kalerkantho

বুধবার । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭। ১২ আগস্ট ২০২০ । ২১ জিলহজ ১৪৪১

সৃজনশীল প্রশ্ন

এইচএসসি প্রস্তুতি । বাংলা দ্বিতীয় পত্র

নূরে মোস্তফা বাবু, প্রভাষক, বাংলা বিভাগ, নটর ডেম কলেজ, ঢাকা

১১ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এইচএসসি প্রস্তুতি । বাংলা দ্বিতীয় পত্র

বাংলা উচ্চারণের নিয়ম

[গতকালের পর]

প্রশ্ন-৫. ‘মধ্য-অ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো।

উত্তর :

নিচে মধ্য-অ ধ্বনির পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ দেওয়া হলো—

ক.  মধ্য ‘অ’-এর পরে ‘ই’ বা ‘উ’ ধ্বনি থাকলে সেই অ-এর উচ্চারণ সংবৃত বা ও-এর মতো হয়। যেমন—কাকলি > কাকোলি, জলধি > জলোধি, সকরুণ > শকোরুন্।

খ.  মধ্য অ-এর পরের ধ্বনিতে ঋ-কার থাকলে সেই ‘অ’ ও-রূপে উচ্চারিত হয়। যেমন—লোকনৃত্য >  লোকোনৃতেতা, উপবৃত্ত  > উপোবৃতেতা।

গ.  মধ্য ‘অ’ এর পরের ধ্বনিতে য-ফলা থাকলে সেই অ-এর উচ্চারণ ‘ও’ এর মতো হয়। যেমন—অদম্য > অদোমেমা, অসহ্য > অশোজেঝা, অগম্য > অগোমেমা ইত্যাদি।

ঘ.  মধ্য ‘অ’ এর পরে ক্ষ, জ্ঞ-এর দুটো যুক্ত ব্যঞ্জনের যেকোনো একটি থাকলে সেই ‘অ’ ও-রূপে উচ্চারিত হয়। যেমন—অদক্ষ> অদোকেখা, অবজ্ঞা > অবোগ্গাঁ, বিশেষজ্ঞ >  বিশেশোগেগাঁ।

ঙ.  মধ্য অ-এর আগে অ, আ, এ, ও—এই চারটি স্বরধ্বনির যেকোনোটি থাকলে সেই ‘অ’ ও-রূপে উচ্চারিত হয়। যেমন—কমল > কমোল্, কানন > কানোন্, বেতন > বেতোন্, ওজন > ওজোন্

প্রশ্ন-৬. ‘অ’ ধ্বনির বিকৃত/সংবৃত উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখো।

উত্তর :

‘অ’ ধ্বনির বিকৃত/সংবৃত উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম নিচে দেওয়া হলো—

 

ক.  আদ্য ‘অ’ এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে সে অ-এর উচ্চারণ সাধারণ ও-কারের মতো হয়ে যায়। যেমন—অক্ষ > ওকেখা, রক্ষা > রোক্খা, কক্ষ > কোকেখা, লক্ষ > লোকেখা ইত্যাদি।

খ.  শব্দান্তে যুক্তবর্ণ থাকলে অন্তিম ‘অ’ ও-কারের মতো উচ্চারিত হয়। যেমন—শক্ত > শকেতা, প্রাপ্ত > প্রাপেতা ইত্যাদি।

গ.  একাক্ষর শব্দের আদ্য ‘অ’ এর পরে দন্ত্য ‘ন’ থাকলে আদ্য ‘অ’ সংবৃত হয়। যেমন—মন > মোন্, বন > বোন্ ইত্যাদি।

ঘ.  শব্দের প্রথমে ‘অ’ যুক্ত র-ফলা (  ্র) থাকলে সে ক্ষেত্রেও আদ্য ‘অ’ এর উচ্চারণ ‘ও’ কারের মতো হয়ে থাকে। যেমন—দ্রব্য > দ্রেবেবা, প্রভাত > প্রোভাৎ ইত্যাদি।

ঙ.  মধ্য ‘অ’ এর আগে ‘এ’ থাকলে ‘অ’ ও-কাররূপে উচ্চারিত হয়। যেমন—বেতন > বেতোন্, কেতন > কেতোন্ ইত্যাদি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা