• ই-পেপার

মোদির সফর

মন্দিরে মিশনে দিনের শুরু

  • ভারতীয় অর্থায়নপুষ্ট ছয় প্রকল্প উদ্বোধন

দুনিয়া মাতানো ফুটবল বিশ্বকাপ

রোনালদোর জোড়া গোলে পর্তুগালের বড় জয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক
রোনালদোর জোড়া গোলে পর্তুগালের বড় জয়
উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোলের পর গত রাতে রোনালদোর বুনো উল্লাস। ছবি : টুইটার

সমালোচনার জবাব কিভাবে দিতে হয়, তা ভালো করেই জানা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর। বিশ্বকাপে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচের পর তাঁকে নিয়ে ঝড় বয়ে যাচ্ছিল চতুর্দিকে। গত রাতে হিউস্টনে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে সেই জবাব রোনালদো দিয়েছেন জোড়া গোল করে।

ম্যাচের ছয় মিনিটের সময়ই গোলের দেখা পেয়ে যান পর্তুগিজ তারকা। ডান পাশ থেকে জোয়াও কানসেলোর বাড়ানো বল ধরে গোলটি করেন রোনালদো। পর্তুগালের জার্সিতে সেটি ছিল তাঁর ১৪৪তম গোল। এবারের বিশ্বকাপে প্রথম। তবে আরেকটি জায়গায় ইতিহাসে নাম লেখান রোনালদো। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ছয়টি বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড গড়েছেন তিনি। তাতে পেছনে পড়েছে লিওনেল মেসির পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড। বয়সের দিক থেকেও রেকর্ডের পাতায় জায়গা করে নিয়েছেন রোনালদো। ক্যামেরুন কিংবদন্তি রজার মিলারের (৪২ বছর ৩৯ দিন) পর বিশ্বকাপে গোল করা সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার এখন তিনি। রোনালদো গোল করেছেন ৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে। বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচ গোলহীন ছিলেন তিনি। সমালোচনার তীরে তাই বিদ্ধ হচ্ছিলেন ব্যাপকভাবে। প্রথম গোলের পর রোনালদোর বুনো উল্লাসই বলে দিচ্ছিল, কতটা কাঙ্ক্ষিত ছিল এই গোলটি তাঁর কাছে। রোনালদোর গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই দ্বিতীয় গোলের উল্লাসে মাতে পর্তুগাল। এবার বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত ফ্রি কিকে গোল করেন নুনো মেন্দেস। প্রথমার্ধের ১৭ মিনিটের সময় তাঁর নেওয়া শটটি ঠেকানোর কোনো উপায়ই ছিল না উজবেকিস্তান গোলরক্ষক আবদুভোহিদ নেমাতভের।

এই সময় অবশ্য ব্যবধান কমিয়েছিল উজবেকিস্তান। বক্সের ২০ গজ দূর থেকে দারুণ এক গোল করেছিলেন আজিজ গানিয়েভ। তবে গোলের ঠিক আগে পর্তুগিজ ডিফেন্ডার জোয়াও কানসেলোকে ফাউল করায় ভিএআর পর্যালোচনার পর সেটি বাতিল হয়। ম্যাচে এগিয়ে থাকা পর্তুগাল তখন আরো গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। সেই ধারাবাহিকতায় পর্তুগালের তৃতীয় আর রোনালদোর দ্বিতীয় গোলটির দেখা মেলে ম্যাচের ৩৯ মিনিটের সময়। ব্রুনো ফার্নান্দেজের পাস থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন রোনালদো। তাতে বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলের (১০) মালিকও বনে যান তিনি। ৪১ বছর বয়সী রোনালদো ছাড়িয়ে যান পর্তুগিজ কিংবদন্তি ইউসেবিওকে (৯)। তিন গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া পর্তুগাল প্রথমার্ধের ছন্দ ধরে রেখে দ্বিতীয়ার্ধেও একের পর এক আক্রমণ চালায়। চতুর্থ গোলটি পেতেও তাই বেশি সময় লাগেনি। তবে আত্মঘাতী গোল ছিল সেটি। ৬০ মিনিটের সময় পর্তুগালের কর্নার কিক থেকে উজবেকিস্তানের ডি-বক্সে জটলা তৈরি হয়, সেখান থেকে গোলরক্ষক আবদুভোহিদ নেমাতভের আত্মঘাতী গোল। এরপর ৮৭ মিনিটে দলের পঞ্চম গোলটি করেন রাফায়েল লিও। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচটির পর এই জয় নিশ্চিতভাবে আত্মবিশ্বাস জোগাবে পর্তুগিজদের।     

