• ই-পেপার

যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন

বিক্ষোভে ২০ জনের বেশি নিহত, অচল পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীর

অনলাইন ডেস্ক
বিক্ষোভে ২০ জনের বেশি নিহত, অচল পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীর
ছবি: রয়টার্স

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে শুরু হওয়া দেশব্যাপী বিক্ষোভে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অচল হয়ে পড়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহের বিক্ষোভে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। ফলে এই অঞ্চলে অস্থিরতা বিরাজ করছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএএসি সমর্থকদের সংঘর্ষ ইসলামাবাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ভারত-শাসিত কাশ্মীরে ভিন্নমত দমনের জন্য দিল্লির সমালোচনা করলেও, এখন নিজেদের নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরেই জনরোষের মুখে পড়েছে পাকিস্তান।

অঞ্চলটির ৪৫ আসনের আইনসভার ২৭ জুলাইয়ের নির্বাচনকে ঘিরে অস্থিরতা শুরু হয়। এর অন্যতম কারণ ছিল ভারত-শাসিত কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষণ। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জেএএসি ৯ জুন ধর্মঘটের ডাক দেয়। বর্তমানে এসব শরণার্থী পাকিস্তানে বসবাস করছেন।

সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, ৬ থেকে ১৪ জুনের মধ্যে সহিংসতায় অন্তত ২০ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত এবং আরো কয়েক ডজন আহত হয়েছেন। আঞ্চলিক পুলিশ প্রধান লিয়াকত আলী মালিক জানান, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে চার পুলিশ সদস্য নিহত, ৯৭ জন আহত হয়েছেন এবং ৫১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফারাবাদ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) দক্ষিণে রাওয়ালকোটের উপকণ্ঠে এখন হাজার হাজার জেএএসি সমর্থক অবস্থান করছেন। এর জবাবে সরকার প্রধান সড়কগুলো বন্ধ করে দেয়, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং কাশ্মীরের বেশিরভাগ অংশে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার সীমিত করেছে।

মুজাফফারাবাদের আপার আড্ডা বাণিজ্যিক এলাকায় দিনমজুররা একটি লাল ইটের স্মৃতিস্তম্ভের নিচে বসে কাজের অপেক্ষা করছেন, কিন্তু এখনো কোনো কাজের সুযোগ আসেনি।

প্রত্যন্ত গ্রামের ২৭ বছর বয়সী দিনমজুর ইখলাক আহমেদ বলেন, ‘৯ জুন থেকে আমি এক টাকাও আয় করতে পারিনি।’ একসময় দিনে মুদি দোকান ও রাতে খাবারের দোকানের ভিড়ে সরগরম থাকা আপার আড্ডা এখন প্রায় নিস্তব্ধ।

ওষুধের দোকান ও কিছু মুদি দোকান সীমিত সময়ের জন্য খুলতে শুরু করলেও বেশিরভাগ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এখনো বন্ধ রয়েছে। কিছু ফল ও সবজি বিক্রেতা সতর্কতার সঙ্গে ব্যবসায় ফিরেছেন। সরকারের ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট সেবা স্থগিতের কারণে এটিএম ও ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাংকগুলো। সরকারি নির্দেশে পেট্রোল স্টেশনও বন্ধ রাখা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও শ্রমজীবীরা। মোটরসাইকেল ট্যাক্সিচালক আসিফ নাজ বলেন, ‘ধনীরা হয়তো এই অবস্থা সামলাতে পারবে, কিন্তু আমাদের মতো সাধারণ শ্রমিকদের জন্য এটি আত্মঘাতী পরিস্থিতি।’


 

ব্রিটেনে আড়াই লাখ নারী যৌন নির্যাতনের শিকার, বেশির ভাগ অপরাধীই পাকিস্তানি পুরুষ

অনলাইন ডেস্ক
ব্রিটেনে আড়াই লাখ নারী যৌন নির্যাতনের শিকার, বেশির ভাগ অপরাধীই পাকিস্তানি পুরুষ
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাজ্যে শিশু ও কিশোরীদের ওপর সংঘবদ্ধ যৌন নির্যাতনের ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ২১৮ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদনে ব্রিটিশ এমপি রুপার্ট লো দাবি করেন, গত কয়েক দশকে অন্তত আড়াই লাখ মেয়ে ‘গ্রুমিং গ্যাং’-এর সহিংসতার শিকার হয়েছে। এসব অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিদের বেশির ভাগই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পুরুষ। 

