kalerkantho

সোমবার । ৬ আশ্বিন ১৪২৭ । ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৩ সফর ১৪৪২

নবম-দশম শ্রেণি । বিজ্ঞান

১০ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দ্বিতীয় অধ্যায়

জীবনের জন্য পানি

 

জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

১। বিশুদ্ধ পানির pH মান কত?

উত্তর : ৭।

২। কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?

উত্তর : ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায়।

৩। বর্জ্য পদার্থ কত দিনের মধ্যে পচতে শুরু করে?

উত্তর : ১-২ দিনের মধ্যে।

৪। আমাদের প্রয়োজনের কত ভাগ আমিষ মাছ থেকে আসে?

উত্তর : ৮০ ভাগ।

৫। সাধারণত নদ-নদীর পানির pH মান কত?

উত্তর : ৬-৮।

 

অনুধাবনমূলক

১। পানিকে উভধর্মী পদার্থ বলে কেন?

উত্তর : পানি এসিড ও ক্ষারের মতো আচরণ করে বলে পানিকে উভধর্মী পদার্থ বলে।

সাধারণত উভধর্মী পদার্থ কখনো এসিড, আবার কখনো ক্ষারের মতো কাজ করে। পানি এসিডের সংস্পর্শ পেলে ক্ষার, আবার ক্ষারের সংস্পর্শ পেলে এসিডের মতো কাজ করে। তাই পানিকে উভধর্মী পদার্থ বলে।

২। বিশুদ্ধ পানির দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর : বিশুদ্ধ পানির দুটি বৈশিষ্ট্য হলো :

ক) বিশুদ্ধ পানি বর্ণহীন, গন্ধহীন, স্বাদহীন।

খ) বিশুদ্ধ পানির pH মান ৭।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন

রাফি সাহেবের বয়স ৫০ বছর। ছোটবেলা থেকেই তিনি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরের একটি এলাকায় বাস করেন। ছোটবেলায় দেখতেন, নদীর পানি বেশ স্বচ্ছ ছিল। নদীতে কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা, টোপাপানা ছিল। কিন্তু বছর দশেক আগে থেকেই রাফি দেখলেন, নদীর পানি কালো আর দুর্গন্ধযুক্ত হতে শুরু করেছে। আগের সেই জলজ উদ্ভিদও নেই।

ক) পানির স্ফুটনাংক কত?

খ) নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয় কেন?

গ) রাফি সাহেব ছোটবেলায় যে ধরনের উদ্ভিদ দেখতেন সেগুলোর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।

ঘ) রাফি সাহেবের দেখা নদীর দূষণ রোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে?

উত্তর

ক) পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

খ) বিভিন্ন কারণে নদীর গতিপথের পরিবর্তন ঘটে। সাধারণত নদীতে বাঁধ দিলে পানির গতিপথ বদলায়। এ ছাড়া নদীভাঙন ও নতুন চর ওঠার কারণেও পানিপ্রবাহের পথ পরিবর্তন হয়ে যায়।

গ) রাফি সাহেবের দেখা জলজ উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য হলো—

১) মূল খুব ছোট এবং মূলরোম থাকে না।

২) মূলের অগ্রভাগে মূলাধার বা মূলথলি থাকে।

৩) এদের ফুল সাধারণত উজ্জ্বল বর্ণবিশিষ্ট হয়।

৪) পাতা বড়, গোলাকার ও লম্বা বোঁটাযুক্ত।

৫) পাতার ওপরের পৃষ্ঠ মোমজাতীয় পদার্থ দ্বারা আবৃত থাকে।

৬) এরা অঙ্গজ উপায়ে বংশবিস্তার করে।

৭) এরা শরীর দিয়ে পানি শোষণ করতে পারে।

ঘ) রাফির দেখা নদীর দূষণ রোধে যে ব্যবস্থাগুলো নেওয়া যেতে পারে তা হলো—

১) নদীর তীরে গড়ে ওঠা শিল্প-কারখানা থেকে সৃষ্ট বর্জ্যমিশ্রিত পানি আগে পরিশোধন করে তারপর বিশুদ্ধ পানিটা নদীতে ফেলতে হবে।

২) প্রতিটি কারখানায় বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা বা ইটিপি বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৩) শিল্প-কারখানার কঠিন বর্জ্য নদী থেকে দূরে মাটিচাপা দিতে হবে।

৪) নদীতে ত্রুটিপূর্ণ জলযান চলাচল নিষিদ্ধ করতে হবে।

৫) নদীতে চলাচল করে এমন নৌকা, লঞ্চ, জাহাজ থেকে মলমূত্র জলযানে ধরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

 

গ্রন্থনা : এম জাহিদুল ইসলাম

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা