• ই-পেপার

মোজতবা খামেনিসহ ইরানের শীর্ষ নেতাদের ধরতে যুক্তরাষ্ট্রের পুরস্কার ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি সই, এবার নজর বাস্তবায়নে

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি সই, এবার নজর বাস্তবায়নে
ছবি: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের সংঘাত বন্ধ করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরান। চুক্তিটি সই হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে উভয় দেশ।

জি-৭ সম্মেলন শেষে ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে আয়োজিত এক নৈশভোজে এই সই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ।

চুক্তি সইয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ম্যাখোঁ বলেন, ট্রাম্প ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে সই করেছেন। তার মতে, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করবে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ম্যাখোঁ আরো বলেন, এই পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমতে শুরু করতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ইরানও চুক্তিতে সই করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’-এর চূড়ান্ত খসড়ায় দুই দেশের প্রেসিডেন্ট সই করেছেন। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চুক্তিটি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা পর্যবেক্ষণ করা। মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই ভার্সাইয়ে নথিতে সই করা হয়ে গেছে। তবে ইরান জানিয়েছে, জেনেভায় নির্ধারিত বৈঠক আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে চূড়ান্ত চুক্তির বিভিন্ন শর্ত ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হবে। চুক্তির নথিতে সই হওয়ার পর এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হাতে ৬০ দিন সময় রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা চূড়ান্ত চুক্তির শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা ও সমঝোতা সম্পন্ন করবে।

এর আগে বুধবার মার্কিন কর্মকর্তারা এক কনফারেন্স কলে বৈঠকে চুক্তির বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনান। বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, চুক্তি নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য প্রকাশ না হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছিল। সেই চাপের মুখেই চুক্তির বিভিন্ন অংশ প্রকাশ করা হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রথম এই চুক্তির ঘোষণা দেন গত রবিবার। চুক্তিটির আনুষ্ঠানিক নাম রাখা হয়েছে ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’। চুক্তি অনুযায়ী, লেবাননসহ সব জায়গায় চলমান সামরিক অভিযান অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে।

এছাড়া চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একই সময়ের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর আগের মতো আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। চুক্তিতে আরো বলা হয়েছে, চূড়ান্ত সমঝোতা সম্পন্ন হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের আশপাশের এলাকা থেকে নিজেদের সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেবে যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে, ইরান ৬০ দিনের জন্য বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে। এ সময় জাহাজগুলোর কাছ থেকে কোনো ধরনের অতিরিক্ত ফি নেওয়া হবে না বলেও চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই চুক্তির মাধ্যমে প্রায় ১১০ দিন ধরে চলা সংঘাতের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর প্রথম হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি দ্রুত যুদ্ধের দিকে গড়ায়। এরপর টানা কয়েক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে উত্তেজনা ও সংঘাত চলতে থাকে। নতুন এই সমঝোতার ফলে যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত আলোচনায় বাধা হতে পারে চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত আলোচনায় বাধা হতে পারে চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

প্রায় চার মাসের সংঘাত বন্ধে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে যুদ্ধ বন্ধে চূড়ান্ত আলোচনায় পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইসরায়েলের অবস্থান—এই চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু দুই দেশের মধ্যে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাই বাড়ছে আগ্রহ ও অনিশ্চয়তা।

এ দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের নেতারা সম্প্রতি একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সম্মতি দিয়েছেন। তবে নির্ধারিত ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পারমাণবিক কর্মসূচি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ–
আলোচনার সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় হচ্ছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। ট্রাম্প এরই মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে ইরানের অঙ্গীকারের কথা প্রচার করেছেন, কিন্তু তা মূলত তেহরানের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিরই পুনরাবৃত্তি।

মূল বিরোধ দেখা দিয়েছে ইরানের কাছে থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র চায় এসব ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হোক অথবা ধ্বংস করা হোক। অন্যদিকে ইরান এ দুই প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করেছে, যদিও উপাদানটির ঘনত্ব কমানোর বিষয়ে কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত দিয়েছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হলো ভবিষ্যতে ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম। ওয়াশিংটন এক পর্যায়ে ইরানে সম্পূর্ণভাবে সমৃদ্ধকরণ বন্ধের দাবি জানালেও তেহরান বলছে, তারা নিজেদের এ অধিকার ছাড়বে না।

