kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩০ আষাঢ় ১৪২৭। ১৪ জুলাই ২০২০। ২২ জিলকদ ১৪৪১

অষ্টম শ্রেণি ► বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : প্রথম অধ্যায়

১৪ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

 

বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন ও ঔপনিবেশিক শাসনের পটভূমি :

১। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে বাংলার উত্তরাংশ দখল করেন কে?

উত্তর : ভারতের মৌর্য সম্রাট অশোক।

২। মৌর্যদের পর ভারতে প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সাম্রাজ্য?

উত্তর : গুপ্ত সাম্রাজ্য।

৩। কত শতকে উত্তর বাংলা ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে?

উত্তর : চার শতকে।

৪। গুপ্তদের পতনের পর কে রাজ্য শাসন করেন?

উত্তর : শশাঙ্ক।

৫। সপ্তম শতকে প্রথম কোন বাঙালি শাসক কর্তৃক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর : শশাঙ্ক।

৬। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর কত বছর ধরে বাংলায় অরাজকতা চলতে থাকে?

উত্তর : এক শ বছর।

৭। মাৎস্যন্যায় কোন ভাষার শব্দ?

উত্তর : সংস্কৃত।

৮। পাল রাজারা কত বছর ধরে শাসন করেন?

উত্তর : প্রায় চার শ বছর।

৯। বাংলার সিংহাসন দখলকারী সেন রাজারা কোথা থেকে আসেন?

উত্তর : ভারতের কর্ণাটক থেকে।

১০। সেনদের শাসনের অবসান ঘটে কাদের হাতে?

উত্তর : বহিরাগত মুসলিমদের হাতে।

১১। তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজি কাকে পরাজিত করেন?

উত্তর : রাজা লক্ষ্মণ সেনকে।

১২। ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজির শাসনকাল কত?

উত্তর : ১২০৪ থেকে ১২০৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

১৩। বাংলার তিনটি অংশে মুসলিম সুলতানরা প্রতিষ্ঠা করেন—

উত্তর : তিনটি প্রদেশ বা বিভাগ।

১৪। বিভাগগুলোকে ফারসি ভাষায় কী বলা হতো?

উত্তর : ইকলিম।

১৫। পূর্ব বাংলায় ইকলিম কী নামে পরিচিত ছিল?

উত্তর : সোনারগাঁ।

১৬। ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ দিল্লির মুসলমান সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন কত সালে?

উত্তর : ১৩৩৮ সালে।

১৭। ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ শাসনকর্তা ছিলেন—

উত্তর : সোনারগাঁয়ের।

১৮। বাংলার স্বাধীন সুলতানি শাসনের অবসান ঘটে কত সালে?

উত্তর : ১৫৩৮ সালে।

১৯। মোগল সম্রাট হুমায়ুন কত সালে উত্তর বাংলার গৌড় দখল করেন?

উত্তর : ১৫৩৮ সালে।

২০। হুমায়ুনকে প্রথমে বাংলা ও পরে ভারত থেকে বিতাড়িত করেন কে?

উত্তর : আফগান শাসক শের খান।

২১। সম্রাট আকবরের সময় ১৫৭৬ সালে পশ্চিম বাংলা ও উত্তর বাংলার অনেকটা অংশ কাদের অধিকারে আসে?

উত্তর : মোগলদের।

২২। পূর্ব বাংলার জমিদাররা কী নামে পরিচিত ছিল?

উত্তর : বারোভুঁইয়া।

২৩। আকবরের সেনাপতি ছিলেন—

উত্তর : মানসিংহ।

২৪। মানসিংহ অনেকবার চেষ্টা করেও কাকে পরাজিত করতে পারেননি?

উত্তর : বারোভুঁইয়াদের নেতা ঈশা খাঁকে।

২৫। চূড়ান্তভাবে বারোভুঁইয়াদের পরাজিত করেন কে?

উত্তর : মোগল সুবেদার ইসলাম খান চিশতি।

২৬। জাহাঙ্গীরনগর কার নামানুসারে নামকরণ হয়?

উত্তর : তৎকালীন দিল্লির সম্রাট জাহাঙ্গীরের।

২৭। বিদেশি মোগল শাসন চলে কত শতক পর্যন্ত?

উত্তর : আঠারো শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

২৮। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে কোন শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে?

উত্তর : মোগল শাসনের।

 

বাংলায় ইউরোপীয়দের বাণিজ্য বিস্তার

২৯। পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা দক্ষিণ ভারতের কালিকট বন্দরে পৌঁছেন কত সালে?

উত্তর : ১৪৯৮ সালে।

৩০। ভাস্কো-দা-গামা ভারতে আসেন কী জন্য?

উত্তর : বিশ্ববাণিজ্য বিস্তারের জন্য।

৩১। ভারত মহাসাগরের কর্তৃত্ব অধিকার করেন কোন নাবিক?

উত্তর : আল বুকার্ক।

৩২। ‘ওয়েস্টফালিয়ার চুক্তি’ হয় কত সালে?

উত্তর : ১৬৪৮ সালে।

৩৩। ১৬৮০ থেকে ১৬৮৩ সালের এই সময়ের মধ্যে শুধু বাংলা থেকে ইংল্যান্ডে রপ্তানি আয় হয় কত?

উত্তর : দুই লক্ষ পাউন্ড বা তৎকালীন হিসাবে আঠারো লক্ষ টাকা।

৩৪। বার্নিয়ে কোন দেশের পর্যটক?

উত্তর : ফরাসি।

৩৫। ইংরেজ কম্পানিগুলোর গভর্নর হিসেবে হুগলি আসেন কে?

উত্তর : উইলিয়াম হেজেজ।

৩৬। হেজেজ ইংল্যান্ডের কাকে বুঝিয়ে স্বদেশ থেকে সৈন্য এনে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেন?

উত্তর : ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় জেমসকে।

 

বাংলায় ঔপনিবেশিক শক্তির বিজয়ের কারণ

৩৭। সিরাজউদ্দৌলা কত বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন?

উত্তর : মাত্র ২২ বছর।

৩৮। নবাব আলিবর্দী খানের মৃত্যুর পর সিংহাসনে কে আরোহণ করেন?

উত্তর : আলিবর্দী খানের নাতি সিরাজউদ্দৌলা।

৩৯। ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলার কী হন?

উত্তর : বড় খালা।

৪০। সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে তৃতীয় কোন পক্ষ সক্রিয় ছিল?

উত্তর : বণিক শ্রেণি।

৪১। ক্ষমতাবান বণিকরা কোথা থেকে এসেছিল?

উত্তর : রাজপুতনা।

 

ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির শোষণ ও ব্রিটিশ শাসনের প্রভাব

৪২। ইংল্যান্ডে ‘দ্য ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি’ স্থাপিত হয় কত সালে?

উত্তর : ১৬০০ সালে।

৪৩। দ্য ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি হুগলিতে বাণিজ্যকুঠি স্থাপন করে কত সালে?

উত্তর : ১৬৫১ সালে।

৪৪। ডাচ্ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি বাংলায় আসে কত সালে?

উত্তর : ১৬৩০ সালে।

৪৫। ফরাসিরা বাংলায় প্রবেশ করে কত সালে?

উত্তর : ১৬৬৪ সালে।   

            গ্রন্থনা : এম এম মুজাহিদ উদ্দীন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা