kalerkantho

রবিবার। ৩ মাঘ ১৪২৭। ১৭ জানুয়ারি ২০২১। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

শুরুতে হাসো

১০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



♦    পল্টু রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল।

ভিখারি তার হাত ধরে বলল, ‘অন্ধকে দুটি টাকা দিয়ে সাহায্য করুন বাবা।’

মফিজ : তুমি তো এক চোখে দেখতে পাও।

ভিখারি : তাইলে এক টাকা দেন বাবা।

 

♦    এক কম্পাউন্ডার ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করল, ‘আচ্ছা ডাক্তার সাহেব, সব রোগীকেই পরীক্ষা করার আগে কেন জিজ্ঞেস করেন, ওদের কী কী খাওয়ার অভ্যাস?’

ডাক্তার : ওরে, ওটা জেনেই তো বুঝতে পারি কে গরিব আর কে বড়লোক।

 

♦    শিক্ষক : এই লাবু, পড়া বল।

লাবু : স্যার, হবে না।

শিক্ষক : হবে না মানে? আজ আমি তোর কান ছিঁড়ে নেব।

লাবু : কান ছিঁড়বেন না স্যার! তাহলে আমি চোখে দেখতে পারব না।

শিক্ষক : কেন?

লাবু : আমার ছোটবেলা থেকেই চোখের সমস্যা। এ জন্য চশমা ব্যবহার করতে হয়। কান নিলে চশমার ডাঁটি ধরবে কে?

 

♦    বোন : ভাইয়া, এবার আমাকে একটা কফি কালারের শাড়ি কিনে দেবে।

ভাই : ওকে।

বোন : সেই তখন থেকে হুঁ হুঁ করছ কেন?

ভাই : কফি হট হবে না কোল্ড হবে, চিনি হবে না চিনি ছাড়া হবে, সেটাই ভাবছি।

 

♦    গরুর রচনা লেখানোর আগে শিক্ষক অনেক পয়েন্ট বললেন। সবাই বুঝতে পেরেছে কি না জানার জন্য তিনি একটা ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন—

স্যার : আচ্ছা, তোমার পায়ে কী?

ছাত্র : জুতা, স্যার।

স্যার : জুতা কী থেকে তৈরি হয়?

ছাত্র : চামড়া থেকে।

স্যার : চামড়া কোথায় পাওয়া যায়?

ছাত্র : গরুর গা থেকে।

শিক্ষক : (খুশি হয়ে) আচ্ছা, এখন বলো দেখি, কোন সে জীব, যে তোমাদের পায়ের জুতা জোগায় আবার নানা খাবার জিনিসও সরবরাহ করে?

ছাত্র : আমার আম্মা-আব্বা, স্যার।

মন্তব্য