• ই-পেপার

তাইওয়ানে স্বাধীনতাকামিদের দমনে সেনা নামাতে চায় চীন

ইউরোপে নজিরবিহীন তাপপ্রবাহ : ৭ দিনে ১৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
ইউরোপে নজিরবিহীন তাপপ্রবাহ : ৭ দিনে ১৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

গত ২১ জুন থেকে ইউরোপজুড়ে চলমান নজিরবিহীন তাপপ্রবাহের কারণে অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

রবিবার (২৮ জুন) ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক ড. তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসের এক পোস্টের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি

তীব্র এই তাপপ্রবাহ ধীরে ধীরে পূর্বদিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে রবিবার মহাদেশটিতে আবারও তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। জার্মানি, পোল্যান্ড ও চেক প্রজাতন্ত্রে তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডব্লিউএইচওর প্রধান বলেন, ২১ জুন থেকে ইউরোপের এই উচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত ১ হাজার ৩০০টির বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু রেকর্ড হয়েছে।

তেদরোস আধানোম বলেন, তাপমাত্রাজনিত চাপকে অনেক সময় ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়। ইউরোপের ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও স্কুলগুলো এমন তাপমাত্রার উপযোগী করে তৈরি করা হয়নি।

 রবিবার সকালে ফ্রান্সের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটিতে গত বুধবার থেকে প্রায় এক হাজার বাড়তি মৃত্যু হয়েছে। সংস্থাটি আরো জানায়, এসব অতিরিক্ত মৃত্যুর একটি বড় অংশই ৬৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের। বাড়িতে মানুষের মৃত্যুর হার ৪০ শতাংশ বেড়েছে।

ডব্লিউএইচও প্রধান সতর্ক করে বলেন, বিশ্বে মহাসচিব হিসেবে ইউরোপই সবচেয়ে দ্রুত গতিতে উষ্ণ হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, মহাদেশটির লাখ লাখ মানুষ এখন তীব্র গরমের মধ্যে বসবাস করছে। শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বিদ্যুতের গ্রিডগুলো বিকল হয়ে পড়ছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রবিবার টানা তৃতীয় দিনের মতো জার্মানি ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণতম দিন পার করেছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলে তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে পূর্ব ব্র্যান্ডেনবার্গের কোশেনের একটি আবহাওয়া স্টেশনে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

চেক প্রজাতন্ত্রের আবহাওয়া ইনস্টিটিউট সিএইচএমআই জানিয়েছে, দেশটিতে টানা দুই দিনে দুই দফায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। প্রাগের উত্তরে ডোকসানি অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরো জানায়, রবিবার এই তাপপ্রবাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে পরে পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকাগুলোতে ভারি ঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে।

পোল্যান্ডেও সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। রবিবার দেশটির সলুবিস শহরে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এই চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়ার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন ডব্লিউএইচওর প্রধান। তিনি আবারও সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উষ্ণ হচ্ছে ইউরোপ।

তেদরোস আধানোম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। প্রজন্মে একবার দেখা দেওয়ার মতো এমন তাপপ্রবাহ এখন প্রায় প্রতিবছরই ঘটছে।

ভূমিকম্পে কাঁপল চীনের সিচুয়ান

অনলাইন ডেস্ক
ভূমিকম্পে কাঁপল চীনের সিচুয়ান
ফাইল ছবি

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ সিচুয়ানে ৫ দশমিক ২৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। দেশটির স্থানীয় সময় রবিবার (২৮ জুন) দিবাগত মধ্যরাতে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জার্মান ভূবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র (জিএফজেড) জানিয়েছে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

জিএফজেডের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সিচুয়ান প্রদেশ। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার ভূগর্ভে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে জিএফজেড।

চীনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের গভীরতা কম হওয়ায় উৎপত্তিস্থলের আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর সিচুয়ানের রাজধানী চেংডুসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না তা যাচাইয়ে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা কাজ করছেন। তবে প্রত্যন্ত ও পার্বত্য অঞ্চল হওয়ায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সিচুয়ান প্রদেশটি তীব্র ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এর আগে ২০০৮ সালে এই প্রদেশে আঘাত হানা ৮ মাত্রার এক বিধ্বংসী ভূমিকম্পে প্রায় ৯০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সোমবারের এই কম্পনের পর জনমনে সেই আতঙ্ক আবারও নতুন করে দেখা দিয়েছে।

অস্থায়ী অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
অস্থায়ী অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অস্থায়ী অভিবাসীদের দেশটি ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কওয়েন মুলিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদায় (টিপিএস) থাকা অভিবাসীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের উপায় খুঁজতে হবে অথবা যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হবে। একই সঙ্গে স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে আগ্রহীদের বিমান ভাড়া ও পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তারও ঘোষণা দেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্স

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ অনুষ্ঠানে দেয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কওয়েন মুলিন ওই মন্তব্য করেন। এর আগে গত সপ্তাহে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদায় থাকা অভিবাসীদের বিষয়ে বিভক্ত রায় প্রকাশ করে। ওই রায়ের পর মার্কওয়েন মুলিনের এই মন্তব্য সামনে এলো।

মূলত বিভক্ত ওই রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে হাইতি ও সিরিয়ার হাজার হাজার অভিবাসীর মানবিক সুরক্ষা মর্যাদা বাতিলের অনুমতি দেয়। আর এই মর্যাদাই এতদিন তাদের সংঘাত ও চরম দারিদ্র্যপীড়িত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে সুরক্ষা দিয়ে আসছিল।

মার্কওয়েন মুলিন বলেন, ‘হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করে স্থায়ী বৈধ মর্যাদার আওতায় থাকার চেষ্টা করুন, নয়তো আমরা আপনাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করব’। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনাকে একটি বিমান টিকিট দেব। পাশাপাশি নিজ দেশে ফিরে নতুনভাবে জীবন শুরু করতে প্রায় ২ হাজার ১০০ ডলারও দেয়া হবে। তবে আদালতের রায় এবং এই কর্মসূচির নাম থেকেই স্পষ্ট, অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা কখনোই স্থায়ী মর্যাদা নয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন অনুযায়ী, যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনও সংকট থেকে পালিয়ে আসা ব্যক্তিদের অস্থায়ীভাবে বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি দিতে পারে প্রশাসন।

এর আগে এই সুরক্ষা মর্যাদার মেয়াদ ধারাবাহিকভাবে নবায়ন করা হয়েছিল। যদিও এখন এটি বাতিলের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তবুও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এখনও ব্যাপক সহিংসতা, অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ এবং অপহরণের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে হাইতি ও সিরিয়ায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়ে আসছে।

২০১০ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর প্রথম হাইতির নাগরিকদের জন্য এবং ২০১২ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশটির নাগরিকদের জন্য অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা (টিপিএস) চালু করে যুক্তরাষ্ট্র।

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প মিথ্যাভাবে অভিযোগ করেছিলেন, ওহাইওতে বসবাসরত হাইতির অভিবাসীরা অন্যদের পোষা প্রাণী খেয়ে ফেলছে।

মুম্বাইয়ে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার চক্রান্ত ফাঁস, ধরা পড়লেন মাস্টারমাইন্ড

অনলাইন ডেস্ক
মুম্বাইয়ে তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার চক্রান্ত ফাঁস, ধরা পড়লেন মাস্টারমাইন্ড
সংগৃহীত ছবি

ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুম্বাইয়ে অল্পের জন্য বড় ধরনের এক ট্র্যাজেডি এড়াতে সক্ষম হয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। গত শুক্রবার (২৬ জুন) তাজিয়া মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিতরণের সময় পুলিশ হাতেনাতে এক ব্যক্তিকে আটক করে। পরে ফাইয়াজ প্রেমজি নামের ওই ব্যক্তি জানায়, মিছিলে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিতরণ করে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল তার। খবর এনডিটিভি

