kalerkantho

শনিবার । ২৭ আষাঢ় ১৪২৭। ১১ জুলাই ২০২০। ১৯ জিলকদ ১৪৪১

একাদশ-দ্বাদশ
পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র

তেজস্ক্রিয়তা

পরমাণুর মডেল ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞান অধ্যায়ে তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে বিশদ আলোচনা আছে। এ নিয়ে কিছু টুকরো আলোচনা করছেন মাহবুব আলম রিয়াজ

৩০ মে, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



 তেজস্ক্রিয়তা

তেজস্ক্রিয়তা কী

তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের ঘটনাকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। যার একক হলো বেকেরেল (Bq)। এটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত নিউক্লীয় ও স্বাভাবিক ঘটনা।  

 

তেজস্ক্রিয় পদার্থ

যেসব মৌল নিজ থেকে অন্য মৌলে রূপান্তরিত হয় তারা মূলত তেজস্ক্রিয় মৌল। পর্যায় সারণির যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর বেশি তারাই মূলত তেজস্ক্রিয় পদার্থ।

 

তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে যে ধরনের কণা ও রশ্মি নির্গত হয় তা হলো—আলফা কণা, বিটা কণা, গামা রশ্মি।

 

আলফা কণা

এটি একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এটি ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা, যার আধান 3.2 x 10-19 কুলম্ব। এ কণার ভর হাইড্রোজেন পরমাণুর চার গুণ (6.694 x 10-27 kg)। আর ভর বেশি হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতা কম। এ কণা জিংক-সালফায়েড পর্দায় প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।

 

বিটা কণা

এটি ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা, যার আধান 1.6 x 10-19 কুলম্ব। এর ভর ইলেকট্রনের সমান অথÆvr 9.1 x 10-31 kg। এটি চৌম্বক ও তড়িেক্ষত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। এটিও প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।

 

গামা রশ্মি

এটি নিরপেক্ষ আধানবিশিষ্ট রশ্মি এবং তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ। এর কোনো ভর নেই। এটি চৌম্বক ও তড়িেক্ষত্র দ্বারা বিচ্যুত হয় না। এর বেগ আলোর বেগের সমান তথা 3 x 108 ms-1

 

ভরের বিবেচনায় তিনটি কণা বা রশ্মির মাঝে সম্পর্ক হবে (বেশি হতে কম) আলফা কণা > বিটা কণা > গামা রশ্মি।

ভেদন ক্ষমতার বিবেচনায় তিনটি কণা বা রশ্মির মাঝে সম্পর্ক হবে : গামা রশ্মি > বিটা কণা > আলফা কণা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা