• ই-পেপার

দুই নাবালকের ধর্ষণের শিকার, স্ত্রীকে খুন করে সিলিংয়ে ঝুললেন স্বামী!

উগান্ডায় দুই শীর্ষ গণমাধ্যম বন্ধের নির্দেশ সেনাপ্রধানের

অনলাইন ডেস্ক
উগান্ডায় দুই শীর্ষ গণমাধ্যম বন্ধের নির্দেশ সেনাপ্রধানের
ছবি: রয়টার্স

উগান্ডার সেনাপ্রধান এবং দেশটির প্রেসিডেন্টের ছেলে মুহুজি কাইনেরুগাবা দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি গণমাধ্যম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তিনি স্বাধীন সংবাদমাধ্যমে বিশ্বাস করেন না।

মুহুজি কাইনেরুগাবা জানান, উগান্ডার সবচেয়ে বড় স্বাধীন দৈনিক 'ডেইলি মনিটর' এবং দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল 'এনটিভি উগান্ডা' তার অনুমতি ছাড়া আবার সম্প্রচার বা প্রকাশনা শুরু করতে পারবে না। তবে তিনি কেন এই দুটি গণমাধ্যম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেননি।

ডেইলি মনিটর ও এনটিভি উগান্ডা- দুই প্রতিষ্ঠানই কেনিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠান নেশন মিডিয়া গ্রুপের মালিকানাধীন। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার নাইরোবি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত। রবিবার ডেইলি মনিটর জানায়, রাজধানী কাম্পালায় নেশন মিডিয়া গ্রুপের কার্যালয়ে সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেখানে কর্মীদের অফিসে প্রবেশ করতে এবং অফিস থেকে বের হতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এদিকে রবিবার সকাল পর্যন্ত এনটিভি উগান্ডাসহ নেশন মিডিয়া গ্রুপের সব টেলিভিশন ও রেডিওর সম্প্রচার বন্ধ ছিল। এ ঘটনায় উগান্ডা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সরকারের মুখপাত্র অ্যালান কাসুজা রয়টার্সের মন্তব্য চাওয়ার অনুরোধের জবাব দেননি। অন্যদিকে, উগান্ডায় নেশন মিডিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুসান এনসিবিরওয়া বলেন, এ বিষয়ে তার তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য নেই।

মুহুজি কাইনেরুগাবাকে দীর্ঘদিন ধরেই উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হয়। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য পরিচিত। এর আগে তিনি বিরোধীদলীয় নেতা ববি ওয়াইনের শিরশ্ছেদ করার হুমকি দিয়েও সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনি ১৯৮৬ সাল থেকে উগান্ডার ক্ষমতায় রয়েছেন। ২০১৩ সালে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর ডেইলি মনিটরকে ১০ দিনের জন্য বন্ধ করে দিয়েছিল সরকার।


 

সংঘাত এড়াতে আবারও আলোচনায় বসছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
সংঘাত এড়াতে আবারও আলোচনায় বসছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র
ছবি : রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিরোধ মেটাতে আবারও আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। কয়েক দিনের টানা পাল্টাপাল্টি হামলার পর, ঝুঁকির মুখে পড়া অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তিটি রক্ষার উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) কাতারে এই আলোচনা পুনরায় শুরু হবে বলে একজন মার্কিন কর্মকর্তার তথ্যের ভিত্তিতে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস

গত ১৭ জুন দুই দেশের মধ্যে একটি ১৪-দফা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সমঝোতার কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলবে এবং আপাতত হামলা স্থগিত রেখে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স ও ইরানের সংসদীয় স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফের মধ্যে সফল আলোচনার পর ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল। কিন্তু এর পরপরই দুপক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে এবং সংঘাত তীব্র রূপ নেয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) হরমুজ প্রণালিতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর জবাবে মার্কিন বাহিনীও ইরানে পাল্টা হামলা চালায়। পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইরানকে সতর্ক করে বলেন, ‘এমন একটা সময় আসতে পারে যখন আমরা আর যুক্তিসঙ্গত থাকতে পারব না... যদি এমনটা হয়, তাহলে ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না!’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই হুমকির পরপরই রবিবার (২৮ জুন) ভোরে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। তাদের দাবি, পূর্ববর্তী মার্কিন হামলার জবাবেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে। মার্কিন সূত্র জানিয়েছে, এই হামলায় তাদের কোনো সেনা হতাহত বা বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। কুয়েত জানিয়েছে, তারা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে। তবে বাহরাইনের একটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি অধিবেশন ডাকার অনুরোধ জানিয়েছে। কাতার জানিয়েছে, ওই এলাকায় সামরিক অভিযানের কারণে সৃষ্ট শ্র্যাপনেলের আঘাতে তাদের একজন নাগরিক নিহত এবং অপর একজন আহত হয়েছেন।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের রেশ ছড়িয়ে পড়েছে লেবাননেও। ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ভূগর্ভস্থ বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যদি মূল শান্তি চুক্তিটি টিকিয়ে রাখতে হয়, তবে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধ বন্ধ করা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং হরমুজ প্রণালি মুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই এই অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তিটি করা হয়েছিল। মঙ্গলবারের কাতার বৈঠকের ওপরই এখন নির্ভর করছে এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ শান্তি।

ইউরোপে নজিরবিহীন তাপপ্রবাহ : ৭ দিনে ১৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
ইউরোপে নজিরবিহীন তাপপ্রবাহ : ৭ দিনে ১৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

গত ২১ জুন থেকে ইউরোপজুড়ে চলমান নজিরবিহীন তাপপ্রবাহের কারণে অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

রবিবার (২৮ জুন) ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক ড. তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসের এক পোস্টের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি

তীব্র এই তাপপ্রবাহ ধীরে ধীরে পূর্বদিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে রবিবার মহাদেশটিতে আবারও তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। জার্মানি, পোল্যান্ড ও চেক প্রজাতন্ত্রে তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডব্লিউএইচওর প্রধান বলেন, ২১ জুন থেকে ইউরোপের এই উচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত ১ হাজার ৩০০টির বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু রেকর্ড হয়েছে।

তেদরোস আধানোম বলেন, তাপমাত্রাজনিত চাপকে অনেক সময় ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়। ইউরোপের ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও স্কুলগুলো এমন তাপমাত্রার উপযোগী করে তৈরি করা হয়নি।

 রবিবার সকালে ফ্রান্সের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটিতে গত বুধবার থেকে প্রায় এক হাজার বাড়তি মৃত্যু হয়েছে। সংস্থাটি আরো জানায়, এসব অতিরিক্ত মৃত্যুর একটি বড় অংশই ৬৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের। বাড়িতে মানুষের মৃত্যুর হার ৪০ শতাংশ বেড়েছে।

ডব্লিউএইচও প্রধান সতর্ক করে বলেন, বিশ্বে মহাসচিব হিসেবে ইউরোপই সবচেয়ে দ্রুত গতিতে উষ্ণ হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, মহাদেশটির লাখ লাখ মানুষ এখন তীব্র গরমের মধ্যে বসবাস করছে। শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বিদ্যুতের গ্রিডগুলো বিকল হয়ে পড়ছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রবিবার টানা তৃতীয় দিনের মতো জার্মানি ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণতম দিন পার করেছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলে তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে পূর্ব ব্র্যান্ডেনবার্গের কোশেনের একটি আবহাওয়া স্টেশনে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

চেক প্রজাতন্ত্রের আবহাওয়া ইনস্টিটিউট সিএইচএমআই জানিয়েছে, দেশটিতে টানা দুই দিনে দুই দফায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। প্রাগের উত্তরে ডোকসানি অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরো জানায়, রবিবার এই তাপপ্রবাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে পরে পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকাগুলোতে ভারি ঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে।

পোল্যান্ডেও সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। রবিবার দেশটির সলুবিস শহরে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এই চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়ার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন ডব্লিউএইচওর প্রধান। তিনি আবারও সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উষ্ণ হচ্ছে ইউরোপ।

তেদরোস আধানোম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। প্রজন্মে একবার দেখা দেওয়ার মতো এমন তাপপ্রবাহ এখন প্রায় প্রতিবছরই ঘটছে।

ভূমিকম্পে কাঁপল চীনের সিচুয়ান

অনলাইন ডেস্ক
ভূমিকম্পে কাঁপল চীনের সিচুয়ান
ফাইল ছবি

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ সিচুয়ানে ৫ দশমিক ২৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। দেশটির স্থানীয় সময় রবিবার (২৮ জুন) দিবাগত মধ্যরাতে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জার্মান ভূবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র (জিএফজেড) জানিয়েছে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

জিএফজেডের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সিচুয়ান প্রদেশ। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার ভূগর্ভে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে জিএফজেড।

চীনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের গভীরতা কম হওয়ায় উৎপত্তিস্থলের আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর সিচুয়ানের রাজধানী চেংডুসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না তা যাচাইয়ে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা কাজ করছেন। তবে প্রত্যন্ত ও পার্বত্য অঞ্চল হওয়ায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সিচুয়ান প্রদেশটি তীব্র ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এর আগে ২০০৮ সালে এই প্রদেশে আঘাত হানা ৮ মাত্রার এক বিধ্বংসী ভূমিকম্পে প্রায় ৯০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সোমবারের এই কম্পনের পর জনমনে সেই আতঙ্ক আবারও নতুন করে দেখা দিয়েছে।

দুই নাবালকের ধর্ষণের শিকার, স্ত্রীকে খুন করে সিলিংয়ে ঝুললেন স্বামী! | কালের কণ্ঠ