• ই-পেপার

পণ্য পরিবহনের নিরাপদ পথ নিয়ে চীন–ইরান আলোচনা

যুক্তরাজ্যে বজ্রপাতের আঘাতে একাধিক বাড়িতে ভয়াবহ আগুন

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাজ্যে বজ্রপাতের আঘাতে একাধিক বাড়িতে ভয়াবহ আগুন
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাজ্যের সাসেক্স এলাকায় রাতের শেষ ভাগে বজ্রপাতের কারণে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন এলাকায় আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলকর্মীরা সারারাত কাজ করেন।

দমকল ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ক্রলির থ্যাচার ক্লোজ এলাকায় একটি বাড়িতে আগুন লাগে। ওয়েস্ট সাসেক্স ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস জানিয়েছে, ওই আগুনের সূত্রপাত হয় বজ্রপাত থেকে। একই সময়ে রাত ১২টার পর ইস্টবোর্ন ও বেক্সহিল এলাকায় আরো দুটি বাড়িতে বজ্রপাত হয়। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনায় দ্রুতই দমকলের চারটি করে ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ইস্ট সাসেক্স ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের একজন মুখপাত্র জানান, বজ্রপাতের কারণে দুটি বাড়িই গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতজুড়ে আরো বজ্রপাত চলতে থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার কাজ আরো কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, বজ্রপাত কিছুটা কমে এলে দমকলকর্মীরা বেক্সহিলের ঘটনাস্থলে কাজ চালিয়ে যান। সেখানে তারা উঁচু মইযুক্ত দমকল গাড়ি ব্যবহার করে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে তারা আগুনের কারণে উত্তপ্ত থাকা অংশগুলোতে পানি ছিটিয়ে ঠান্ডা করার কাজ চালিয়ে যান। দুপুর ১২টার দিকে পুরো এলাকা আবারও পরিদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরো জানান, দীর্ঘ ও ব্যস্ত রাত পার করার পর ইস্টবোর্নের আগুন এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

অন্যদিকে ওয়েস্ট সাসেক্স ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস জানিয়েছে, থ্যাচার ক্লোজ এলাকায় এখনো চারটি দমকল ইউনিট কাজ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভোর আনুমানিক ৪টা ১৫ মিনিটের দিকে বজ্রপাতের পরই সেখানে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ পর্যন্ত কোনো ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর আগে আবহাওয়া দপ্তর রাত ২টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত ইস্ট সাসেক্স ও কেন্টের বড় অংশে বজ্রঝড়ের জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করেছিল। এই সতর্কতার মধ্যেই একাধিক বজ্রপাত ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর আগে কয়েক দিন ধরে যুক্তরাজ্যে তীব্র গরম ও চরম তাপপ্রবাহ চলছিল। এরপর হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টি ও ঝড় শুরু হয়।

যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় বায়ুমণ্ডল অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে, তখন বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিশেষ করে কয়েক দিন টানা তীব্র রোদ থাকার পর এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বজ্রপাত ও ঝড়ের ঘটনা বেশি ঘটে।

মেলোনি-ট্রাম্প দ্বন্দ্ব, সমাধানের পথ কঠিন

অনলাইন ডেস্ক
মেলোনি-ট্রাম্প দ্বন্দ্ব, সমাধানের পথ কঠিন
ছবি : রয়টার্স

ইতালির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি একটি মিম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে এমন সব কাজ করতে দেখা যাচ্ছে, যা সাধারণত কোনো ‘সম্পর্ক’ ভেঙে যাওয়ার পর মানুষ করে থাকে।

একটি ভুয়া ছবিতে তাকে নতুন চুলের স্টাইল করতে দেখা যায়। অন্য ছবিগুলোতে তিনি একা ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, ম্যারাথনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং একটি ডেটিং অ্যাপে প্রোফাইল খুলছেন। ছবিগুলোর কোনোটিই বাস্তব নয়। তবে এগুলো জনপ্রিয় হয়েছে, কারণ এগুলো মেলোনি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বিরোধকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরেছে।

গত কয়েক মাসে দুই নেতার সম্পর্ক বেশ টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে। রাজনৈতিক সমালোচনা, ব্যক্তিগত মন্তব্য এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে একসময়ের ঘনিষ্ঠ এই রাজনৈতিক সম্পর্ক অনেকটাই শীতল হয়ে পড়েছে। অথচ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে বসা একমাত্র ইউরোপীয় নেতা ছিলেন মেলোনি।

এপ্রিল মাসে ইউরোপীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নিয়ে তৈরি হওয়া উত্তেজনা কমাতে হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি হিসেবে মেলোনিকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল।

ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী ইতালীয় ডানপন্থী রাজনীতি থেকে উঠে আসা মেলোনি রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে মূলধারার বাইরে ছিলেন। পরে তিনি নিজেকে ইউরোপের ডানপন্থী রাজনীতির একজন মধ্যপন্থী ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, মেলোনি ও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতা শুধু কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল না। এটি ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বোঝাপড়ার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো।