এই প্রতিবেদনটি যুক্তরাজ্যের সরকার বা পার্লামেন্টের কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তের অংশ নয়, বরং এটি এমপি লো-এর নিজস্বভাবে প্রকাশ করা একটি রিপোর্ট। যুক্তরাজ্যে ‘গ্রুমিং গ্যাং’ বলতে এমন একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রকে বোঝানো হয়, যারা মূলত অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের টার্গেট করে। তাদের অনেকেই সুবিধাবঞ্চিত,পারিবারিক সমস্যা, দারিদ্র্য বা সামাজিক ঝুঁকিতে থাকা মেয়ে। প্রথম ধাপে অপরাধীরা তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং ধীরে ধীরে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে। তারা ভালোবাসা, যত্ন বা সম্পর্কের ভান করে মেয়েদের প্রভাবিত করে। এরপর ধীরে ধীরে এসব মেয়েদের যৌন নির্যাতনের চক্রে জড়িয়ে ফেলা হয়। একপর্যায়ে তারা ভয়, চাপ এবং মানসিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আটকে পড়ে। কিছু ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় নিয়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে হস্তান্তরের অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো দাবি করা হয়েছে, এসব ঘটনার শিকারদের বড় একটি অংশ শ্বেতাঙ্গ মেয়ে। এ ছাড়া অভিযোগ করা হয়েছে যে দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাজ্যের সরকার এই সমস্যাকে সঠিকভাবে গুরুত্ব দেয়নি। অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, তারা সাহায্যের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে গেলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাননি। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, তাদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়নি। ইয়াহু নিউজের একটি ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আড়াই লাখ ভুক্তভোগীর যে সংখ্যা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হচ্ছে, তার পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। তবে সংখ্যাগত বিতর্কের বাইরে গিয়ে লোর প্রতিবেদনে ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, তারা দীর্ঘ সময় ধরে যৌন নির্যাতন, ভয়ভীতি, হুমকি এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

রুপার্ট লো জানান, এই প্রতিবেদন তৈরিতে এক বছরের বেশি সময় লেগেছে এবং এতে প্রায় ৬ লাখ পাউন্ড ব্যয় হয়েছে। সরকারি অর্থায়নের পরিবর্তে জনসাধারণের অনুদানের মাধ্যমে এই প্রকল্প পরিচালিত হয়। এর আগে যুক্তরাজ্যে এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে একাধিক তদন্ত হয়েছে। এর মধ্যে ‘জে ইনকোয়ারি’ এবং ‘টেলফোর্ড ইনকোয়ারি’ উল্লেখযোগ্য।  ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের মোট ১৪৯টি স্থানীয় প্রশাসনিক এলাকায় এ ধরনের অপরাধচক্রের কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে শত শত ভুক্তভোগীর সাক্ষ্য, আদালতের নথি এবং বিভিন্ন সংস্থা থেকে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

সমালোচকদের দাবি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী অনেক সময় সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দ্বিধায় ছিল। তাদের আশঙ্কা ছিল, অভিযুক্তদের অনেকেই পাকিস্তানি মুসলিম হওয়ায় বিষয়টি বর্ণবাদী ইস্যু হিসেবে দেখা হতে পারে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর যুক্তরাজ্যে শিশু সুরক্ষা, যৌন অপরাধ দমন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জবাবদিহি নিয়ে নতুন করে জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে অতীতে অভিযোগ পাওয়ার পরও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও আবার সামনে এসেছে।
 

নিরাপত্তাসংকটের সমাধান শুধু হত্যা নয়—ইসরায়েলকে জেডি ভ্যান্স

অনলাইন ডেস্ক
নিরাপত্তাসংকটের সমাধান শুধু হত্যা নয়—ইসরায়েলকে জেডি ভ্যান্স
ছবি : অিানাদোলু এজেন্সি

মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েলি ‘আতঙ্কের’ সমালোচনা করে বলেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মার্কিন-ইরান সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।

ভ্যান্স বলেছেন, ‘সব সমস্যার সমাধান শুধু হত্যা নয়।’ তিনি জানান, চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরান কোনো ছাড় পাবে না। হোয়াইট হাউসে তিনি ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী কয়েকজন মন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের যথাযথ মূল্যায়ন করছেন না। তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে তিনি এ সমালোচনার বাইরে রাখেন।  

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও অস্থিতিশীলতা নিরসনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে ইসরায়েল বেশ উদ্বিগ্ন। ইসরায়েলের আশঙ্কা, এই চুক্তি তাদের দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা লক্ষ্যগুলোকে বাধাগ্রস্ত করবে। এই পরিস্থিতিতে জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলকে এমন মন্তব্য করেন।

