চলতি বছরের ২৮ ফেব্রয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা শুরু করে ইরানে। এর পাল্টা জবাবে তেহরানও ইসরায়ে ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাটিতে হামলা চালায়। দীর্ঘ আলোচনা মধ্যস্থতার পর অবশেষে ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায় উভয়দেশ। তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র প্রতি ‘গভীর অবিশ্বাস’ রয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
সোমবার (১৫ জুন) সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। ইসমাইল বাকাই বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, এটা স্বীকার করতেই হবে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইরানের গভীর অবিশ্বাসের মূলে রয়েছে, মার্কিন নেতাদের দীর্ঘদিনের অন্যায় কর্মকাণ্ড।’
ইরানি জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে উল্লেখ তিনি বলেন,‘শুধুমাত্র উত্তেজনা হ্রাস এবং ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরু হওয়া একটি যুদ্ধের অবসান ঘটানোর একটি পদক্ষেপ হচ্ছে এই চুক্তি।’
উল্লেখ্য, ইসরায়েল এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক অংশ নয় এবং তারা এতে স্বাক্ষরও করছে না। যদিও এর আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কয়েক দফা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
এদিকে রবিবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরে ইসরায়েলের নতুন হামলার ঘটনায় চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অঞ্চলটি হিজবুল্লাহর শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ফলে অনেকের আশঙ্কা, পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সদ্য হওয়া এই সমঝোতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।




