• ই-পেপার

ক্রয়-বিক্রয়ের ইসলামী বিধান

কোরআন থেকে শিক্ষা

পর্ব-১১৪০

কোরআন থেকে শিক্ষা

আয়াতের অর্থ

শ্রেষ্ঠ কি তারা, না তুব্বা সম্প্রদায় ও তাদের পূর্ববর্তীরা? আমি তাদের ধ্বংস করেছিলাম, অবশ্যই তারা ছিল অপরাধী। আমি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং তাদের মধ্যে কোনো কিছুই ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। আমি এই দুটি অযথা সৃষ্টি করিনি, কিন্তু তাদের বেশির ভাগ তা জানে না। নিশ্চয়ই সবার জন্য নির্ধারিত রয়েছে তাদের বিচার দিবস।

(সুরা : দুখান, আয়াত : ৩৭-৪০)

আয়াতগুলোতে কওমে তুব্বা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

শিক্ষা ও বিধান

১. তুব্বা ইয়েমেনের শাসকদের উপাধি। যিনি তাবাবিয়া রাজ্যের অধিপতি হতেন তাঁকে তুব্বা বলা হতো। আয়াতে কওমে তুব্বা দ্বারা রাজ্য বা তার অধিবাসী উদ্দেশ্য।

২. তাবাবিয়ার শাসকরা ইয়েমেন, শেহর, হাদারামাউত শাসন করতেন। তাঁরা সমরকন্দ ও মদিনা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।

৩. হাদিসে একজন তুব্বা সম্পর্কে বলা হয়েছে, তোমরা তুব্বাকে গালি দিও না। কেননা সে মুমিন ছিল। আয়াতে তার গোত্রের সমালোচনা করা হলেও তার সমালোচনা করা হয়নি।

৪. ঐতিহাসিকরা লেখেন, একজন তুব্বা মদিনায় আক্রমণ করেছিল। কিন্তু শেষ নবী এখানে হিজরত করবেন জানতে পেরে সে মদিনাকে ধ্বংস করেনি।

৫. তাবাবিয়ার লোকেরা অগ্নি উপাসক ছিল। তারা এক আল্লাহর প্রতি ঈমানের আহবান প্রত্যাখ্যান করেছিল।

(তাফসিরে কুরতুবি : ১৯/১২৬)

 

প্রশ্ন-উত্তর

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

প্রশ্ন-উত্তর

নামাজে বসতে অক্ষম হলে করণীয়

প্রশ্ন : এক ব্যক্তি রুকু-সিজদাসহ নামাজের সব রুকন ঠিকভাবে আদায় করতে পারে, শুধু নামাজের মতো (নামাজে যেভাবে বসতে হয়) বসতে পারে না। ওই ব্যক্তি কিভাবে নামাজ আদায় করবে?

আতাউর রহমান, মিরপুর, ঢাকা

উত্তর : এমন অক্ষম ব্যক্তি, যে নামাজের মতো বসতে পারে না, সে যথানিয়মে রুকু-সিজদা আদায় করে যেকোনো সুরতে বসতে পারবে। (বুখারি : ১/১৪২, আল-বাহরুর রায়েক : ২/২০১, বাদায়েউস সানায়ে : ২/৯২)

 

ইসলামী পদ্ধতিতে পরিচালিত ব্যাংকে চাকরি

প্রশ্ন : সম্প্রতি আমি পড়ালেখা শেষ করেছি, এখন বিভিন্ন জায়গায় চাকরির আবেদন করছি। আমার জানার বিষয় হলো ইসলামী পদ্ধতিতে পরিচালিত ব্যাংকে চাকরি করা ইসলামের দৃষ্টিতে কি বৈধ হবে?