মেলোনির জন্য ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার রাজনৈতিক গুরুত্ব ও প্রভাব বাড়ানোর একটি বড় সুযোগ ছিল। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বের প্রভাবশালী নেতাদের কাতারে নিজের অবস্থান আরো শক্তিশালী করতে সক্ষম হন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত ও বিতর্কিত আচরণ সামলানো প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে ওঠে। এর ফলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার রাজনৈতিক অবস্থান ও বিশ্বাসযোগ্যতা কিছুটা চাপে পড়ে।

দুই নেতার সম্পর্কের প্রথম বড় টানাপড়েন দেখা দেয় মার্চের শেষ দিকে। সে সময় ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সংসদের অনুমোদন ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যগামী মার্কিন সামরিক বিমানকে সিসিলির সিগোনেলা ন্যাটো ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ইতালির সংবিধান এবং যুদ্ধবিরোধী জনমতের কথা বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কয়েক সপ্তাহ পর দুই নেতার বিরোধ তীব্র হয়ে ওঠে। এপ্রিল মাসে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোপ লিও চতুর্দশের সমালোচনা করেন। যুদ্ধ নিয়ে পোপের অবস্থানের জবাবে তিনি তাকে অপরাধ দমনে দুর্বল বলে মন্তব্য করেন।

ক্যাথলিক সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইতালির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেলোনি ট্রাম্পের ওই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি পোপের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণকে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন। মেলোনির এই অবস্থান ভালোভাবে নেননি ট্রাম্প।

ইতালীয় দৈনিক ‘কোরিয়েরে দেলা সেরা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি তার আচরণে বিস্মিত। আমি ভেবেছিলাম তিনি সাহসী, কিন্তু আমি ভুল ছিলাম।’

ট্রাম্প আরো বলেন, ‘তিনি আর আগের মানুষ নেই। ইতালিও আর আগের দেশ নেই।’ তার এই মন্তব্য দুই নেতার মধ্যে রাজনৈতিক দূরত্ব স্পষ্ট করে তুলেছে। তবে জুন মাসে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে মনে হয়।

ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প ও মেলোনিকে দীর্ঘ সময় একসঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায়। পরে ইতালীয় কর্মকর্তারা জানান, দুই নেতার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মেলোনিও বলেন, বৈঠকের পরিবেশ ছিল ইতিবাচক এবং সেখানে কোনো উত্তেজনা ছিল না।

এ কারণে ধারণা করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তৈরি হওয়া টানাপোড়েন ধীরে ধীরে কমে আসছে। কিন্তু সেই ধারণা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। সাংবাদিকরা খবর প্রকাশ করার আগেই নতুন বিতর্ক শুরু হয়।

কয়েক দিন পর ইতালির টেলিভিশন চ্যানেল লা৭-কে দেওয়া এক ফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, জি-৭ সম্মেলনে মেলোনি তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘তিনি আমার সঙ্গে ছবি তুলতে খুবই আগ্রহী ছিলেন। আমি ছবি তুলতে চাইনি, কিন্তু তার জন্য খারাপ লেগেছিল।’ এর জবাবে মেলোনি একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দেন।

তিনি বলেন, ‘আমি জানি না কেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তার মিত্রদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন। তবে তিনি যদি পশ্চিমা বিশ্বের শত্রুদের প্রতিও একই দৃঢ়তা দেখাতেন, তাহলে আরো ভালো হতো। আর একটি বিষয় তিনি মনে রাখবেন, আমি বা ইতালি কখনো কারো কাছে অনুরোধ বা ভিক্ষা করি না।’

চাঁদ ও মঙ্গলে মিশন এগিয়ে নিতে ৩৭ প্রতিষ্ঠান বেছে নিল নাসা

অনলাইন ডেস্ক
চাঁদ ও মঙ্গলে মিশন এগিয়ে নিতে ৩৭ প্রতিষ্ঠান বেছে নিল নাসা
সংগৃহীত ছবি

চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর লক্ষ্যকে সামনে রেখে ৩৭টি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে বেছে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি সিয়াটল এলাকার কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। নির্বাচিত এসব প্রতিষ্ঠান নাসার বিভিন্ন প্রযুক্তি উন্নয়নের কাজে অংশ নেবে।

নাসা জানায়, তারা যে সহযোগিতা কর্মসূচির আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বেছে নিয়েছে, সেখানে কম্পানিগুলো নাসার অংশীদার হিসেবে কাজ করার জন্য আবেদন করেছিল। এই প্রস্তাবগুলোর লক্ষ্য হলো মহাকাশে যাতায়াতের প্রযুক্তি উন্নয়ন, গ্রহের পৃষ্ঠে কাজ করার সক্ষমতা তৈরি এবং চাঁদের ওপর ভবিষ্যতের জন্য অবকাঠামো গড়ে তোলা। নাসার গবেষণা ও প্রযুক্তি মিশন বিভাগের উন্নত গবেষণা ও প্রযুক্তি শাখার পরিচালক গ্রেগ স্টোভার এক বিবৃতিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাঁদ, মঙ্গল ও এর বাইরের অভিযানে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি করছে নাসা। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক খাতের সক্ষমতা ব্যবহার করলে দ্রুত নতুন প্রযুক্তি তৈরি করা সম্ভব হবে এবং বড় মহাকাশ মিশনগুলো এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে মহাকাশভিত্তিক অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।