ভ্যান্স দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘ইসরায়েলের এই পুরো আতঙ্ক আমার কাছে কিছুটা অদ্ভুত লাগছে। কারণ আমি মনে করি, এটি অবিশ্বাসের জায়গা থেকে এসেছে এবং আমেরিকা বিশ্বের ওই অঞ্চলের আস্থা অর্জন করেছে।’ তিনি বলেন, ‘বলপ্রয়োগের মাধ্যমে সব জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান করা যায় না।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ওই দেশ ও সরকারের জন্য অনেক ভালো কাজ করেছি। আমরা একটি খারাপ চুক্তি করেছি, এমন ধারণার পক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ নেই। বরং দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে এ দাবি মোটেও যৌক্তিক নয়।’

তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলি রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এই চুক্তি নিয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল। চুক্তিটি সম্পর্কে ভুল তথ্যের কারণেই তাদের এই আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তবে ইসরায়েলের রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যেই এমন কিছু ব্যক্তি আছেন, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের মতো মানুষ, যারা এই চুক্তির সমালোচনা করেছেন। তাদের উদ্দেশে আমার প্রশ্ন, আপনাদের বিকল্প প্রস্তাব কী? মাত্র ৯০ লাখ মানুষের একটি দেশ হিসেবে ইসরায়েল তার প্রতিটি জাতীয় নিরাপত্তা সংকটের সমাধান শুধু সামরিক অভিযান বা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে করতে পারে না।’

এই চুক্তিটি ইসরায়েলসহ ‘সমগ্র অঞ্চল এবং বিশ্বের’ জন্য ভালো হবে উল্লেখ করে ভ্যান্স বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে ইরানের ‘পারমাণবিক কর্মসূচি’ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছি। একই সঙ্গে আমরা ইরানকে এমন এক অবস্থায় নিয়ে এসেছি, যেখানে তারা এমন কিছু প্রস্তাব দিচ্ছে, যেগুলো বাস্তবায়ন করবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু ছয় মাস আগেও সেগুলো কেবল কল্পনা বলেই মনে হতো।’

তিনি বলেন, ‘সুতরাং, আসুন এই আলোচনাটি এগিয়ে নিয়ে যাই। দেখা যাক, ইরানের কর্মকাণ্ড তাদের কথার সঙ্গে মেলে কি না এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেও কিছুটা কৃতিত্ব দেওয়া যাক। আমার মতে দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি সরকারের এক অসাধারণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে।’

যুক্তরাজ্যের চিড়িয়াখানায় কুমিরের খাঁচায় শিশু, গ্রেপ্তার ১

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাজ্যের চিড়িয়াখানায় কুমিরের খাঁচায় শিশু, গ্রেপ্তার ১
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাজ্যের একটি চিড়িয়াখানায় কুমিরের খাঁচার ভেতর থেকে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কেমব্রিজশায়ার পুলিশ জানিয়েছে, দুপুর ১টা ২৪ মিনিটে ওল্ড হার্স্ট চিড়িয়াখানা থেকে একটি জরুরি ফোন পেয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তিন বছর বয়সী এক শিশু আচমকা কুমিরের খাঁচার ভেতর ঢুকে পড়েছিল। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও স্থিতিশীল রয়েছে। এই ঘটনায় ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই ব্যক্তির সঙ্গে শিশুটির কোনো পূর্বপরিচয় বা পারিবারিক সম্পর্ক নেই।

ডিটেকটিভ ইন্সপেক্টর ভেরিটি ম্যাকক্যান বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনাটি কিভাবে ঘটল, তা জানতে আমরা ঘটনার সময় চিড়িয়াখানায় উপস্থিত থাকা প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলছি এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। ওল্ড হার্স্ট চিড়িয়াখানার মালিক পক্ষ এক বিবৃতিতে আহত শিশু ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। তারা আরো জানায়, তদন্তের স্বার্থে এবং পরিবারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে চিড়িয়াখানার ‘ট্রপিক্যাল হাউস’—যেখানে অ্যালিগেটর ও ঘড়িয়াল রাখা হয়—পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

এদিকে হান্টিংটনের সংসদ সদস্য বেন ওবেস-জেকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (টুইটার) এক পোস্টে ঘটনাটিকে অত্যন্ত ‘গুরুতর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং জানিয়েছেন যে বিষয়টি নিয়ে একটি ফৌজদারি তদন্ত চলছে।

যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন | কালের কণ্ঠ