• ই-পেপার

আসল \'অযোধ্যা\'র খোঁজে নেপালে প্রত্নতাত্ত্বিক জায়গা খনন

বিদ্রোহ ও ভাঙনের মুখে দলে পরিবর্তন আনলেন মমতা

অনলাইন ডেস্ক
বিদ্রোহ ও ভাঙনের মুখে দলে পরিবর্তন আনলেন মমতা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় হারের পর নানা সংকটে টানা তিনবার রাজ্য শাসন করা তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)। অভ্যন্তরে বিদ্রোহ ও ভাঙনের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একচ্ছত্র ক্ষমতা কমিয়ে দিলেন টিএমসির সর্বভারতীয় সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নজিরবিহীন সংকট সামাল দিতে প্রবীণ ও অনুগত নেতাদের গুরুত্ব বাড়িয়ে দলে বড় ধরনের রদবদল এনেছেন তিনি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভাইপো টিএমসির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল রাখা হয়েছে। পদ বহাল রাখা হলেও একক ক্ষমতা লাগাম টেনে ধরা হয়েছে এই টিএমসি নেতার। অভিষেকের ক্ষমতা নির্দিষ্ট করতে রাজ্যসভার সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেনকে  জাতীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এর ফলে অভিষেক আর এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না।

এদিকে দলের বর্তমান বিদ্রোহকে সরাসরি সভানেত্রীর বিরুদ্ধে নয়, বরং অভিষেক বিরুদ্ধে উঠেছে। আর এই সংকট তৈরি হয় বিধানসভায় হারের পরও টিএমসির এক দলীয় সভায় ভাইপোর ভূমিকার প্রশংসা করতে বলেছিলেন বলে জানা গেছে। 

জানা যায়, এই পদক্ষেপে অনেকেই ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন, কারণ তাঁরা দলের অজনপ্রিয়তার মূল কারণ হিসেবে অভিষেকের কার্যপদ্ধতিকেই দেখছিলেন। সেটাই ছিল প্রথম সূত্রপাত। সেই মুহূর্ত থেকেই তৃণমূল বিধায়ক দলে ফাটল ধরতে শুরু করে।

এই মতবিরোধ একটি বিদ্রোহে রূপ নিয়েছে। তাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের মাধ্যমে নীতি সংশোধনের পথে যেতে বাধ্য করেছে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের মধ্যে, প্রবীণ নেতা চন্দ্রমা ভট্টাচার্য নতুন রাজ্য সভাপতি হিসেবে উন্নীত হয়েছেন। যা একটি প্রজন্মগত ও সাংগঠনিক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দেয়। সুব্রত বক্সীকে জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে সহসভাপতি পদে বহাল রাখা হয়েছে।

দলের সব শাখাতেই নতুন মুখ আনা হয়েছে। সাজদা আহমেদ, মমতা ঠাকুর, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং স্বাতী খান্ডেকর পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের সহসভাপতি নিযুক্ত হয়েছেন। সাংসদ সায়োনী ঘোষ তৃণমূলের যুব শাখার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

দলে তীব্র বিদ্রোহের মাঝেও যারা এখনো ‘দিদি’-র পাশে আছেন, সেইসব অনুগত ও পুরনো কর্মীদের মধ্যে মমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব বণ্টন করেছেন।

বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন
ফাইল ছবি

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকায় সরবরাহ বিঘ্নের আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সীমিত সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা কমে আসা এবং তেল সরবরাহে তাৎক্ষণিক ঝুঁকি হ্রাস পাওয়ায় বাজারে এ দরপতন দেখা দিয়েছে।

গালফ নিউজ বলছে, শনিবার সকাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড তেলের দাম ২.৬ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৯০.৫৪ ডলারে নেমেছে।

এ ছাড়া ব্রেন্ট ক্রুড ১.৯৪ ডলার কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩.০৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ২.০৪ শতাংশ পতন। মুরবান ক্রুড ২.৮২ ডলার বা ৩.০২ শতাংশ কমে ৯০.৬৮ ডলারে নেমেছে। এ ছাড়া ডব্লিউটিআই মিডল্যান্ড ২.৬৯ শতাংশ কমে ৯১.১৭ ডলার।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, মার্স ক্রুড ১.৭৬ শতাংশ কমে ১১২.২১ ডলার এবং ওয়েস্টার্ন কানাডিয়ান সিলেক্ট ৩.৫৬ শতাংশ কমে ৮০.৬৯ ডলারে লেনদেন হয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাস ও হিটিং অয়েলের দামও কমেছে, তবে গ্যাসোলিনের সামান্য ০.২৫ শতাংশ বৃদ্ধি দেখা গেছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে চারটি ইরানি আক্রমণ ড্রোন ভূপাতিত করেছে তারা এবং হামলা চালিয়েছে ইরানের উপকূলীয় রাডার সাইটে। একই সময় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ভারত মহাসাগরে ইরান-সম্পর্কিত একটি তেলবাহী জাহাজে অভিযান চালিয়েছে বলেও জানানো হয়।

ওই জাহাজটি ইরানের ‘ঘোস্ট ফ্লিট’ নেটওয়ার্কের অংশ বলে দাবি করা হয়েছে, যা অবৈধভাবে তেল পরিবহন করে থাকে বলে অভিযোগ ওয়াশিংটনের।

চলতি বছরের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার পর থেকে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সংকীর্ণ পথ দিয়ে যাতায়াত করে।

আরো সংকটে প্রয়াত জয়ললিতার দল এআইএডিএমকে

অনলাইন ডেস্ক
আরো সংকটে প্রয়াত জয়ললিতার দল এআইএডিএমকে
এআইএডিএমকে সাধারণ সম্পাদক এডাপ্পাদি কে পালানিস্বামী, ছবি : ফেসবুক থেকে নেওয়া

আবারও ভাঙনের মুখে প্রয়াত জয়ললিতার সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগাম (এআইএডিএমকে)। সাবেক মন্ত্রী, বিধায়ক এআইএডিএমকে ছেড়ে থালাপতির তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) ও এমকে স্ট্যালিনের দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগময়ে (ডিএমকে) যোগ দিয়েছেন।

শনিবার (৬ জুন) পদত্যাগকারী নেতারা চেন্নাইয়ে টিভিকের দলের সদর দপ্তরে সাধারণ সম্পাদক আনন্দ এবং নির্বাচনী প্রচার ব্যবস্থাপনার সাধারণ সম্পাদক আধব অর্জুনের উপস্থিতিতে ক্ষমতাসীন দলে যোগদান করেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, চারজন সাবেক মন্ত্রী ও বিধায়ক শাসক দল টিভিকেতে যোগ দেওয়া এআইএডিএমকে চলমান অভ্যন্তরীণ সংকটের আরো তীব্রতর হলো।

দলত্যাগকারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন উডুমালাই কে রাধাকৃষ্ণন, এমসি সম্পথ, কাদাম্বুর সি রাজু ও এনআর শিবপতি। 

উদুমালাই কে রাধাকৃষ্ণান উদুমালপেট বিধানসভা আসন থেকে নির্বাচনে হেরেছেন। এমসি সম্পাথ কুড্ডালোর নির্বাচনী এলাকায় তৃতীয় স্থানে ছিলেন। কদম্বুর রাজুও ২০২৬ বিধানসভায় কোভিলপট্টিতে পরাজিত হন।

এর আগে এআইএডিএমকের ২৫ জন বিদ্রোহী বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের পক্ষে আস্থা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছেন।

২৩ এপ্রিলের নির্বাচনে বাজে ফলাফলের পর থেকে এআইএডিএমকে একের পর এক ধাক্কা খেয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরপরই, দলের ২৫ জন বিদ্রোহী বিধায়কের একটি দল এর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার নির্দেশ অমান্য করে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়ের আনা আস্থা প্রস্তাবকে সমর্থন করে।

এর আগে সেই বিদ্রোহী বিধায়কদের মধ্যে চারজন পরে এআইএডিএমকে থেকে পদত্যাগ করে টিভিকেতে যোগ দেন। শেষতক আরো সাবেক চার মন্ত্রী ও বিধায়কের এই দলত্যাগে এআইএডিএমকে বড় ধাক্কা খেল।

তামিলনাড়ু বিজেপিতে আরো পদত্যাগের হিড়িক

অনলাইন ডেস্ক
তামিলনাড়ু বিজেপিতে আরো পদত্যাগের হিড়িক

তামিলনাড়ু বিজেপির সাবেক সভাপতি কে আন্নামালাইয়ের দলত্যাগ ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য ইউনিটে বিভাজন এখন প্রকাশ্যে। আন্নামালাইয়ের দলত্যাগের কয়েক ঘণ্টা পরেই পদত্যাগ করেছেন সহসভাপতি কারু নাগরাজনসহ কয়েকজন প্রবীণ নেতা। বিজেপি ত্যাগ করে সাবেক আইপিএস কর্মকর্তার নতুন রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন তারা। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, নাগরাজন তার সমর্থকদের নিয়ে বিজেপির প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তারা সবাই আন্নামালাইয়ের নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগকে সমর্থন করবেন বলে জানা গেছে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে নাগরাজন বলেন, ‌‘আমি কোনো নেতাকে দোষারোপ করতে চাই না। আমরা আন্নামালাইকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যিনি একজন উদ্যমী ও সাহসী নেতা।’

আন্নামালাইয়ের ঘোষণার পর বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য আইন বিষয়ক আহ্বায়ক অভিলাষ গোপীনাথও দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।

গোপীনাথ তাঁর পদত্যাগপত্রে বলেছেন, পদত্যাগ সিদ্ধান্তের পেছনে মূল চালিকাশক্তি হলো কে আন্নামালাইয়ের পথ ও স্বপ্নকে অনুসরণ করা। যাঁর নেতৃত্ব, সততা এবং জনজীবনের প্রতি দায়বদ্ধতা আমাকে রাজনীতিতে আসতে অনুপ্রাণিত করেছিল। আমার রাজনৈতিক চলার পথে এখনো প্রভাব বিস্তার করে চলেছে তিনি বলে যোগ করেন গোপীনাথ।

আসল \'অযোধ্যা\'র খোঁজে নেপালে প্রত্নতাত্ত্বিক জায়গা খনন | কালের কণ্ঠ