নাসা জানিয়েছে, এই চুক্তিগুলোর আওতায় কোনো অর্থ লেনদেন হবে না। তবে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো নাসার বিশেষ গবেষণাগার, সফটওয়্যার, যন্ত্রপাতি এবং বিশেষজ্ঞদের সহায়তা ব্যবহার করতে পারবে। এসব সুবিধা কাজে লাগিয়ে তারা নিজেদের প্রযুক্তি উন্নয়ন করতে পারবে, যা বাণিজ্যিক এবং সরকারি- দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য হবে। প্রতিটি চুক্তির মেয়াদ আলাদা হবে, সাধারণত ১২ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে।

নির্বাচিত ৩৭ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সিয়াটলের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলো হলো—

অ্যারোজেট রকেটডাইন
রেডমন্ডভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠান মহাকাশযানের চালনা ব্যবস্থার জন্য থ্রাস্টার তৈরি করে।

ব্লু অরিজিন
জেফ বেজোস প্রতিষ্ঠিত কেন্টভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠান নাসার আর্টেমিস চন্দ্র কর্মসূচির জন্য মানুষবাহী ও কার্গো চন্দ্রযান তৈরি করছে। পাশাপাশি চাঁদের সম্পদ ব্যবহার করে ভবিষ্যতের যন্ত্রাংশ তৈরির প্রযুক্তিও উন্নয়ন করছে।

স্টারক্লাউড
রেডমন্ডের এই প্রতিষ্ঠান মহাকাশে ডেটা সেন্টার তৈরি করার জন্য হাজার হাজার স্যাটেলাইট পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

স্টোক স্পেস
সাবেক ব্লু অরিজিন কর্মীদের তৈরি এই কেন্টভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুনর্ব্যবহারযোগ্য মাঝারি ক্ষমতার রকেট তৈরি করছে।

জেনো পাওয়ার সিস্টেমস
সিয়াটল ও ওয়াশিংটন ডিসিতে কার্যক্রম থাকা এই প্রতিষ্ঠান মহাকাশ এবং পৃথিবীতে ব্যবহারের জন্য নতুন ধরনের পারমাণবিক ব্যাটারি তৈরি করছে।

বাকি ৩২টি নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে অ্যাডভান্সড কুলিং টেকনোলজিস, অ্যাস্ট্রোবোটিক টেকনোলজি, অ্যাক্সিওম স্পেস, লকহিড মার্টিন, মেড ইন স্পেস, ম্যাক্স স্পেস, অরবিটাল কম্পোজিটস, টেলিডাইন এনার্জি সিস্টেমসসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান।

নাসা জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা সরকারি গবেষণা এবং বেসরকারি প্রযুক্তি খাতকে একসঙ্গে কাজ করাতে চায়, যাতে চাঁদ ও মঙ্গলে ভবিষ্যতের মানব মিশন আরো দ্রুত এগিয়ে নেওয়া যায়।


 

নৌচলাচলের স্বাধীনতা কোনো বিলাসিতা নয় : শেহবাজ শরিফ

অনলাইন ডেস্ক
নৌচলাচলের স্বাধীনতা কোনো বিলাসিতা নয় : শেহবাজ শরিফ
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সমুদ্রপথে নিরাপদ ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, এটি এখন আর শুধু একটি সুবিধা নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য প্রয়োজন হয়ে উঠেছে।

শনিবার সকালে পাকিস্তান নৌবাহিনী একাডেমিতে দেওয়া এক বক্তব্যে শেহবাজ শরিফ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অঞ্চলের পরিবর্তিত পরিস্থিতি আবারও প্রমাণ করেছে যে সমুদ্র নিরাপত্তা বিশ্ব অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন ও বাণিজ্যের বড় একটি অংশ সমুদ্রপথে হয়। তাই এই পথ নিরাপদ ও উন্মুক্ত রাখা সবার স্বার্থে প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, নৌপথে অবাধ যাতায়াতের অধিকার এবং জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা এখন আর বিলাসিতা নয়। বর্তমান বাস্তবতায় এটি পুরো বিশ্বের জন্য একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাকিস্তানের নৌবাহিনীর ভূমিকাও তুলে ধরেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পাকিস্তান নৌবাহিনী শুধু দেশের সমুদ্রসীমা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছে না, একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 

শেহবাজ শরিফ বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও পাকিস্তান নৌবাহিনী সব সময় প্রস্তুত রয়েছে।

পণ্য পরিবহনের নিরাপদ পথ নিয়ে চীন–ইরান আলোচনা | কালের কণ্ঠ