আজকের খেলা

আজকের খেলা

কলম্বিয়া-ডিআর কঙ্গো (সকাল ৮টা)

সুইজারল্যান্ড-কানাডা (রাত ১টা)

ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড (ভোর ৪টা)

মেক্সিকো-চেক প্রজাতন্ত্র (কাল সকাল ৭টা)

এআই সামাজিক বন্ধনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
এআই সামাজিক বন্ধনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সঙ্গী, সামাজিক রোবট ও চ্যাটবটগুলো দিন দিন মানুষের বন্ধু, উপদেষ্টা কিংবা জীবনসঙ্গীর জায়গা করে নিচ্ছে। তবে প্রযুক্তির এই উন্নত মাধ্যমগুলো সাময়িকভাবে একাকিত্ব কমাতে এবং তাৎক্ষণিক মানসিক সমর্থন দিতে পারলেও সত্যিকারের মানুষের মতো অনুভূতি ও নৈতিক দায়িত্ববোধ এগুলোর নেই। ফলে বাস্তব সম্পর্কের জায়গায় এআই-চালিত এই মিথস্ক্রিয়া আমাদের মানসিক সুস্থতা ও সামাজিক বন্ধনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

ডিজিটাইজেশনের এই যুগে এখন মানুষের সংজ্ঞাই বদলে যাচ্ছে। গবেষণা বলছে, ৬৮ শতাংশ ব্যবহারকারী এআই চ্যাটবটকে মানুষের মতো মনে করেন এবং এদের বুদ্ধিমত্তা ও সহানুভূতি রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন। রেপ্লিকা নামক একটি প্ল্যাটফর্মের বিশ্বজুড়ে চার কোটি ২০ লাখের বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে, যারা এটিকে একাকিত্ব দূর করার ডিজিটাল সঙ্গী হিসেবে ব্যবহার করছে। এই পরিবর্তনের ফলে সমাজে এক অভূতপূর্ব প্রভাব পড়ছে। জাপানের হিকিকোমোরি নামক সামাজিক বিচ্ছিন্নতার শিকার ১৫ লাখের বেশি মানুষ এখন ভার্চুয়াল সঙ্গীদের দিকে ঝুঁকছেন। এমনকি গেটবক্স-এর মাধ্যমে হাতসুনে মিকুর মতো হলোগ্রামকে বিয়ে করার জন্য হাজার হাজার মানুষ ম্যারেজ সার্টিফিকেটের আবেদনও করেছেন। এআই এখন শুধু একটি যন্ত্র নয়, অনেক সমাজে ধর্মীয় নেতার ভূমিকাও পালন করছে। এআই বটগুলো অন্তহীন ধৈর্যশীল এবং সব সময় পাশে থাকে ঠিকই, কিন্তু তারা কখনোই মানুষের মতো খাঁটি সুখ দিতে পারে না। কারণ এগুলো শুধু সহানুভূতির ভান বা অনুকরণ করে, বাস্তবে তা অনুভব করে না। এগুলোর নিজস্ব কোনো স্বাধীন ইচ্ছা, নৈতিক বা আইনি দায়বদ্ধতা এবং বাস্তব জীবনের কোনো গল্প বা চেতনা নেই। একাকিত্ব দূর করার ক্ষেত্রে এআই সাময়িক সহায়ক হলেও, মানুষের সত্যিকারের কল্যাণের জন্য একে অন্যের মধ্যকার সংবেদনশীল ও দায়িত্বপূর্ণ বন্ধনই অপরিহার্য। ফরাসি দার্শনিক পল রিকোরের মতে, প্রকৃত সুখ ও কল্যাণ মূলত পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর নির্ভরশীল, যা ব্যক্তিগত ইচ্ছা, বন্ধুত্বের আদান-প্রদান এবং সমাজ বা প্রিয়জনদের সঙ্গে যুক্ত থাকার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। বিজ্ঞানও এই ধারণাকে সমর্থন করে। হার্ভার্ডের বিখ্যাত ৮০ বছরের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সম্পদ বা খ্যাতি নয়, বরং ঘনিষ্ঠ ও খাঁটি সম্পর্কই মানুষের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতার সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। সূত্র : উইয়ন নিউজ