জাকির, নবাবগঞ্জ

উত্তর : যেহেতু ইসলামী পদ্ধতিতে পরিচালিত ব্যাংকগুলো সুদমুক্ত লেনদেনের দাবি করে এবং অভিজ্ঞ শরিয়া বোর্ড তার তত্ত্বাবধান করে; তাই তাদের দাবির বিপরীতে কিছু প্রমাণিত না হলে ওই ব্যাংকগুলোয় চাকরি করাকে নাজায়েজ বলা যাবে না। (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ২, ফাতহুল মুলহিম : ১/৬১৯, আল মসদরুস সাবেক : ১/৫৭৫)

দোয়া যেভাবে বদলে দেয় মানুষের জীবন

শাব্বির আহমদ
দোয়া যেভাবে বদলে দেয় মানুষের জীবন

মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন চারপাশে সব পথ বন্ধ মনে হয়। সামর্থ্য, সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা কিংবা যুক্তি কোনো কিছুই তখন আশার আলো দেখাতে পারে না। ঠিক সেই জায়গায়ই ইসলাম মানুষকে শিখিয়েছে এক বিস্ময়কর শক্তির কথা, যার নাম দোয়া। দোয়া শুধু কিছু শব্দ উচ্চারণের নাম নয়; এটি বান্দার অসহায়ত্বের স্বীকৃতি, রবের প্রতি পরম আস্থার প্রকাশ এবং ভাগ্যের অন্ধকারে আলো খোঁজার এক আধ্যাত্মিক সংগ্রাম। কোরআন ও হাদিসে দোয়াকে এমন মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, যা মুসলিম জীবনের কেন্দ্রীয় শক্তিতে পরিণত হতে পারে।

মহান আল্লাহ বলেন, তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।

(সুরা : গাফির, আয়াত : ৬০)

এই আয়াতে দোয়াকে শুধু অনুমতি দেননি; বরং আহবান জানিয়েছেন। দয়ময় প্রভু নিজেই মানুষকে ডেকে বলছেন, এসো, চাও, আমি দেব।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, দোয়াই হলো ইবাদত। (তিরমিজি, হাদিস : ২৯৬৯)

এই হাদিসের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনে রজব হাম্বলি (রহ.) বলেন, দোয়ার ভেতর বান্দার বিনয়, আশা, ভয়, ভালোবাসা ও আল্লাহর ওপর নির্ভরতার পূর্ণ প্রকাশ ঘটে। তাই দোয়া শুধু চাওয়ার বিষয় নয়; এটি ঈমানের গভীর প্রকাশও বটে। (জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম)

দোয়া মানুষের জীবনকে বদলে দেয়। কারণ যে ব্যক্তি নিয়মিত আল্লাহর কাছে হাত তোলে, সে ধীরে ধীরে অহংকার মুক্ত হয়। তার অন্তরে জন্ম নেয় ধৈর্য, ভরসা ও ইতিবাচক মানসিকতা। আধুনিক মনোবিজ্ঞানের বহু গবেষণায়ও দেখা যায়, গভীর প্রার্থনা মানুষের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং হতাশা মোকাবেলায় শক্তি জোগায়। ইসলাম সেই বাস্তবতাকে বহু আগেই আধ্যাত্মিক শিক্ষার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেছে।

পবিত্র কোরআনে নবীদের জীবনে দোয়ার অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। ইউনুস (আ.) যখন মাছের পেটের অন্ধকারে বন্দি, তখন সব মানবিক উপায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। সেই কঠিন অবস্থায় তিনি দোয়া করেছিলেন, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৮৭)

এরপর আল্লাহ বলেন, অতঃপর আমি তার ডাকে সাড়া দিলাম এবং তাকে দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি দিলাম। (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত: ৮৮)

এই আয়াত শুধু ইউনুস (আ.)-এর ঘটনা নয়; বরং প্রত্যেক মুমিনের জন্য আশা ও শিক্ষার বার্তা। যখন মানুষ নিজের অসহায়ত্ব স্বীকার করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, তখন অদৃশ্য দরজাগুলো খুলতে শুরু করে।

ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) দোয়ার প্রভাব সম্পর্কে বলেন, দোয়া বিপদ-আপদ প্রতিরোধ করে, নেমে আসা বিপদকে হালকা করে এবং অনেক সময় তা সম্পূর্ণ দূর করে দেয়।

