• ই-পেপার

শ্রীলঙ্কার বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ৭০% ছাড়িয়েছে

মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে ইরাকে আইআরজিসির গোপন সেল

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে ইরাকে আইআরজিসির গোপন সেল
ছবি : রয়টার্স

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ইরাকে গোপনে নতুন কয়েকটি গোপন সেল গঠন করেছে। তাদের কাজ উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালানো।

রয়টার্সকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল সেই দেশগুলো, যেখানে মার্কিন সামরিক বাহিনী অবস্থান করছে।
আটজন ইরাকি সূত্র জানিয়েছে, আইআরজিসি প্রচলিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে এড়িয়ে নতুন এই নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যাতে  তাদের কার্যক্রম সহজে শনাক্ত করা না যায়।

তিনটি সূত্রের মতে, প্রায় ১০ জন করে অভিজ্ঞ ইরাকি শিয়া যোদ্ধা নিয়ে গঠিত তিন থেকে চারটি দল ২০ এপ্রিল থেকে ১৭ মে পর্যন্ত অন্তত সাতটি ড্রোন হামলা চালায়। এসব হামলা ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলের বসরা ও সামাওয়া শহরের কাছাকাছি মরুভূমি এলাকা থেকে পরিচালিত হয়। হামলার লক্ষ্য ছিল কুয়েত, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন স্থাপনা।

নতুন এসব গোষ্ঠীর কিছু সদস্য ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক নামের জোটভুক্ত কট্টরপন্থী শিয়া সংগঠনগুলো থেকে নেওয়া হয়েছে। তবে সূত্রগুলোর মতে, নতুন সেলগুলো ওই জোটের নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর বাইরে কাজ করে এবং সরাসরি আইআরজিসির কাছে জবাবদিহি করে। 

এসব সূত্রের মধ্যে রয়েছেন দুইজন ইরাকি সামরিক কর্মকর্তা, একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং পাঁচজন স্থানীয় মিলিশিয়া কমান্ডার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, প্রকাশ্যে না আসা এই নতুন ইরাকি সেলগুলো আইআরজিসির কৌশলগত পরিবর্তনের অংশ। ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো দুর্বল হয়ে পড়া এবং দেশটির নিজস্ব সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে অঞ্চলজুড়ে প্রভাব বজায় রাখার জন্য তেহরান এই নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে।

ইরাকের দুটি প্রভাবশালী শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘আসাইব আহলে হক’ এবং ‘ইমাম আলী ব্রিগেডস’ এ মাসে ঘোষণা দিয়েছে, তারা তাদের অস্ত্র সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর শুরু করবে। ইরাকে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ভেঙে দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র বারবার চাপ দেওয়ার পর তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ বাহাদলির মতে, আইআরজিসি গঠিত নতুন দলগুলো আকারে ছোট, আদর্শিকভাবে আরো কঠোর এবং কেন্দ্রীয়ভাবে বেশি নিয়ন্ত্রিত। তার ভাষায়, অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে আঞ্চলিক প্রভাব ধরে রাখার প্রয়োজন থেকেই ইরান এই ধরনের কৌশল গ্রহণ করেছে।

পাকিস্তানে হামলার দাবি আফগানিস্তানের

অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তানে হামলার দাবি আফগানিস্তানের
ছবি : রয়টার্স।

আফগান তালেবানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আফগান বাহিনী পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীর আস্তানায় বিমান হামলা চালিয়েছে। কয়েক মাসের মধ্যে এটি কাবুলের প্রথম বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ, যা দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের ভেতরে থাকা কয়েকটি গোপন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়। তবে হামলাটি কিভাবে পরিচালিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আফগানিস্তানের কোনো যুদ্ধবিমান না থাকলেও তাদের কাছে অন্তত ছয়টি বিমান এবং ২৩টি হেলিকপ্টার  রয়েছে। অতীতে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষে ড্রোন ব্যবহারের খবরও পাওয়া গেছে।

তালেবান দাবি করেছে, এসব ঘাঁটি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জন্য ব্যবহার করা হতো এবং অতীতের বেশ কয়েকটি প্রাণঘাতী হামলার সঙ্গেও জড়িত ছিল। হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে কিছু জানানো না হলেও তালেবান বলেছে, অভিযানে নির্ধারিত প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত করা হয়েছে।

এদিকে পাকিস্তানের সামরিক ও তথ্য মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক ক্রমেই খারাপ হয়েছে। 

ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তান পাকিস্তানবিরোধী সশস্ত্র যোদ্ধা আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুল এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, পাকিস্তানের নিরাপত্তা সমস্যা তাদের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়।

গত সপ্তাহে পাকিস্তানও আফগানিস্তানের ভেতরে বিমান হামলা চালায়। তালেবানের দাবি, ওই হামলায় ১১ শিশুসহ অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়। অন্যদিকে পাকিস্তান বলেছে, তাদের অভিযানে ২৬ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে।

তালেবানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, আফগানিস্তান তার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে কোনো হুমকি আর সহ্য করবে না এবং প্রয়োজন হলে সব ধরনের সক্ষমতা ব্যবহার করে হুমকির উৎসকে মোকাবেলা করবে।

এক সংস্কৃতির বিতর্কে উত্তাল অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি

শিপন আহমদ (সিডনি) অস্ট্রেলিয়া
এক সংস্কৃতির বিতর্কে উত্তাল অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি
পলিন হ্যানসন

বহুসংস্কৃতিবাদ নাকি একক সাংস্কৃতিক পরিচয়—এই প্রশ্নে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি। ওয়ান নেশন নেতা পলিন হ্যানসনের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকার, ধর্মীয় সংগঠন ও অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিশ্বের অন্যতম বহুসংস্কৃতির দেশ হিসেবে পরিচিত অস্ট্রেলিয়ায় আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে জাতীয় পরিচয়, অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রশ্ন। সরকার, বিরোধী দল, ধর্মীয় সংগঠন এবং অভিবাসী সম্প্রদায়ের নেতারা বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন।

জানা গেছে, গত ১৭ জুন ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে দেওয়া ভাষণে পলিন হ্যানসন বলেন, অস্ট্রেলিয়া বহু জাতিগোষ্ঠীর দেশ হলেও সাংস্কৃতিকভাবে ‘এক ছাতার নিচে’ থাকা উচিত। তার এ বক্তব্য ঘিরেই দেশটির রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বক্তব্যে তিনি বহুসংস্কৃতিবাদকে ‘ব্যর্থ নীতি’ হিসেবে উল্লেখ করে অস্ট্রেলিয়ার জন্য একক সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পক্ষে মত দেন। একই সঙ্গে অভিবাসন কমানো, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এসবিএস বিলুপ্ত করা এবং সম্প্রচার ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।

হ্যানসনের দাবি, অস্ট্রেলিয়া বহু জাতিগোষ্ঠীর মানুষের আবাসভূমি হলেও সাংস্কৃতিকভাবে একটি অভিন্ন পরিচয় থাকা প্রয়োজন। তার মতে, দীর্ঘদিন ধরে অনুসৃত বহুসংস্কৃতিবাদ নীতি সামাজিক সংহতি দুর্বল করেছে এবং জাতীয় মূল্যবোধকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। ফলে বিভিন্ন সংস্কৃতিকে সমানভাবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার ফলে জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ভাষণে তিনি অভিবাসন নীতির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, কোভিড-পরবর্তী সময়ে উচ্চ অভিবাসন প্রবাহ আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। তাই অভিবাসন উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা এবং ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

তবে হ্যানসনের বক্তব্যের পরপরই এর বিরোধিতা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবেনিজ বলেন, অস্ট্রেলিয়ার শক্তি তার বৈচিত্র্য ও সামাজিক সম্প্রীতির মধ্যে নিহিত।

