• ই-পেপার

দাবানল: কানাডার কুইবেকে ১০ হাজার স্থানীয়কে সরে যাওয়ার নির্দেশ

এক হাজার দিনে গাজায় প্রাণ হারাল ২১ হাজার শিশু

অনলাইন ডেস্ক
এক হাজার দিনে গাজায় প্রাণ হারাল ২১ হাজার শিশু
সংগৃহীত ছবি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের এক হাজার দিনে অন্তত ২১ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্বজুড়ের শিশুদের অধিকার, সুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা সেভ দ্য চিলড্রেন। সংস্থাটি বলেছে, এ ছাড়া আরো কয়েক লক্ষ শিশু বাস্তুচ্যুত ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার যুদ্ধের ১ হাজার দিন পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া বিবৃতিতে সেভ দ্য চিলড্রেন জানায়, বাড়িঘর, স্কুল এবং নিরাপত্তার অনুভূতি হারানোর পরেও শিশুরা শান্তির স্বপ্ন দেখে চলেছে।

সংস্থাটির মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও পূর্ব ইউরোপ অঞ্চলের পরিচালক আহমাদ আহেনদাউই তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এক প্রতিবেদনে বলেন, গত ১ হাজার দিনে গাজার ১০ লাখ শিশুকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্ব। কারণ তারা শিশু হত্যা ও অঙ্গহানি বন্ধ করতে হস্তক্ষেপ করেনি।

সংস্থাটি জানিয়েছে, যুদ্ধে অন্তত ২১ হাজার শিশু নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে, যদিও প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত আরো বেশি, কারণ অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। এ ছাড়া গাজার মোট শিশুর প্রায় ৮০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮ লাখের বেশি শিশু বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ৬ লাখ ২৫ হাজার স্কুলপড়ুয়া শিশু টানা তিন বছর ধরে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত।

প্রতিবেদনে ১৪ বছর বয়সী কিশোরী আমানি বলে, ‘আমরা যেকোনো মুহূর্তে মারা যেতে পারি। তবে আমি আশা করি, আমাদের জন্য যুদ্ধটা থেমে যাবে।’

নিজের অধিকারের বিষয়ে আমানি বলেন, ‘আমি যেন গাজায় আমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারি এবং অন্য দেশের যেকোনো মেয়ের মতো আমার অধিকার ভোগ করতে পারি। গাজায় এমন অনেক শিশু আছে যাদের কথা কেউ শোনে না।

১৪ বছর বয়সী কিশোরী বিসান জানায়, তার সবচেয়ে বড় ইচ্ছা যুদ্ধ শেষ হওয়া, সবাই নিজ নিজ ঘরে ফিরে যাওয়া এবং আগের জীবনে ফিরতে পারা।

সেভ দ্য চিলড্রেন অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ইসরাইলের কাছে অস্ত্র সরবরাহ স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজায় ইসরাইলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। 

এখন পর্যন্ত যুদ্ধে ৭৩ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং পুরো উপত্যকা ব্যাপকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

খামেনির বিদায়ি অনুষ্ঠানে থাকছে ১০০ দেশের প্রতিনিধি

অনলাইন ডেস্ক
খামেনির বিদায়ি অনুষ্ঠানে থাকছে ১০০ দেশের প্রতিনিধি
রয়টার্স ছবি

চলতি জুলাই মাসের ৪ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান। এতে অংশ নিচ্ছেন বিশ্বের অন্তত ১০০টি দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও প্রতিনিধিদল।

এই অনুষ্ঠানকে ইরানি জাতি, অঞ্চলটির জনগণ এবং বিশ্বের মুসলমানদের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাঘায়ি বলেন, খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশ থেকে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও প্রতিনিধিদল অংশ নেবেন।

তিনি জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা ও বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এতে বিপুল সংখ্যক দেশি-বিদেশি ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্টজন এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানটি দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে।

বাঘায়ি আরও বলেন, শুক্রবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টার মধ্যে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন।

এর আগে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে ইরানের সংস্কৃতি ও ইসলামী দিকনির্দেশনাবিষয়ক মন্ত্রী আব্বাস সালেহি জানান, জানাজা উপলক্ষে ইতিমধ্যে গণমাধ্যম, চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশীয় গণমাধ্যমের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০০ সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি অনুষ্ঠানগুলো কাভার করবেন। যাতে এই ঘটনার বিভিন্ন দিক বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা যায়। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টিরও বেশি দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেবেন।

ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, দেশটির ইতিহাসে এটিই হবে সবচেয়ে বড় শেষকৃত্যানুষ্ঠান। যেখানে দেড় থেকে ২ কোটি মানুষের অংশগ্রহণ হতে পারে।

আব্বাস সালেহির দাবি, খামেনির জানাজা শুধু একজন নেতাকে জাতির শেষ শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠান নয়; এটি জাতীয় শক্তি, সামাজিক সংহতি এবং শত্রুদের মোকাবেলায় ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিরোধক্ষমতারও বহিঃপ্রকাশ।

সূচি অনুযায়ী, ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। এরপর ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ শোকযাত্রা, ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোম, ৮ জুলাই ইরাকের বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে শোকানুষ্ঠান এবং ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধের প্রথম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি আদায়ের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি আদায়ের পরিকল্পনা
ছবি : রয়টার্স

