• ই-পেপার

রাখাইনে হামলা চলছেই, সীমান্তে সতর্ক বিজিবি

মাতিয়েস কুনিয়াকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ব্রাজিল

মাতিয়েস কুনিয়াকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ব্রাজিল
ম্যাচের শুরুতে বক্সের মধ্যে মাতিয়েস কুনিয়াকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। কিন্তু স্পট কিকে ব্রুনো গিমারেসের শট ঝাঁপিয়ে ফেরান নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড। ছবি : রয়টার্স

উক্তি

উক্তি

প্রযুক্তি যেমন মানুষের জন্য আশীর্বাদ, তেমনি এর সঙ্গে নতুন ধরনের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

৩৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর

বাংলাদেশ পুলিশের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার ৩৩ কর্মকর্তাকে জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দিয়েছে সরকার। গতকাল রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন)-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে এই কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত তালিকায় থাকা ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম ও ডিআইজি মো. সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তারের পর বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের অনেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালে এসপি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নির্বাচনের পর তাঁদের পদোন্নতি দেয় তৎকালীন সরকার।

অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন ডিআইজি মিরাজ উদ্দিন আহমেদ, শাহ মিজান শাফিউর রহমান, এস এম মোস্তাক আহমেদ খান, জিহাদুল কবির, মঈনুল হক, মো. ইলিয়াছ শরীফ ও শ্যামল কুমার নাথ। এ ছাড়া তালিকায় রয়েছেন ডিআইজি মো. জাকির হোসেন খান, মো. শাহ আবিদ হোসেন, মো. জামিল হাসান, মো. মাহবুবুর রহমান ও মো. মনিরুজ্জামান। অতিরিক্ত ডিআইজির মধ্যে আছেন মো. বরকতউল্লাহ খান, টি এম মোজাহিদুল ইসলাম, মো. আনোয়ার হোসেন খান, মোহা. মনিরুজ্জামান, মো. মেহদুল করিম, মো. আলমগীর কবির, মো. রশীদুল হাসান ও সঞ্জয় কুমার কুণ্ডু। তা ছাড়া আছেন মো. নিজামুল হক মোল্লা, এস এম এমরান হোসেন, মো. সাইদুর রহমান খান, ড. শামসুন্নাহার, মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন, সাইফুল্লাহ আল মামুন, খান মুহাম্মদ রেজওয়ান, মো. সাজিদ হোসেন, শেখ রফিকুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আরেফ ও মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। অবসরে পাঠানো এই কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন। জানা গেছে, অবসরে পাঠানো সব কর্মকর্তাই ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর ওএসডি ছিলেন। তাঁদের অনেকের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।  অবসরে পাঠানোদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে বিতর্কিত নির্বাচনে বিশেষ ভূমিকা রাখা ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।  বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তা নির্বাচনের সময় পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদ ও কয়েকজন কয়েকটি জেলার এসপি ছিলেন। তাঁদের চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর তাঁদের অবসরে পাঠানো হলো।  অবসরে পাঠানোদের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালে ঢাকা জেলার এসপির দায়িত্বে ছিলেন শাহ মিজান শাফিউর রহমান। মিরাজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন  নরসিংদীর এসপি।  গাজীপুরের এসপি ছিলেন শামসুন্নাহার।  মাশরুকুর রহমান খালেদ ছিলেন  কিশোরগঞ্জের, ইলিয়াছ শরীফ ছিলেন নোয়াখালীর এসপি। এ ছাড়া আনোয়ার হোসেন খান ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার, জাকির হোসেন খান ছিলেন ফরিদপুরের, শাহ আবিদ হোসেন ছিলেন ময়মনসিংহের এসপি। ঠাকুরগাঁওয়ের এসপি ছিলেন মনিরুজ্জামান, সুনামগঞ্জের এসপি ছিলেন বরকতুল্লাহ খান। চুয়াডাঙ্গার এসপি ছিলেন মাহবুবুর রহমান। যশোরের এসপি ছিলেন মঈনুল হক ও খান মুহাম্মদ রেজোয়ান ছিলেন মাগুরার, রশীদুল হাসান জয়পুরহাট, মো. মনিরুজ্জামান সিলেটের এসপি ছিলেন।  পাবনার এসপি ছিলেন শেখ রফিকুল ইসলাম ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের এসপি ছিলেন টি এম মোজাহিদুল ইসলাম ও কুড়িগ্রাম জেলার এসপি ছিলেন মো. মেহেদুল করিম।

সরকারি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

বিশেষ প্রতিনিধি
সরকারি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে তৈরি ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে সরকার। বলা হয়েছে, ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) বা অন্য যেকোনো আঙ্গিকেও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করা যাবে না। একই সঙ্গে এসব প্রচারসামগ্রী তৈরির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রচারণার পরিবর্তে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু, উদ্দেশ্য ও বার্তাকে প্রাধান্য দিয়ে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গতকাল রবিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক বিশেষ পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি থ্রিডি বা অন্য যেকোনো আঙ্গিকে ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

পরিপত্রে আরো বলা হয়, সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড প্রস্তুতের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রচারণার চেয়ে অনুষ্ঠানের মূল বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দিতে হবে। এসব প্রচারসামগ্রীতে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, মূল বার্তা ও বিষয়বস্তু জনসাধারণের কাছে সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

বিষয়টিকে অতীব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে পরিপত্রে বলা হয়েছে, এই নির্দেশনা অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে।

পরিপত্রটির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সব মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিব, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, সব বিভাগীয় কমিশনার, দেশের সব জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) কাছে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সচিবদের তাঁদের নিয়ন্ত্রণাধীন সব দপ্তর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।