তিনি বলেন, বিভাজনের রাজনীতি দেশের মানুষের প্রকৃত সমস্যার সমাধান দিতে পারে না। বরং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতাই অস্ট্রেলিয়ার অগ্রগতির ভিত্তি।

বিরোধী দলের পক্ষ থেকেও ওয়ান নেশনের প্রস্তাবগুলোর বাস্তবতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মতো বিষয়গুলো আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসছে।

এদিকে, অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল এক বিবৃতিতে হ্যানসনের বক্তব্যের সমালোচনা করেছে। সংগঠনটি বলেছে, আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি কিংবা অন্যান্য অর্থনৈতিক সমস্যার জন্য অভিবাসী বা মুসলিম সম্প্রদায়কে দায়ী করা বাস্তবসম্মত নয়। তাদের মতে, মুসলমানরা দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার সমাজ, অর্থনীতি ও ইতিহাসের অংশ এবং কোনো ব্যক্তি বা ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের দায় পুরো সম্প্রদায়ের ওপর চাপানো সামাজিক সম্প্রীতির জন্য ক্ষতিকর।

সংগঠনটি আরো বলেছে, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমঅধিকার, পারস্পরিক সম্মান এবং বহুসংস্কৃতিবাদ আধুনিক অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম ভিত্তি। এসব মূল্যবোধ দুর্বল করার যেকোনো প্রচেষ্টা সমাজে বিভাজন বাড়াতে পারে। 

হ্যানসনের ভাষণ চলাকালে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের ভেতরেও প্রতিবাদ দেখা যায়। একদল কর্মী ব্যানার প্রদর্শন করে তার নীতির বিরোধিতা করেন। পরে কর্তৃপক্ষ ব্যানারটি সরিয়ে দেয় এবং ঘটনাটি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে পাঠানোর কথা জানায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পলিন হ্যানসনের বক্তব্য শুধু অভিবাসন নীতিকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি করেনি বরং অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ পরিচয়, সামাজিক কাঠামো এবং বহুসংস্কৃতিবাদ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। নির্বাচন সামনে রেখে এই বিতর্ক আগামী মাসগুলোতে দেশটির রাজনৈতিক আলোচনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

মুহুর্মুহু হামলা

লেবানন ছেড়ে পালাচ্ছে হাজারো মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
লেবানন ছেড়ে পালাচ্ছে হাজারো মানুষ
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি ভয়াবহ বিমান হামলার পর নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে হাজারো বেসামরিক মানুষ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে শুরু করেছে।

সংবাদ মাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার টাইর ও সাইদা শহরের মধ্যবর্তী কাসমিয়েহ সেতু দিয়ে হাজারো লেবানিজ নাগরিক উত্তরাঞ্চলের নিরাপদ এলাকায় আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। 

এতে সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, কারণ পরিবারগুলো সম্ভাব্য আরো হামলার আশঙ্কায় নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের নেতাদের মধ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা হলেও দক্ষিণ লেবাননে সহিংসতা থামেনি। বরং সাম্প্রতিক হামলা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে এবং স্থিতিশীলতার আশা ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও তাদের কয়েকজন সেনা সদস্য হতাহত হওয়ার কথা জানিয়েছে। ফলে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে সংঘাত আরো বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতির অবনতির কারণে আন্তর্জাতিক মহলেও বাড়ছে উদ্বেগ।

বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে চলমান সংঘর্ষ অব্যাহত থাকলে নতুন মানবিক সংকটের সৃষ্টি হতে পারে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে। তবু সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা অবশ্য জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কাঠামোর আওতায় লেবানন থাকলেও ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার চুক্তির শর্ত নয় এবং আত্মরক্ষার অধিকার ইসরায়েলের থাকছে।

শ্রীলঙ্কার বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতি ৭০% ছাড়িয়েছে | কালের কণ্ঠ