(আদ-দা ওয়াদ-দাওয়া)

মানুষ সাধারণত দোয়াকে শুধু সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত করে দেখে। কিন্তু পবিত্র কোরআন আমাদের শেখায়, সুখের সময়েও আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সচ্ছল অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করো, তিনি কঠিন সময়ে তোমাকে স্মরণ করবেন। (তিরমিজি, হাদিস : ২৫১৬)

আজকের পৃথিবীতে মানুষ প্রযুক্তিগতভাবে যত উন্নত হচ্ছে, মানসিকভাবে তত অস্থির হয়ে পড়ছে। উদ্বেগ, হতাশা, একাকিত্ব ও আত্মিক শূন্যতা যেন আধুনিক সভ্যতার নিত্যসঙ্গী। ইসলাম এই সংকটের সমাধান হিসেবে মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার শিক্ষা দেয়। দোয়া সেই সম্পর্কের সবচেয়ে জীবন্ত মাধ্যম।

উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলতেন, আমি দোয়া কবুল হওয়া নিয়ে চিন্তিত নই; বরং আমি দোয়া করার তাওফিক পাওয়া নিয়েই বেশি চিন্তিত। কারণ যখন দোয়ার তাওফিক দেওয়া হয়, তখন কবুলের দরজাও খুলে যায়। (ইমাম বায়হাকি, শুআবুল ঈমান)

এই বক্তব্যে দোয়ার এক গভীর রহস্য নিহিত আছে। অনেক সময় মানুষ মনে করে, দোয়া করেও ফল পাচ্ছে না। অথচ ইসলাম শেখায়, কোনো দোয়াই বিফলে যায় না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোনো মুসলিম যখন আল্লাহর কাছে দোয়া করে, তখন আল্লাহ তাকে তিনটির একটি দান করেন; তাৎক্ষণিকভাবে তার দোয়া কবুল করেন, আখিরাতের জন্য সঞ্চয় করে রাখেন অথবা সমপরিমাণ বিপদ দূর করে দেন।

(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১১১৩৩)

সুতরাং দোয়া কখনো বৃথা যায় না; বরং তার ফল কখন, কিভাবে এবং কোন রূপে আসবে, সেটি আল্লাহর হিকমতের বিষয়।

আজ আমাদের পরিবারে অশান্তি, সমাজে অবিশ্বাস এবং ব্যক্তিজীবনে অস্থিরতা বাড়ছে। মানুষ সমাধান খুঁজছে নানা জায়গায়, অথচ আসমানের দরজায় কড়া নাড়ার অভ্যাস ক্রমেই কমে যাচ্ছে। যদিও তাহাজ্জুদের নীরব রাতে একটি অশ্রুসিক্ত দোয়া মানুষের বহু বছরের অন্ধকার দূর করে দিতে পারে।

দোয়া মানুষকে শুধু কিছু দেয় না; বরং মানুষকে নতুনভাবে গড়ে তোলে। এটি ভাঙা হৃদয়ে আশা জাগায়, হতাশগ্রস্ত মানুষকে সাহস দেয়, পাপী বান্দাকে তাওবার পথে ফিরিয়ে আনে এবং অসহায় মানুষকে আল্লাহর সান্নিধ্যের স্বাদ অনুভব করায়। তাই দোয়া মুমিনের জীবনে শুধু একটি আমল নয়; এটি তার আত্মার শক্তি, ঈমানের আলো এবং জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়।

ইসলামী অর্থনীতির নতুন দিগন্ত

তুরস্কে বিশ্ব ইসলামী অর্থনীতি সম্মেলন

আবরার আবদুল্লাহ
তুরস্কে বিশ্ব ইসলামী অর্থনীতি সম্মেলন

তুরস্কের বৃহত্তম নগরী ইস্তাম্বুলে চলতি সপ্তাহে তৃতীয় বৈশ্বিক ইসলামী অর্থনীতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে সম্মেলনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আজ ৩ থেকে ৬ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে ইসলামী অর্থনীতি ও অর্থায়ন খাতের আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং শিল্প খাতের নেতারা অংশ নেবেন। সম্মেলনটি ইস্তাম্বুল ফিন্যানশিয়াল সেন্টারে অবস্থিত হালকব্যাংকের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হলো ইসলামী অর্থনীতিতে মূলধন : টেকসই উন্নয়নের জন্য সম্পদের কাঠামো নির্মাণ। সম্মেলনে নৈতিক অর্থায়ন, বাস্তব অর্থনীতি, টেকসই উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।

আল বারাকা ফোরাম ফর ইসলামিক ইকোনমির উদ্যোগে এবং আল বারাকা সামিটস তুর্কি ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে আয়োজিত এ সম্মেলনে যৌথভাবে সহযোগিতা করছে তুর্কি প্রেসিডেন্টের বিনিয়োগ ও অর্থায়ন অফিস, তুর্কি ওয়েলথ ফান্ড (টিডব্লিউএফ), ইস্তাম্বুল ফিন্যানশিয়াল সেন্টার (আইএফসি), ইসলামিক কো-অপারেশন ইয়ুথ ফোরাম ও ইবনে হালবুন ইউনিভার্সিটি। আয়োজকদের আশা, এর মাধ্যমে বৈশ্বিক ইসলামী অর্থনীতি ও অংশীদারিভিত্তিক অর্থায়ন ব্যবস্থায় তুরস্কের কৌশলগত অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে।

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপটে ইসলামী অর্থনীতি মূলধনকে শুধু আর্থিক উপকরণ হিসেবে নয়, বরং নৈতিক দায়বদ্ধতা, সামাজিক কল্যাণ ও উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত একটি মূল্যবোধ হিসেবে বিবেচনা করে। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই সম্মেলনে মূলধনের ভূমিকা, কৌশলগত ব্যবহার এবং বিভিন্ন খাতে তার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা হবে।

সম্মেলনে উৎপাদনশীল মূলধনের প্রবাহ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়নকে সমর্থনকারী নৈতিক অর্থায়ন মডেল নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। আল বারাকা ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ সালেহ কামিল বলেন, এই সম্মেলন তাদের সেই বিশ্বাসের প্রতিফলন, যেখানে মূলধনকে শুধু মুনাফার উপকরণ নয়, বরং উৎপাদনশীল প্রবৃদ্ধি, সামাজিক ভারসাম্য ও টেকসই উন্নয়নের সেবায় নিয়োজিত হওয়া উচিত বলে মনে করা হয়।

চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সংস্থা, বৈশ্বিক ব্যাংকিং গ্রুপ, আর্থিক প্রযুক্তি খাতের নেতা ও শিক্ষাবিদদের অংশগ্রহণে অসংখ্য প্যানেল, সেমিনার ও কৌশলগত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনার বিষয়গুলোর মধ্যে আছে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মূলধনের প্রবাহ, ইসলামী ব্যাংকিং ও অংশীদারিভিত্তিক অর্থায়ন, ইসলামী পুঁজিবাজার ও সুকুক, ওয়াক্ফ ব্যবস্থা ও সামাজিক অর্থায়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল আর্থিক প্রযুক্তি, ফিনটেক ও ইসলামী ডিজিটাল বিনিয়োগ সরঞ্জাম, টেকসই উন্নয়ন ও নৈতিক বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসার অর্থায়ন, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংহতির মডেল।

সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ হবে আল বারাকা স্ট্র্যাটেজিক ইসলামিক ইকোনমি রিপোর্ট প্রকাশ। পাশাপাশি ১০ লাখ সৌদি রিয়াল মূল্যমানের সালেহ কামেল পুরস্কার প্রদান করা হবে। আয়োজকদের মতে, এই সম্মেলন শুধু একাডেমিক বা খাতভিত্তিক আলোচনা নয়; বরং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক MoU) স্বাক্ষর, নেটওয়ার্কিং সভা, অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান এবং গালা আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হবে।

তথ্যসূত্র : ডেইলি সাবাহ