সূত্রগুলোর দাবি, উভয় পক্ষ ৫ থেকে ২০ বছরের সম্ভাব্য স্থগিতাদেশ নিয়ে আলোচনা করেছে, তবে এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি। এ ছাড়া ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির আওতায় থাকা আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ব্যবস্থাও আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তা–
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের সংকট তৈরি হয়। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী শুক্রবার থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়া হবে।

তবে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় প্রণালিটি টোলমুক্ত থাকুক, কিন্তু ইরান বলছে, যুদ্ধের পর অর্জিত প্রভাব বজায় রাখতে তারা এর ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখবে।

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দ সম্পদ নিয়ে মতপার্থক্য–
ইরান দ্রুত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা বিলিয়ন ডলারের সম্পদ মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতির ভিত্তিতে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রকাশ করা সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ইরানকে অবিলম্বে আবার তেল বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে। এ সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচকদের মধ্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে অতিরিক্ত ছাড় দিচ্ছে।

ইসরায়েল কি বাধা হয়ে দাঁড়াবে?
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এরই মধ্যে স্পষ্ট করেছেন, লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কোনো চুক্তি ইসরায়েলের জন্য বাধ্যতামূলক হবে না।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েলের অবস্থান ভবিষ্যৎ সমঝোতার বাস্তবায়নে নতুন জটিলতা তৈরি করতে পারে। আসন্ন বৈঠকে কোনো অগ্রগতি অর্জিত হবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালি, নিষেধাজ্ঞা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে গভীর মতপার্থক্য থাকায় চূড়ান্ত সমঝোতার পথ এখনো কঠিন বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

সূত্র : রয়টার্স

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তির পরও হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

অনলাইন ডেস্ক
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তির পরও হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

শান্তিচুক্তি সইয়ের পরও ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারলে ইরানি কর্মকর্তাদের হত্যারও হুমকি দিয়েছেন তিনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, চুক্তির শর্ত না মানলে আবারও ইরানের ওপর বোমা হামলা চালানো হতে পারে।

সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এটি একটি সমঝোতা স্মারক। তারা যদি চুক্তি লঙ্ঘন করে, তাহলে আমরা তাদের ওপর ব্যাপক বোমা হামলা চালাব। তারা যদি ঠিকভাবে আচরণ না করে, তাহলে আবার বোমা হামলা শুরু হবে।’

ইরানিদের ‘বুদ্ধিমান মানুষ’ অভিহিত করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আগামী ৬০ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকরা একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য কাজ করবেন।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ শেষ করার এই সমঝোতা স্মারকে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফা চুক্তি প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফা চুক্তি প্রকাশ
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচিত সমঝোতা চুক্তির দাপ্তরিক খসড়ার নথি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রশাসন। রবিবার দুই দেশের মধ্যে অনলাইনে (ইলেকট্রনিক্যালি) সই হওয়া এই ঐতিহাসিক নথির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)’।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বুধবার (১৭ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফা প্রকাশ করা হয়।

দফাগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এতে দীর্ঘদিনের শত্রুতা নিরসনের এ উদ্যোগে শর্ত সাপেক্ষে ইরানের জন্য ব্যাপক আর্থিক ও কৌশলগত সুবিধা রাখা হয়েছে। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে এ চূড়ান্ত চুক্তিটি সশরীর সই হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর চূড়ান্ত চুক্তির জন্য দুই পক্ষ ৬০ দিন সময় পাবে।

মার্কিন প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি মূলত এমন একটি চুক্তি, যার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে এবং ইরান তাদের পারমাণবিক ধূলিকণা (নিউক্লিয়ার ডাস্ট) ধ্বংস করতে বাধ্য থাকবে। বিনিময়ে ইরান ভালো আচরণ করলে আমরাও ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক সুবিধা বাড়িয়ে দেব এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল করব।’ সূত্র : সিএনএন

সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে (রণাঙ্গনে) লড়াই বন্ধের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আলোচনা চলাকালে ইরানকে তেল বিক্রির সুযোগ দেওয়ার কথাও রয়েছে।