• ই-পেপার

ইলন মাস্ককে টপকে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক ব্রেইন চিপ চীনের ‘নিও’

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত

অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের মুজাফফরাবাদের কাছে উড্ডয়নের সময় সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে।

বার্তা সংস্থা ডন বলছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে রাশিয়ায় নির্মিত এমআই-১৭ পরিবহন হেলিকপ্টারে এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে এবং হেলিকপ্টারে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন বলে জানায় আইএসপিআর।

এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধার ও পুনরুদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। তবে হেলিকপ্টারে থাকা কোনো ব্যক্তিকে জীবিত পাওয়া যায়নি।

এদিকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে একটি তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে কারিগরি ত্রুটির সুনির্দিষ্ট কারণ খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানায় আইএসপিআর।

পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরসহ সেনাবাহিনীর সব পর্যায়ের সদস্যরা নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে খাইবার পাখতুনখোয়ার মোহমান্দ জেলায় খারাপ আবহাওয়ার কারণে একটি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলট ও তিন ক্রু সদস্য প্রাণ হারান।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন

অনলাইন ডেস্ক
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায় ঘোষণা করেছেন। ৪০ জনের মন্ত্রিসভায় কার হাতে কোন দপ্তর থাকছে, তা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার।

মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দুর হাতে থাকছে স্বরাষ্ট্র এবং পার্বত্য, ভূমি ও ভূমি সংস্কার, ত্রাণ এবং উদ্বাস্তু পুনর্বাসন, বিদ্যুৎ দপ্তর, তথ্য ও সংস্কৃতি এবং প্রশাসনিক সংস্কার  মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া যেগুলো বাকি মন্ত্রীদের মধ্যে বণ্টিত হচ্ছে না, সেগুলোও থাকছে মুখ্যমন্ত্রী হাতেই।

গত ৯ মে রবীন্দ্রজয়ন্তীতে ব্রিগেড ময়দানে শুভেন্দুর সঙ্গে মন্ত্রীপদে শপথ নিয়েছিলেন। সেখানে পাঁচজন—নিশীথ প্রামাণিক, দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরে ১ জুন শপথগ্রহণ করেন আরো ৩৫ জন। 

পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টনের পর নিশীথ পেয়েছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন ও কৃষি বিপণন মন্ত্রণালয় পেয়েছেন দিলীপ। অগ্নিমিত্রার হাতে থাকছে পুর ও নগরোন্নয়নের দায়িত্ব। অশোককে দেওয়া হয়েছে খাদ্য ও সরবরাহ এবং সমবায় মন্ত্রণালয়। ক্ষুদিরাম পেয়েছেন আদিবাসী ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদরাসা শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। 

পর্যটন ও পরিষদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন শিলিগুড়ির শঙ্কর ঘোষ। শিল্প ও বাণিজ্য পেয়েছেন তাপস রায়। অচিরাচরিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, সরকারি উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠনও দেওয়া হয়েছে তাঁকে। অর্থ দেওয়া হয়েছে স্বপন দাশগুপ্তকে।

জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা। স্কুলশিক্ষা, আবাসন, ক্ষুদ্র-কুটির-মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্রে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন দীপক বর্মণ। কৃষিমন্ত্রী হয়েছেন বীরভূমের দীর্ঘ দিনের বিজেপি নেতা দুধকুমার মণ্ডল। পাশাপাশি অর্জুন সিংহকে শ্রম এবং পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মনোজ ওরাওঁ পেয়েছেন বন এবং পরিবেশের দায়িত্ব।

পূর্ত মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন অজয় পোদ্দার। গৌরীশঙ্কর ঘোষ পেয়েছেন অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়ন, জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার মন্ত্রণালয়। তথ্য-প্রযুক্তি ও বৈদ্যুতিন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এবং উদ্যানপালনের মন্ত্রী হলেন কল্যাণ চক্রবর্তী। অরূপকুমার দাস হলেন সেচ ও জলপথ মন্ত্রী।

গত ১ জুন তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মালতি রাভা রায়কে নারী ও শিশুকল্যাণ, সমাজকল্যাণ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, স্বনিযুক্তি, প্রকল্প পর্যবেক্ষণের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। রাজেশ মাহাতো হলেন প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী। ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ, উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে ইন্দ্রনীল খাঁকে।

অন্য দিকে, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রীর কে কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন, তাও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। 

প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু পেয়েছেন আদিবাসী উন্নয়ন। প্রতিমন্ত্রী হরেকৃষ্ণ বেরাকে দেওয়া হয়েছে উচ্চশিক্ষা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন আনন্দময় বর্মণ। আবাসনের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে কলিতা মাজিকে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন সুমনা সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা স্বরাষ্ট্র  মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে বিশাল লামাকে। অশোক দিন্ডাকে করা হয়েছে কৃষিবিপণন, ক্ষুদ্র-কুটির-মাঝারি শিল্প, বস্ত্র শিল্পের প্রতিমন্ত্রী।

তেলের দাম নিয়ে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
তেলের দাম নিয়ে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র
রয়টার্স ছবি

পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ও বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বার্তা সংস্থা সিএনএন এক প্রতিবেদনে বলছে, জুন ও জুলাই মাসজুড়ে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় মূল্য ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৫ ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ)। 

সংস্থাটির নতুন পূর্বাভাস অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ সংকট আরো তীব্র হতে পারে। ফলে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বর্তমান প্রায় ৯১ ডলার এবং যুদ্ধ শুরুর আগের প্রায় ৭০ ডলারের তুলনায় অনেক বেশি অবস্থানে থাকবে।

আগামী কয়েক সপ্তাহে তেল রপ্তানি সীমিত থাকবে এবং উৎপাদন ও মজুদ কমে আসবে—এমন ধারণার ভিত্তিতেই এই মূল্য পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে বলেও জানায় ইআইএ ।

প্রতিবেদনে জ্বালানি বিশ্লেষকদের একাংশও একই ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছেন। মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগানের মতে, হরমুজ প্রণালি চলতি মাসেই পুনরায় চালু হলেও তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুডের গড় মূল্য ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৪ ডলার থাকতে পারে।

ইআইএ’র এই পূর্বাভাস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক দাবির সঙ্গে কিছুটা সাংঘর্ষিক। ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পন্ন হলে বিশ্ববাজারে তেল ও জ্বালানির দাম দ্রুত কমে যাবে। তিনি বারবার দাবি করেছেন, এমন একটি চুক্তি খুব শিগগিরই হতে যাচ্ছে। তবে সরকারি পূর্বাভাসে এখনো উচ্চমূল্যের ইঙ্গিতই দেওয়া হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি মূল্য নিয়েও নতুন পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে ইআইএ। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে দেশটিতে গ্যাসোলিনের গড় মূল্য প্রতি গ্যালন ৩ দশমিক ৯০ ডলার এবং পরের বছর ৩ দশমিক ৬৪ ডলার হতে পারে। মে মাসে প্রকাশিত পূর্ববর্তী প্রতিবেদনের তুলনায় এই পূর্বাভাস সামান্য বেশি।

তবে ইআইএ বলছে, বৈশ্বিক চাহিদা কিছুটা কমে যাওয়ায় জ্বালানির দাম আরো বেশি বাড়েনি। উচ্চমূল্যের কারণে ভোক্তাদের মধ্যে ব্যয় কমানো, জ্বালানির সীমিত প্রাপ্যতা এবং এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি সাশ্রয়ী উদ্যোগ গ্রহণের ফলে চাহিদা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ তেল উৎপাদনের পূর্বাভাসও সামান্য বাড়ানো হয়েছে। নতুন হিসাব অনুযায়ী, দেশটির দৈনিক তেল উৎপাদন ১ কোটি ৩৭ লাখ ব্যারেলে পৌঁছাতে পারে। 

এর আগে ইআইএ উৎপাদন প্রায় অপরিবর্তিত থেকে দৈনিক এক কোটি ৩৬ লাখ ব্যারেল থাকবে বলে ধারণা দিয়েছিল।

যে শর্তে কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা?

অনলাইন ডেস্ক
যে শর্তে কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা?

পশ্চিবঙ্গ বিধানসভায় মহাবিপর্যয়ের পর টালমাটাল তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)। বিধানসভা ও লোকসভায় ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছেন টিএমসি সর্বভারতীয় সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠকে অংশ নিতে দিল্লিতে থাকাকালীন শর্ত সাপেক্ষে কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা, এমন গুঞ্জন চাউর হয়েছে। তৃণমূল এবং কংগ্রেসের সংযুক্তিকরণ নিয়ে ইতিমধ্যেই দুই দলের শীর্ষস্তরে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী,একটি সূত্র জানিয়েছে, কংগ্রেসের তরফ থেকে মমতাকে যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব চরম দুঃসময়ে মমতাকে গ্রহণ করে, তাহলে রাজ্যের নেতৃত্ব কি আদৌ সেই সিদ্ধান্ত মানবে, এমন প্রশ্ন উঠেছে।

রাজ্যের কংগ্রেস কর্মীরা এত দিন তৃণমূলের দ্বারা অত্যাচারিত, তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী হিসাবে মানবেন? এ প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

প্রদেশের একটা অংশ মনে করছেন, মমতাকে দলে নেতার বা এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তৃণমূল সুপ্রিমোর হাত ধরার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এই সময় মমতাকে সঙ্গে নেওয়ার অর্থ, তৃণমূলের ১৫ বছরের দুর্নীতি, অপশাসনের দায় নিজেদের গায়ে মাখা। 

অধীর চৌধুরী, আবদুল মান্নানের মতো প্রবীণ নেতারা এই দলে। আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমার কংগ্রেস নেতৃত্বের ওপর আস্থা রয়েছে। নো অ্যালায়েন্স উইথ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ একই সুর অধীরেরও। তিনি বলছেন, ‘যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় কংগ্রেস ভাঙিয়েছিলেন, তাঁকেই এবার গান্ধী পরিবারের কাছে গিয়ে হাতে-পায়ে ধরতে হচ্ছে। পাপের ফল ভোগ করতে হবেই।’

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের সুর তুলনায় নরম। তিনি বলছেন, যদি কেউ দলে আসতে চান, তাহলে তাকে আগে মেনে নিতে হবে যে রাহুল গান্ধীই কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেতা এবং দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখ।

আরেক প্রবীণ নেতা শুভঙ্কর বলেন, ‘রাহুল গান্ধীকে ভাবী প্রধানমন্ত্রী মেনে নিয়ে যারাই কংগ্রেসে আসবেন তাদের প্রত্যেককে স্বাগত।’ 

বস্তুত তৃণমূলে ভাঙন যত বাড়ছে, ততই যেন কংগ্রেসের সঙ্গে নৈকট্য বাড়ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এক দিন আগে ১০ জনপথে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন সোনিয়া গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

বুধবার (১০ জুন) রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই দলের দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে প্রায় ঘণ্টা দেড়েকের বৈঠক হয়। পরপর দুই দিন দুই দলের সর্বোচ্চ স্তরের নেতাদের বৈঠক ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।