• ই-পেপার

টিকা আবিষ্কার যদি হয়ও সব দেশকে দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত কাচের ভায়াল নেই!

বুর্কিনা ফাসোর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে ফ্রান্স

অনলাইন ডেস্ক
বুর্কিনা ফাসোর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে ফ্রান্স

ফ্রান্সের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুর্কিনা ফাসো। দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে শুক্রবার (২৬ জুন) এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় বুর্কিনানি কর্তৃপক্ষ। এর জবাবে শনিবার (২৭ জুন) ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা এই সিদ্ধান্তের বিপরীতে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।

গত কয়েক বছর ধরেই দেশ দুইটির মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। বুর্কিনা ফাসোর যোগাযোগমন্ত্রী গিলবার্ট ওয়েদ্রাওগো জানিয়েছেন, ফ্রান্সের সাথে সম্পর্ক ছিন্নের সিদ্ধান্তটি শুক্রবার থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। তিনি সরাসরি ফ্রান্সের বিরুদ্ধে দেশের ভেতরে ‘নাশকতাকারী চক্র’ ও ‘সন্ত্রাসীদের’ সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তবে ফরাসি সরকার অতীতেও এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বুর্কিনা ফাসোর এই আকস্মিক পদক্ষেপের পর ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ফ্রান্স এই বৈরী ও ভিত্তিহীন সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করছে। ফরাসি সরকারের মতে, এই সিদ্ধান্ত বুর্কিনা ফাসোর কর্তৃপক্ষের ভুল পথ বেছে নেওয়াকে নির্দেশ করে।’ একই সাথে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বুর্কিনা ফাসোতে বসবাসরত ফরাসি নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিয়েছে ফ্রান্স।

বুর্কিনা ফাসো গত এক দশক ধরে প্রতিবেশী মালি থেকে ছড়িয়ে পড়া চরমপন্থী ও ইসলামপন্থী সশস্ত্র বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে। এই সহিংসতায় অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। এই নিরাপত্তা সংকটের মাঝেই ফ্রান্সের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটি পশ্চিম আফ্রিকার ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

গোপন নথি অপব্যবহারের দায় স্বীকার করলেন ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
গোপন নথি অপব্যবহারের দায় স্বীকার করলেন ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা
ছবি : রয়টার্স

গোপনীয় ও স্পর্শকাতর সরকারি তথ্য অপব্যবহারের অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। আদালতের কাছে তিনি অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজের কাছে রাখার দায় মেনে নেন। এই অপরাধের কারণে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এ ছাড়া জরিমানা হিসেবে তিনি ২২.৫ লাখ মার্কিন ডলার দিতে রাজি হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত জন বোল্টন গোপন তথ্য ফাঁসের ১৮টি অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন। শুরুতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও শুক্রবার (২৬ জুন) আদালতে তিনি একটি অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন। তার ডায়েরিতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত বেশ কিছু সর্বোচ্চ গোপনীয় স্তরের নথি পাওয়া যায়। এ ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাকাকালীন সময়ের কিছু সংবেদনশীল তথ্য তিনি নিজের পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়েছিলেন বলেও আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। আদালতে বিচারকের সামনে বোল্টন বলেন, ‘আমি ভুল করেছি, মাননীয়। আমি এর জন্য দুঃখিত।’

শুনানি শেষে মার্কিন অ্যাটর্নি কেলি হেইস সাংবাদিকদের বলেন, ‘বোল্টন জানতেন কিভাবে গোপনীয় তথ্য সামলাতে হয় এবং এর অপব্যবহারের ফলে জাতীয় নিরাপত্তার কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে। আইন লঙ্ঘন করে তিনি দেশের নিরাপত্তাকে গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছিলেন।’ অন্যদিকে, বোল্টনের আইনজীবী অ্যাবে লোয়েল এক বিবৃতিতে বলেন, তার মক্কেল নিজের ভুলের দায়িত্ব নিয়ে প্রকৃত নেতার মতো কাজ করেছেন। এর ফলে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় সরকারের অনেক সম্পদ বেঁচে গেছে। তবে এই প্রসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ট্রাম্প নিজেও ফ্লোরিডার ম্যানশনে গোপন নথি নিয়ে আইন লঙ্ঘন করেছিলেন, কিন্তু নিজের আচরণের জন্য কখনো জবাবদিহি করেননি। সাবেক উপদেষ্টার এই দোষ স্বীকারের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আশা করি, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২০১৯ সালে ট্রাম্পের প্রথম প্রশাসন থেকে বরখাস্ত হন জন বোল্টন। ২০২০ সালে তার প্রকাশিত স্মৃতিকথা ‘দ্য রুম হোয়্যার ইট হ্যাপেন্ড’-এ তিনি ট্রাম্পের ভূ-রাজনীতিসংক্রান্ত অজ্ঞতার তীব্র সমালোচনা করেন। তৎকালীন হোয়াইট হাউস বইটির প্রকাশনা বন্ধ করতে মামলা করলেও আদালত তা খারিজ করে দেন। এর পরপরই মার্কিন বিচার বিভাগ বোল্টনের বিরুদ্ধে গোপন তথ্য অপব্যবহারের তদন্ত শুরু করে।