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুম্বাইয়ের বাইকুল্লা এলাকায় তাজিয়া মিছিলের সময় ফাইয়াজের দেওয়া ক্যাপসুল সেবন করে প্রায় ডজনখানেক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে পরীক্ষায় দেখা যায়, ক্যাপসুলগুলোতে জিংক ফসফাইড ছিল, যা ইঁদুর মারার বিষ ও অন্যান্য রোডেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত অত্যন্ত প্রাণঘাতী রাসায়নিক।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ফাইয়াজ জিজ্ঞাসাবাদে হাজারও মানুষকে বিষপ্রয়োগে হত্যার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন। শনিবার (২৭ জুন) স্থানীয় আদালত তাকে দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, রেয়ে রোডের রেহমতাবাদ কবরস্থানের কাছে আশুরার শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ফাইয়াজকে ক্যাপসুল বিতরণ করতে দেখা যায়। ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সেগুলোকে ব্যথানাশক ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ওষুধ বলে প্রচারের চেষ্টা করেন তিনি।

সূত্র জানায়, অন্তত ১১ জন ওই ক্যাপসুল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সবাই আশঙ্কামুক্ত। আক্রান্তদের একজন সালমান সাইয়েদ ক্যাপসুল খাওয়ার পর পেটব্যথা ও বমির অভিযোগ করেন।

পুলিশের উপকমিশনার (ডিসিপি) জয়ন্ত মীনা জানান, ক্যাপসুলে জিংক ফসফাইড মিশিয়েছিল ফাইয়াজ। এ ধরনের ক্যাপসুল বিতরণের জন্য তার প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল না। দ্রুত অভিযান চালিয়ে পুলিশ অভিযুক্তের কাছে থাকা বিপুল পরিমাণ ক্যাপসুল জব্দ করে। জব্দ করা ক্যাপসুলের সংখ্যা ছিল অন্তত ১৪ হাজার ৯০০টি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্যাপসুল বিতরণ করা হয়েছিল। আরো ৩০ হাজার খালি ক্যাপসুল এবং ৫০ কেজি ফসফরাসের অর্ডার দিয়েছিলেন ফাইয়াজ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সেদিন তিন নারী স্বেচ্ছাসেবকের তৎপরতায় হাজারও মানুষের জীবন রক্ষা পেয়েছে। তাদের একজন প্রথমে অভিযুক্তকে সন্দেহজনকভাবে ক্যাপসুল বিতরণ করতে দেখে। এরপর তারা দ্রুত তাকে বাধা দিয়ে পুলিশকে খবর দেন। একই সঙ্গে লাউডস্পিকারে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে ওই ক্যাপসুল না খাওয়ার অনুরোধ করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, তাজিয়া মিছিলে অংশ নেওয়া হাজারো মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন ফাইয়াজ। পুলিশকে তিনি বলেন, ‘আমি অন্তত ১৫ হাজার মানুষকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম।’

তার বিরুদ্ধে বাইকুল্লা থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৩ ধারায় মামলা করা হয়েছে। এ ধারায় বিষ বা অনুরূপ উপায়ে ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায়কে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফাইয়াজের এই পরিকল্পনার পেছনে কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের যোগসাজশ আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জিংক ফসফাইড কী?

জিংক ফসফাইড অত্যন্ত বিষাক্ত একটি রাসায়নিক পদার্থ। এটি শরীরে প্রবেশ করলে পাকস্থলীর অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ফসফিন গ্যাস উৎপন্ন করে। এই গ্যাস মানবদেহের জন্য অত্যন্ত প্রাণঘাতী এবং এটি সরাসরি হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস, যকৃত, কিডনি ও মস্তিষ্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই বিষের জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। জিংক ফসফাইড বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে একমাত্র কার্যকর ব্যবস্থা হলো আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা। সেখানে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনে ভেন্টিলেটর সহায়তার মাধ্যমে তার জীবন রক্ষার চেষ্টা করা হয়।

তাইওয়ানে স্বাধীনতাকামিদের দমনে সেনা নামাতে চায় চীন | কালের কণ্ঠ