kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

দ্রুততম মানবীর গল্প

৮ মার্চ নারী দিবস। এই বিশেষ দিনটিকে সামনে রেখে ক্যাম্পাসের এক চ্যাম্পিয়ন অ্যাথলেটের কথা জানাচ্ছেন মোবারক আজাদ

৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দ্রুততম মানবীর গল্প

মাহজবীন শুচী। বরগুনার মেয়ে। পড়ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের চতুর্থ বর্ষে। এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মেয়েদের মধ্যে তিনি চ্যামিপয়ন ও দ্রুততম মানবী হয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ তাঁর। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে ছিলেন জুনিয়র ন্যাশনাল অ্যাথলেটিকস টিমের খেলোয়াড়। স্কুলে ভলিবল, ক্রিকেট ও হ্যান্ডবল টিমের ক্যাপ্টেনও ছিলেন। খেলেছেন উপজেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে।

শুচীর বাবা মো. মোখলেছুর রহমান পুলিশে কর্মরত। মা জান্নাতুল ফেরদৌসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। দুই বোনের মধ্যে শুচী বড়। ছোটবেলা থেকেই মায়ের অনুপ্রেরণায় খেলার প্রতি ভালোবাসা তাঁর। ২০১২ সালে বরগুনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০১৪ সালে বরগুনা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ২০১৬ সালে। পরের বছরই চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার হয়ে বাংলাদেশ গেমসে খেলেছেন। গত বছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ভলিবল টিমের তিনি নিয়মিত সদস্য।

পড়াশোনা ও খেলাধুলার পাশাপাশি শুচী কাজ করছেন কোয়ান্টাম, বিএনসিসি, অঙ্গন, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাইকেলিস্ট ক্লাবসহ আরো কিছু সংগঠনে। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায় বিভাগীয় ফলাফলেও নিজ ব্যাচে তাঁর বর্তমান অবস্থান শীর্ষে। শুচী জানান, ‘অনেক অভিভাবকই মনে করেন খেলাধুলা করলে লেখাপড়ার ক্ষতি হয়। আসলে বিষয়টি এমন নয়; বরং পরিমিত খেলাধুলা শিক্ষার্থীর মনোবল বাড়াতে সাহায্য করে।’ ক্রীড়া বিষয়ে বৃত্তি নিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী তিনি। এর পর তৃণমূল পর্যায়ের কিশোর-কিশোরী অ্যাথলেটদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে চান। আর স্বপ্ন দেখেন কোনো একদিন বাংলাদেশ অলিমিপকে গোল্ড মেডেল জিতুক। তা যদি অ্যাথলেটিকসে হয়, তাহলে তো কথাই নেই!

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা