বুকপকেটে কিছু বৃষ্টি ধরে রাখতে চেয়েছিলাম। অথচ এখন, এক অনন্ত বর্ষা-অধ্যায়ে ডুবে গিয়ে হাবুডুবুদশা। ঝাপসা চোখে দেখা বৃষ্টির নিচে ব্রিজ। নাকি ব্রিজের তলায় বৃষ্টি! পৃথিবীর প্রতিটি শহরের প্রেমিকাদের ছুঁয়ে আসা মেঘদল আজ এখানেই ঝরছে কান্না হয়ে জাহাঙ্গীরনগরের বটতলা বসে আছে দেখি দুপুর আড়াইটার ইস্কাটনে। 'ফিরে এসো মৌন আকুলতা'র এই শ্রাবণ দীর্ঘ বাক্যালাপ ভেঙেচুরে, উঠে গিয়ে, ফিরে এসে, বিষ ও বিষয় হাতে ঢুকে পড়তে চাইছে বাথরুমে। অরুণ ও অরুন্ধতীর কবিতাটা কোথাও খুঁজে না পেয়ে মনে হলো হিজলের ফুলবিছানো ছায়ায় আমি স্বব্ধতাভাঙা জলের ছলাৎ এখনো পারিনি হতে কথানৌকাদের আজ থেকে বাতাসে ভাসাব, তরঙ্গভুবন খুঁজে সিমিলার ফ্রিকোয়েন্সি আছে যার, শুধু তার কানেই বাজবে। শুধু বিশ্বাসখানি দ্বিখণ্ডিত হয় বলে ধর্ম ও বিশ্বাস ভুলে গিয়ে পাশাপাশি আবার দাঁড়াব আমরা। তোকে ডাকব মনসায়রের পানসি, অরুন্ধতী, তুই আমাকে অরুণ। তোকে ডাকব মৌন আকুলতা এমনকি যখন মায়াহরিণ ও আমি একা হাঁটব আপাততুচ্ছ যাপনের সব কিছু নিয়ে তখন ভালোবাসার মতো সহজ এক আলো সন্ধের কার্নিশ বেয়ে গলে পড়বে আমার কবিতায়, আমি প্রকৃতিকে অন্তর্লীন করে নিয়ে কবিতায় আমার, ঝরাহিজলদলের পাতালতলের জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকব, ভেজা গায়ে, ভেজা চোখে...পত্রলেখা, জলের শব্দে এবার আমি পত্র লিখব পবিত্রতা ও পরমতসহিষ্ণুতার কাছে... আর ভেজাজামাগায়ে থেকে আমার জ্বর এসে যাবে!