ইরান ও ওমান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে ফি আদায়ের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগের বিরোধিতা করছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে দীর্ঘদিনের ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।

হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করেছে। যুদ্ধের আগে এই পথ দিয়ে জাহাজগুলো বিনা খরচে চলাচল করত। বিশ্বের বড় অংশের তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। তবে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরান এই নৌপথে প্রভাব বিস্তার করে, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ওমান যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে একটি প্রস্তাব দিয়েছে। এতে প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজ ও শিপিং কম্পানির কাছ থেকে সেবা ফি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওমানের দাবি, এটি বাধ্যতামূলক টোল নয়, বরং স্বেচ্ছাভিত্তিক ফি। তবে ইরানের কিছু কর্মকর্তা বলছেন, এই অর্থ প্রদান বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। 

ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি বলেছেন, তেহরান চায় ওমানের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা হোক। কিন্তু সমঝোতা না হলে ইরান নিজস্ব পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে পারে। ওমান দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটি কঠিন কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

মে মাসে ওমান ও ইরানের যৌথ উদ্যোগে ফি আদায়ের সম্ভাবনা প্রকাশ্যে আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর তীব্র সমালোচনা করেন। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে চলাচলের জন্য কোনো ধরনের ফি, টোল বা অনুদান আদায়ের ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করবে না। তার মতে, প্রণালিকে যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া উচিত। তবে ইরানের অবস্থান ভিন্ন। 

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরবে না। ইরানের কর্মকর্তারা মনে করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে তাদের বর্তমান প্রভাব একটি বড় কৌশলগত শক্তি। এদিকে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি বলেছেন, প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়। তাই স্বেচ্ছাভিত্তিক অর্থ সংগ্রহের একটি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। 

তিনি মালাক্কা ও সিঙ্গাপুর প্রণালির উদাহরণ দেন, যেখানে নিরাপদ নৌ চলাচলের জন্য স্বেচ্ছা অনুদান সংগ্রহ করা হয়। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গুয়েজও বলেছেন, বাধ্যতামূলক টোল আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে স্বেচ্ছাভিত্তিক একটি তহবিল গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে ওমানের এই প্রস্তাব উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। 

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান বলেছেন, হরমুজ প্রণালিকে যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া উচিত এবং নতুন কোনো ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ এখন শুধু নৌপরিবহন নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, কূটনীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।

পোপের অনুমতি ছাড়া বিশপ নিয়োগ, ৬ ধর্মযাজককে বহিষ্কার

অনলাইন ডেস্ক
পোপের অনুমতি ছাড়া বিশপ নিয়োগ, ৬ ধর্মযাজককে বহিষ্কার
ছবি : রয়টার্স

পোপ চতুর্দশ লিওর অনুমতি ছাড়া বিশপ অভিষিক্ত করার কারণে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক রক্ষণশীল ক্যাথলিক গোষ্ঠী সোসাইটি অব সেন্ট পিয়াস এক্স (এসএসপিএক্স)-এর ছয়জন ধর্মযাজককে ধর্মচ্যুত করা হয়েছে বলে ভ্যাটিকান জানিয়েছে। 

খ্রিস্টধর্মের একজন উচ্চপদস্থ যাজক বা ধর্মীয় নেতাকে বিশপ। তিনি একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার (ডায়োসিস) গির্জা ও যাজকদের তত্ত্বাবধান করেন।

বৃহস্পতিবার ভ্যাটিকানের ধর্মীয় মতবাদবিষয়ক দপ্তর ‘ডিকাস্টারি ফর দ্য ডকট্রিন অব দ্য ফেইথ’ এক ডিক্রিতে বিশ্বজুড়ে ক্যাথলিকদের সতর্ক করে জানায়, গোষ্ঠীটি এখন চার্চের অনুমোদন ছাড়া ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ডিক্রিতে বলা হয়, এসএসপিএক্স ক্যাথলিক চার্চের কিছু মৌলিক শিক্ষা প্রত্যাখ্যান করে। ফলে তারা বৈধভাবে বিবাহ অনুষ্ঠান পরিচালনা বা স্বীকারোক্তি গ্রহণের মতো ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।

পোপ লিওর অনুরোধ উপেক্ষা করে গোষ্ঠীটি বুধবার চারজন নতুন বিশপকে অভিষিক্ত করে। এর এক দিন পরই ভ্যাটিকান এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। ক্যাথলিক চার্চের নিয়ম অনুযায়ী, নতুন বিশপ নিয়োগের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা শুধুমাত্র পোপের। চার্চের ঐতিহ্য ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়।

ভ্যাটিকান জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওই অননুমোদিত অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেওয়া দুই বিশপ এবং নতুন অভিষিক্ত চার ধর্মযাজকসহ মোট ছয়জনকে ধর্মচ্যুত করা হয়েছে। 

তবে সোসাইটি অব সেন্ট পিয়াস এক্স তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বুধবার গোষ্ঠীটি দাবি করেছিল, বিশেষ পরিস্থিতির কারণে তারা পোপের অনুমোদন ছাড়াই বিশপ অভিষেকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দাবানল: কানাডার কুইবেকে ১০ হাজার স্থানীয়কে সরে যাওয়ার নির্দেশ | কালের কণ্ঠ