আইনি চুক্তি অনুযায়ী, কারাদণ্ড ও জরিমানার পাশাপাশি বোল্টনকে ১০০ ঘণ্টা সমাজসেবামূলক কাজ করতে হবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী ২৮ অক্টোবর আদালত এই মামলায় বোল্টনের চূড়ান্ত সাজা ঘোষণা করবে।

দ্বিতীয় দফায় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় ইরানে আবার যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

অনলাইন ডেস্ক
দ্বিতীয় দফায় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় ইরানে আবার যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
ছবি : রয়টার্স

হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, পানামার পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানি ড্রোন হামলার জবাবে তারা ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

সেন্টকমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় ‘এমটি কিকু’ নামের একটি বাণিজ্যিক ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে ইরান আত্মঘাতী ড্রোন পাঠায়। এতে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে শনিবার (২৭ জুন) রাতে ইরানের সামরিক সরঞ্জাম, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষাকেন্দ্র ও ড্রোন মজুদ রাখার স্থাপনায় বিমান হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর আগে ২৫ জুন সিঙ্গাপুরের একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলার জবাবেও ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন হামলার পর আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিশোধ হিসেবে কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরান পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। আইআরজিসি সতর্ক করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যকার সমঝোতা চুক্তির পরিপন্থী এবং এর ফলে শান্তিপ্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। এই ঘটনার পর কুয়েত ও বাহরাইন তাদের নিজ নিজ বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করেছে এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

এই হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে তেহরানের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান যদি যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে না চলে, তবে চলমান আলোচনা অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং সংকট সমাধানে চূড়ান্ত সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

বিশ্বের তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্য হরমুজ প্রণালি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনার কারণে এটি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অনেক বেড়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ১৭ জুন একটি ১৪-দফা সমঝোতা স্মারক সই হয়, যেখানে ইরান ৬০ দিনের জন্য এই রুটে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর ইরানের টোল আদায়ের প্রচেষ্টা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। মার্কিন কর্মকর্তারা এর নিন্দা জানিয়ে একে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির শাসনব্যবস্থা আর আগের অবস্থায় ফিরবে না।

ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ
ছবি : রয়টার্স

জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্র প্রভাবে ইউরোপজুড়ে ইতিহাসের ভয়াবহতম তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে। একের পর এক দেশে ভেঙে চলেছে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সর্বকালের সব রেকর্ড। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে, এই তাপপ্রবাহ জনস্বাস্থ্য ও বাস্তুতন্ত্রের ওপর মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনছে। বর্তমানে মহাদেশটির প্রায় ১৫ কোটি মানুষ ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর তীব্র তাপমাত্রা অনুভব করছেন। আবহাওয়া বিভাগগুলোর প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তাপপ্রবাহের কেন্দ্রস্থলটি এখন দ্রুত উত্তর ও পূর্ব ইউরোপের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

জার্মানিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো তাপমাত্রা ৪১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্থাপন করেছে। এর আগে দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র উত্তাপের মুখে রাজধানী বার্লিনে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করেছে। চেক প্রজাতন্ত্রের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, প্রাগের উত্তরাঞ্চলীয় ডকসানি কেন্দ্রে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিভুক্ত করা হয়েছে। ডেনমার্কে ১৯৭৬ সালের রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ডের বাসেলে পারদ ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোর মাধ্যমে টানা তৃতীয় দিনের মতো জুন মাসের উষ্ণতার রেকর্ড ভেঙেছে।

আইবেরীয় উপদ্বীপে শুরু হওয়া এই তাপপ্রবাহে ইতিমধ্যে শত শত মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। স্পেনের ‘মোমো’ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার তথ্যমতে, তীব্র গরমের কারণে মাত্র পাঁচ দিনে ৩২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, ফ্রান্সে গরম থেকে রক্ষা পেতে পানিতে ডুবে অন্তত ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বড় অংশই অনিরাপদ ও অরক্ষিত এলাকায় সাঁতার কাটছিলেন।

বিবিসির প্রধান আবহাওয়াবিদ বেন রিচ জানিয়েছেন, একটি ধীরগতির ও দীর্ঘস্থায়ী উচ্চচাপ বলয় বা ‘হিট ডোম’ এর কারণে এই চরম পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় উচ্চচাপের কারণে বাতাস নিচে নেমে সংকুচিত ও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। মেঘমুক্ত আকাশ ও তীব্র রোদ একে আরো ভয়ংকর করে তুলেছে। ‘ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন’-এর বিজ্ঞানীদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই ৫০ বছর আগের তুলনায় এখন গ্রীষ্মের শুরুতেই এমন তীব্র তাপপ্রবাহ দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে ইউরোপ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত উষ্ণায়নশীল মহাদেশে পরিণত হয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সোমবার (২৯ জুন) পর্যন্ত এই তীব্র গরম অব্যাহত থাকবে এবং কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরেই থাকবে। তবে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে ইউরোপের পশ্চিমাঞ্চলে শীতল আবহাওয়া তৈরি হয়ে তা পূর্ব দিকে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা এ পরিস্থিতি থেকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিতে পারে।

টিকা আবিষ্কার যদি হয়ও সব দেশকে দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত কাচের ভায়াল নেই! | কালের কণ্ঠ