হরমুজ পার হলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
হরমুজ পার হলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের আলোচনার পর ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এখন থেকে তেহরান পরিচালনা করবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এ সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে গত রবিবার দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম দফার বৈঠক শুরু হয়। মধ্যস্থতাকারীরা জানিয়েছেন, এ আলোচনার পর গুরুত্বপূর্ণ ওই নৌপথ উন্মুক্ত রাখা এবং লেবাননে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ লড়াই বন্ধের বিষয়ে গত সোমবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক যোগাযোগব্যবস্থা চালু করতে সম্মত হয়েছে। ইরনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনা শেষে দেশে ফিরে গালিবাফ বলেন, হরমুজ প্রণালি আর কখনো যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরবে না। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটি এখন থেকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। জানা গেছে, সই করা চুক্তির অংশ হিসেবে তেহরান ওয়াশিংটনের কাছ থেকে কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পাবে। পাশাপাশি তাদের আটকে থাকা সম্পদ অবমুক্ত করা হবে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের ভুল-বোঝাবুঝি ও দুর্ঘটনা এড়াতে তেহরান ও ওয়াশিংটন একটি সার্বক্ষণিক যোগাযোগ লাইন স্থাপনে সম্মত হয়েছে।

এদিকে ওমান ও ইরান বলেছে, হরমুজ প্রণালি সম্পর্কিত সব ব্যবস্থায় তাদের সার্বভৌম অধিকারকে সম্পূর্ণরূপে সম্মান করতে হবে। মাস্কাটে মঙ্গলবার আলোচনার পর উভয় দেশ হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের জন্য একটি নিরাপদ ও উন্মুক্ত জলপথ হিসেবে সংরক্ষণে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌচলাচলের স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে।

নৌ অবরোধ ছাড়াই হরমুজ খোলা থাকবে : মার্কিন প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে বলেছেন, আর কোনো নৌ অবরোধ ছাড়াই হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে। তবে প্রয়োজন হলে ব্যবহারের জন্য সব জাহাজ যথাস্থানেই থাকছে। তিনি আরো দাবি করেছেন ইরান সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শনে সম্পূর্ণ ও পুরোপুরিভাবে সম্মত হয়েছে। তারা এতে রাজি না হলে আর কোনো আলোচনা হবে না। কিন্তু ইরান বলেছে, বোমা হামলায় বিধ্বস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে জাতিসংঘের পরিদর্শকদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

অবমুক্ত হতে যাওয়া অর্থ নিয়েও বিবাদ : চুক্তির আওতায় অবমুক্ত হতে যাওয়া অর্থের বিষয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, এই অর্থ দিয়ে ইরানকে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেই খাদ্য কিনতে হবে। কিন্তু ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে মুক্ত হওয়া নিজেদের অবরুদ্ধ তহবিল সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ করবে।

হরমুজে বন্দিদশা থেকে মুক্ত বাংলার জয়যাত্রা : চট্টগ্রাম থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনায় হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়ে ছিল বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ বাংলার জয়যাত্রা। পারস্য উপসাগরের সেই অবরুদ্ধ দশা আর অনিশ্চয়তার মেঘ কেটে গেছে। অবশেষে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিককে নিয়ে হরমুজ প্রণালি সফলভাবে অতিক্রম করেছে জাহাজটি। গতকাল ২৩ জুন বাংলাদেশ সময় ভোররাত ৩টায় জাহাজটি এই গুরুত্বপূর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ জলসীমা পার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক এক বার্তায় এই স্বস্তির খবর জানান। তিনি বলেন, এই দীর্ঘ বন্দিদশা থেকে মুক্তির পেছনে ছিল ক্রুদের অসীম সাহস, ধৈর্য এবং বিএসসির সময়োচিত কূটনৈতিক ও কৌশলগত প্রচেষ্টা।

বাংলার জয়যাত্রার এই যাত্রার শুরু হয়েছিল গত ২ ফেব্রুয়ারি। সেদিন ভারত থেকে পণ্য বোঝাই করে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। এরপর কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে পৌঁছায়। কিন্তু এর পরদিনই পুরো মধ্যপ্রাচ্যের চিত্র বদলে যায়।

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জাহাজটিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য অন্তত তিনবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা হয়েছিল। সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পর অবরুদ্ধ জলপথটি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য শিথিল করা হয়। আর এই সুযোগটিই কাজে লাগায় বাংলাদেশ। সব ধরনের আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২৩ জুন ভোরে হরমুজের বুকচিরে মুক্ত বাতাসে বেরিয়ে আসে জাহাজটি।

বিএসসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক ক্রুদের সাহসিকতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বর্তমানে বাংলার জয়যাত্রা সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের দিকে এগিয়ে চলেছে। সেখানে পৌঁছানোর পর জাহাজটিতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি নেওয়া হবে এবং ক্রুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জাহাজের কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। সূত্র : আল জাজিরা, রয়টার্স, ইরনা ও চট্টগ্রাম অফিস

 

মন্দিরে মিশনে দিনের শুরু | কালের কণ্ঠ