kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

জানা-অজানা

হার্টবিট

[নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বইয়ের তৃতীয় অধ্যায়ে হার্টবিটের কথা উল্লেখ আছে]

২২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হার্টবিট

মানুষের হৃিপণ্ড একটি নির্দিষ্ট ছন্দে স্পন্দিত হয়। একে হৃত্স্পন্দন বা হার্টবিট বলে। হৃিপণ্ড এই স্পন্দনের মাধ্যমে মানুষের শরীরে রক্ত প্রবাহিত করে।

একজন সুস্থ মানুষের প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার হৃত্স্পন্দন হয়। শিশুদের জন্য এটি বেশি, প্রতি মিনিটে ১০০ থেকে ১৪০ বার। হাতের কবজিতে তিন আঙুল (অনামিকা, মধ্যমা ও তর্জনী) রেখে মধ্যমা আঙুল দিয়ে এই হৃত্স্পন্দন অনুভব করা যায়। হাত ছাড়াও বুকের বাঁ দিকে নির্দিষ্ট স্থানে স্টেথোস্কোপ বসিয়েও শোনা যায় এর শব্দ।

হৃিপণ্ড এক মিনিটে যতবার স্পন্দিত হয়, তাকে পালস রেট বা পালসের গতি বলে। পালস ‘নাড়ি’ নামেও পরিচিত। কবজিতে পালস পাওয়া না গেলে কণ্ঠনালির পাশে হৃত্স্পন্দন দেখা যেতে পারে। এ ছাড়া সরাসরি বুকে কান পেতেও হার্টবিট শোনা যায়।

পালসের গতি দেখতে হয় ঘড়ি ধরে। পরিশ্রম করলে, ঘাবড়ে গেলে, ভয় পেলে, তীব্র যন্ত্রণা হলে কিংবা জ্বর হলে পালসের গতি বেড়ে যায়।

পালসের গতি খুব দ্রুত ও অনিয়ন্ত্রিত হলে বুঝতে হবে যে হৃিপণ্ডের সমস্যা আছে। প্রতি মিনিটে পালসের গতি ৬০-এর কম হতে পারে হার্ট ব্লক বা জন্ডিসের কারণে।                                    

ব্যায়াম করলে বা মানসিকভাবে উত্তেজিত থাকলে পালসের গতি বেড়ে যায়। একে স্বাভাবিক ধরে নিতে হবে। ঘুমানো অবস্থায় ও রাতে নিদ্রার পর সকালে পালসের গতি কম হতে পারে। এ অবস্থাকেও চিকিৎসকরা স্বাভাবিক বলে মনে করেন।           ► আব্দুর রাজ্জাক

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা