• ই-পেপার

পবন কল্যাণের জনসেনা আরো শক্তিশালী হলো তেলেঙ্গানায়

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় চার বিদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি এবং দুজন সিরীয় নাগরিক রয়েছেন।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির (এনএনএ) বরাতে এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা আলজাজিরা

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান নাবাতিয়েহ জেলার আব্বা ও আল-দুওয়াইর শহরের মধ্যবর্তী ওয়াতা আব্বা এলাকার আল-মাশাল অঞ্চলে দুই দফা বিমান হামলা চালায়। এ হামলায় চার বিদেশি নাগরিক আহত হন।

তবে আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।

এনএনএ আরো জানিয়েছে, একই সময়ে নাবাতিয়েহ জেলার জেবশিত এবং আর্নুন শহরেও ইসরায়েলি বাহিনী বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ চালিয়েছে।

লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হামলার ঘটনা বেড়েছে। বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরো অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।

এদিকে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধে তাদের প্রধান শর্তগুলোর একটি হলো সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, যার মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত।

লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, শত্রুপক্ষকে দ্রুত লেবাননের জনগণের ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে এবং লেবাননের দখলকৃত অঞ্চল খালি করে আন্তর্জাতিক সীমান্তের পেছনে ফিরে যেতে হবে। একই সঙ্গে লেবাননের ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে স্বীকৃতি দিতে হবে।

লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারে আইআরজিসির হুঁশিয়ারি

অনলাইন ডেস্ক
লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারে আইআরজিসির হুঁশিয়ারি
রয়টার্স ছবি

লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের বরাতে এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা আলজাজিরা

প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধে তাদের প্রধান শর্তগুলোর একটি হলো সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, যার মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত।

লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, শত্রুপক্ষকে দ্রুত লেবাননের জনগণের ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে এবং লেবাননের দখলকৃত অঞ্চল খালি করে আন্তর্জাতিক সীমান্তের পেছনে ফিরে যেতে হবে। একই সঙ্গে লেবাননের ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে স্বীকৃতি দিতে হবে।

লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ বেড়েছে, যা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম
রয়টার্স ছবি

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি বৃহত্তর চুক্তির আশা বেড়ে যাওয়ায় এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায় কমেছে তেলের দাম। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, জিএমটি সময় ১০টা ২২-এ ব্রেন্ট ফিউচারস ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ১.১৪ ডলার বা ১.২ শতাংশ কমে ৯৬.৬৭ ডলারে নেমে আসে। 

অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৯০ সেন্ট বা ০.৯ শতাংশ কমে ৯৫.১২ ডলারে দাঁড়ায়।

এর আগে কুয়েতে ইরানের হামলা এবং হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন সামরিক হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হওয়া এই দাম প্রায় দুই শতাংশ বেড়েছিল। তবে একদিনের ব্যবধানে আজ আবারও কমেছে তেলের দাম।

দক্ষিণ চীন সাগরে রহস্যময় কাঠামো মুহূর্তেই উধাও!

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ চীন সাগরে রহস্যময় কাঠামো মুহূর্তেই উধাও!

প্রশান্ত মহাসাগরের এক গুরুত্বপূর্ণ বলয়ে অবস্থিত দক্ষিণ চীন সাগর। অর্থনীতি, কূটনীতি ও রাজনীতির দিক থেকে সাগরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলের স্কারবোরো শোল এলাকায় রহস্যময় একটি কাঠামোর উপস্থিতি প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও তা দৃশ্যমান হওয়ার পরপরই উধাও হয়ে গেছে। এ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট ছবিতে প্রবালপ্রাচীরটির লেগুন প্রবেশমুখে একটি সন্দেহজনক কাঠামো দেখা গেলেও কয়েক দিনের মধ্যে সেটি অদৃশ্য হয়ে যায়, যা চীনের কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা ২৭, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের স্যাটেলাইট ছবিতে স্কারবোরো শোলের লেগুনের প্রবেশপথের কাছে একটি ভাসমান ভেলা বা বয়াসদৃশ বস্তু দেখা যায়।

বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ভ্যানটরের বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এটি কোনো স্থায়ী বা আধা-স্থায়ী কাঠামো হতে পারে।

এ ছাড়া ২৭ ও ২৯ মে তোলা ছবিতে লেগুনের মুখজুড়ে একটি বাধার মতো বস্তুও দেখা যায়, যা প্রবেশপথ আংশিকভাবে আটকে রেখেছিল বলে মনে হয়।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিলাইট গত ২৮ মে তোলা আরেকটি স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে। সেখানে একটি ছোট প্রতিফলকধর্মী বস্তু দেখা গেছে, যা সাময়িক আলোক প্রতিফলনের ফল নয়, বরং স্থায়ী কোনো কাঠামো হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তবে ১ জুন তোলা পরবর্তী স্যাটেলাইট ছবিতে ওই কাঠামোর কোনো অস্তিত্ব দেখা যায়নি। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, সেটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অথবা অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও ম্যানিলায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

তদন্তে ফিলিপাইন

রহস্যময় বস্তুটির বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে ফিলিপাইন। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো তেওদোরো জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত শাংরি-লা ডায়ালগ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় তিনি এ বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য পেয়েছেন এবং বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে।

এর আগে গত এপ্রিল মাসেও স্যাটেলাইট ছবিতে স্কারবোরো শোলের প্রবেশমুখে চীনা জাহাজ এবং একটি ভাসমান বাধা দেখা গিয়েছিল। তখন ফিলিপাইন দাবি করেছিল, প্রায় ৩৫২ মিটার দীর্ঘ একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক স্থাপন করা হয়েছে, যা লেগুনে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টার অংশ।

দীর্ঘ বিরোধ

চীনে ‘হুয়াংইয়ান দাও’ এবং ফিলিপাইনে ‘বাজো দে মাসিনলোক’ নামে পরিচিত দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যতম বিতর্কিত অঞ্চল স্কারবোরো শোল। সমৃদ্ধ মৎস্যসম্পদ, সম্ভাব্য তেল-গ্যাস মজুত এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এলাকাটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২০১২ সালে চীন ও ফিলিপাইনের জাহাজের মধ্যে অচলাবস্থার পর থেকে প্রবালপ্রাচীরটি কার্যত চীনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরপর থেকেই চীনা কোস্টগার্ড ও ফিলিপাইনের জেলেদের মধ্যে একাধিকবার উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত রায় দিয়েছিল যে স্কারবোরো শোলে চীনের অবরোধ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। তবে আদালত সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। চীন সেই রায় প্রত্যাখ্যান করে এবং এখনো দক্ষিণ চীন সাগরের অধিকাংশ অংশের ওপর নিজেদের দাবি বজায় রেখেছে।

আঞ্চলিক উত্তেজনা

বিশ্লেষকদের মতে, স্কারবোরো শোলে রহস্যময় কাঠামোর উপস্থিতি এবং দ্রুত অদৃশ্য হয়ে যাওয়া দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কার্যক্রম নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি ফিলিপাইন ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামুদ্রিক মহড়ার পর এলাকাটিতে চীনের টহল কার্যক্রমও জোরদার হয়েছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের ঘটনাকে ঘিরে ভুল হিসাব বা ভুল বোঝাবুঝি বড় ধরনের কূটনৈতিক কিংবা সামরিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। ফলে দক্ষিণ চীন সাগরের এই বিরোধপূর্ণ অঞ্চল আবারও আন্তর্জাতিক নজরদারির কেন্দ্রে চলে এসেছে।