে এক মাস বিধি-নিষেধ বাড়ানোর ঘটনাও এটিই প্রথম। নতুন করে আগামী ১৫ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বিধি-নিষেধ বাড়ানো হয়েছে। সরকার নির্ধারিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী চাঁদ দেখা সাপেক্ষে কোরবানির ঈদ উদযাপিত হতে পারে ২১ জুলাই। এদিকে টানা ‘লকডাউনের’ শেষ দিন ১৫ জুলাই। পরের দুই দিন অর্থাৎ ১৬ ও ১৭ জুলাই সাপ্তাহিক ছুটির দিন। এরপর দুই দিন গেলেই ২০ জুলাই থেকে শুরু হবে ঈদের ছুটি। তাই ঈদ ঘিরে নতুন ‘লকডাউন’ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গতকাল মন্ত্রিপরিষদ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনার উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন জেলাগুলোর জেলা প্রশাসকরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের সংক্রমণ প্রতিরোধে বিধি মোতাবেক লকডাউনসহ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারবেন। সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করে খোলা থাকবে। সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। হোটেল, রেস্তোরাঁ ও দোকান সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খাবার অনলাইন ও অফলাইনে বিক্রি করতে পারবে এবং আসনসংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহীতাকে সেবা দিতে পারবে।

সব ধরনের গণপরিবহন যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করবে।

 



সাতদিনের সেরা